ঢাকা , বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ২২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পিলখানা হত্যাযজ্ঞ, গ্রেপ্তার হতে পারেন সোহেল তাজ-মুন্নি সাহা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৮:৩৭:৪০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৫২৯ বার পড়া হয়েছে

বিডিআর বিদ্রোহ পুনঃতদন্তের রিপোর্ট জমা পড়ার পর বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন লেখক, অ্যাক্টিভিস্ট ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক ড. পিনাকী ভট্টাচার্য। সোমবার রাতে ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, তার অনুমান অনুযায়ী শুরুর দিকে সোহেল তাজ ও সাংবাদিক মুন্নি সাহাকে গ্রেপ্তার করা হতে পারে।

আরেক পোস্টে পিনাকী আরও উল্লেখ করেন, জে আই মামুন এবং মঞ্জুরুল আহসান বুলবুলও এই ইস্যুতে গ্রেপ্তারের তালিকায় থাকতে পারেন বলে তিনি ধারণা করছেন।

উল্লেখ্য, ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি পিলখানায় বিডিআর বিদ্রোহে ৫৭ সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ৭৪ জন নিহত হন। গত ডিসেম্বর অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর ঘটনাটির পুনঃতদন্তের দাবি ওঠে। এরপর ২৪ ডিসেম্বর সরকার জাতীয় স্বাধীন তদন্ত কমিশন গঠন করে।

এই কমিশনের সাক্ষ্যগ্রহণে অংশ নেন নিহতদের পরিবার, রাজনৈতিক নেতা, সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তা, পুলিশ সদস্য, সাবেক ও বর্তমান বিডিআর-বিজিবি সদস্য, কারাবন্দি ব্যক্তি ও তিনজন সাংবাদিক।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

পিলখানা হত্যাযজ্ঞ, গ্রেপ্তার হতে পারেন সোহেল তাজ-মুন্নি সাহা

আপডেট সময় ০৮:৩৭:৪০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর ২০২৫

বিডিআর বিদ্রোহ পুনঃতদন্তের রিপোর্ট জমা পড়ার পর বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন লেখক, অ্যাক্টিভিস্ট ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক ড. পিনাকী ভট্টাচার্য। সোমবার রাতে ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, তার অনুমান অনুযায়ী শুরুর দিকে সোহেল তাজ ও সাংবাদিক মুন্নি সাহাকে গ্রেপ্তার করা হতে পারে।

আরেক পোস্টে পিনাকী আরও উল্লেখ করেন, জে আই মামুন এবং মঞ্জুরুল আহসান বুলবুলও এই ইস্যুতে গ্রেপ্তারের তালিকায় থাকতে পারেন বলে তিনি ধারণা করছেন।

উল্লেখ্য, ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি পিলখানায় বিডিআর বিদ্রোহে ৫৭ সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ৭৪ জন নিহত হন। গত ডিসেম্বর অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর ঘটনাটির পুনঃতদন্তের দাবি ওঠে। এরপর ২৪ ডিসেম্বর সরকার জাতীয় স্বাধীন তদন্ত কমিশন গঠন করে।

এই কমিশনের সাক্ষ্যগ্রহণে অংশ নেন নিহতদের পরিবার, রাজনৈতিক নেতা, সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তা, পুলিশ সদস্য, সাবেক ও বর্তমান বিডিআর-বিজিবি সদস্য, কারাবন্দি ব্যক্তি ও তিনজন সাংবাদিক।