ঢাকা , মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬, ২২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আমার পেট ও পেছনে লাথি মারা হয়েছে : মমতা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:৩২:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২৬
  • ১০ বার পড়া হয়েছে

পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর সংবাদ সম্মেলনে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি দাবি করেছেন, ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করতে গেলে তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৫ মে) বিকেলে কলকাতার কালীঘাটে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, বুথে ঢোকার সময় তাকে বাধা দেওয়া হয় এবং হামলার শিকার হতে হয়। তার অভিযোগ, “আমার পেটে ও পেছনে লাথি মারা হয়েছে। সব সিসিটিভি বন্ধ করে এই কাজ করা হয়েছে।”

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়সহ দলের শীর্ষ নেতারা। নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর এটাই ছিল তার প্রথম আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরও বলেন, একজন নারী হিসেবে তিনি অপমানিত বোধ করছেন এবং এই ঘটনার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। তার দাবি, “এটা শুধু আমার সঙ্গে হয়নি—অন্যান্যদের ওপরও অত্যাচার হয়েছে।”

তিনি অভিযোগ করেন, ভারতীয় জনতা পার্টি-এর সমর্থক এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী নির্বাচনে সহিংসতা ও অনিয়মে জড়িত ছিল। তার ভাষায়