ঢাকা , শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
লুটেরাদের হাতে ব্যাংক ফিরিয়ে দিলে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন শ্রমিকরা সংসদে সুগার মিল নিয়ে আমির হামজার বক্তব্যের প্রতিবাদে মানববন্ধন একটি হয়েছে ১৫ বছরের দুর্নীতি আর ১৮ মাস ভুল নীতি: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী মেয়ের বিয়ের পাত্র নিয়ে পালালেন মা যুক্তরাষ্ট্রে নিহত বাংলাদেশি শিক্ষার্থী বৃষ্টির মরদেহ উদ্ধার টাকা ভাগাভাগি নিয়ে দ্বন্দ্ব, বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষে আহত ২০ ইরান বিশ্বকাপে অংশ নেবে কি না, জানালেন ফিফা সভাপতি ঢাকা দক্ষিণ সিটি নির্বাচনে মেয়র পদে সাদিক কায়েমকে প্রার্থী ঘোষণা একাত্তরের জামায়াত ও বর্তমান জামায়াত এক নয়: মিয়া গোলাম পরওয়ার টুঙ্গিপাড়ায় পঙ্গু স্বামী ও শিশুকন্যাকে রেখে স্ত্রীর পলায়ন

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমিরের রহস্যজনক পোস্ট!

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৯:৫১:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ মার্চ ২০২৬
  • ১০৭ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক আলেমদের অঙ্গনে তৃতীয় পক্ষের অনুপ্রবেশ ও বিভিন্ন মহলের এজেন্ডা বাস্তবায়নের আশঙ্কা প্রকাশ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্ট দিয়েছেন।

সোমবার (৯ মার্চ) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে তিনি ‘ঘরের শত্রু বিভীষণ’ শিরোনামে বিষয়টি তুলে ধরেন।

 

স্ট্যাটাসে মামুনুল হক দাবি করেন, কয়েক মাস আগে একজন বিশ্বস্ত আলেম তাকে একজন ব্যক্তিকে নিয়ে সতর্ক করেছিলেন। ওই আলেমকে তিনি কওমি অঙ্গনের একজন নির্ভরযোগ্য ও গবেষকধর্মী আলেম হিসেবে উল্লেখ করেন।

মামুনুল হকের ভাষ্য অনুযায়ী, ওই আলেমের মাধ্যমে তিনি জানতে পারেন, এক ব্যক্তি বিভিন্ন প্রভাবশালী দেশের গোয়েন্দা সংস্থার ‘সোর্স’ হিসেবে কাজ করছেন।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, একই ব্যক্তিকে নিয়ে আরেকজন তাকে জানান যে, বাংলাদেশে এমন কিছু সংরক্ষিত স্থানে ওই ব্যক্তির যাতায়াত রয়েছে, যেখানে সাধারণত রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ ছাড়া অন্য কারও প্রবেশ সম্ভব নয়।

মামুনুল হক বলেন, ব্যক্তিটির ব্যক্তিগত অবস্থান খুব বড় না হলেও তিনি মনে করেন, এ ধরনের কিছু ব্যক্তি মিলে বিভিন্ন সিন্ডিকেট গড়ে তুলছে, যারা আলেমসমাজে ভিন্ন মহলের এজেন্ডা বাস্তবায়নের চেষ্টা করতে পারে।

স্ট্যাটাসে তিনি আরও দাবি করেন, সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে আলেম ও এতিমদের নিয়ে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে এসব ব্যক্তির প্রভাব ও নিয়ন্ত্রণ দেখা গেছে। তার মতে, আগে যারা বিএনপির সঙ্গে রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনা করতেন, তাদের তুলনায় এখন এ ধরনের ‘এজেন্সিচালিত’ ব্যক্তিরা সরকারি মহলে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছেন বলে প্রতীয়মান হচ্ছে।

 

এ প্রসঙ্গে মামুনুল হক আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, এভাবে প্রভাব বিস্তার করলে আলেম-ওলামাদের অঙ্গনে ‘বেচাকেনা’ ও ষড়যন্ত্রমূলক এজেন্ডা বাস্তবায়নের চেষ্টা বাড়তে পারে।

 

স্ট্যাটাসের শেষাংশে তিনি বলেন, আলেমদের মধ্যে রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকলেও তা পারস্পরিক আলোচনা ও বোঝাপড়ার মাধ্যমে সমাধান সম্ভব। তবে তৃতীয় পক্ষের চর বা অনুপ্রবেশকারীদের ভূমিকা অজান্তেই ঐক্যের জায়গাগুলোকে নষ্ট করে দিতে পারে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

লুটেরাদের হাতে ব্যাংক ফিরিয়ে দিলে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন শ্রমিকরা

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমিরের রহস্যজনক পোস্ট!

আপডেট সময় ০৯:৫১:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ মার্চ ২০২৬

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক আলেমদের অঙ্গনে তৃতীয় পক্ষের অনুপ্রবেশ ও বিভিন্ন মহলের এজেন্ডা বাস্তবায়নের আশঙ্কা প্রকাশ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্ট দিয়েছেন।

সোমবার (৯ মার্চ) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে তিনি ‘ঘরের শত্রু বিভীষণ’ শিরোনামে বিষয়টি তুলে ধরেন।

 

স্ট্যাটাসে মামুনুল হক দাবি করেন, কয়েক মাস আগে একজন বিশ্বস্ত আলেম তাকে একজন ব্যক্তিকে নিয়ে সতর্ক করেছিলেন। ওই আলেমকে তিনি কওমি অঙ্গনের একজন নির্ভরযোগ্য ও গবেষকধর্মী আলেম হিসেবে উল্লেখ করেন।

মামুনুল হকের ভাষ্য অনুযায়ী, ওই আলেমের মাধ্যমে তিনি জানতে পারেন, এক ব্যক্তি বিভিন্ন প্রভাবশালী দেশের গোয়েন্দা সংস্থার ‘সোর্স’ হিসেবে কাজ করছেন।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, একই ব্যক্তিকে নিয়ে আরেকজন তাকে জানান যে, বাংলাদেশে এমন কিছু সংরক্ষিত স্থানে ওই ব্যক্তির যাতায়াত রয়েছে, যেখানে সাধারণত রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ ছাড়া অন্য কারও প্রবেশ সম্ভব নয়।

মামুনুল হক বলেন, ব্যক্তিটির ব্যক্তিগত অবস্থান খুব বড় না হলেও তিনি মনে করেন, এ ধরনের কিছু ব্যক্তি মিলে বিভিন্ন সিন্ডিকেট গড়ে তুলছে, যারা আলেমসমাজে ভিন্ন মহলের এজেন্ডা বাস্তবায়নের চেষ্টা করতে পারে।

স্ট্যাটাসে তিনি আরও দাবি করেন, সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে আলেম ও এতিমদের নিয়ে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে এসব ব্যক্তির প্রভাব ও নিয়ন্ত্রণ দেখা গেছে। তার মতে, আগে যারা বিএনপির সঙ্গে রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনা করতেন, তাদের তুলনায় এখন এ ধরনের ‘এজেন্সিচালিত’ ব্যক্তিরা সরকারি মহলে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছেন বলে প্রতীয়মান হচ্ছে।

 

এ প্রসঙ্গে মামুনুল হক আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, এভাবে প্রভাব বিস্তার করলে আলেম-ওলামাদের অঙ্গনে ‘বেচাকেনা’ ও ষড়যন্ত্রমূলক এজেন্ডা বাস্তবায়নের চেষ্টা বাড়তে পারে।

 

স্ট্যাটাসের শেষাংশে তিনি বলেন, আলেমদের মধ্যে রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকলেও তা পারস্পরিক আলোচনা ও বোঝাপড়ার মাধ্যমে সমাধান সম্ভব। তবে তৃতীয় পক্ষের চর বা অনুপ্রবেশকারীদের ভূমিকা অজান্তেই ঐক্যের জায়গাগুলোকে নষ্ট করে দিতে পারে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।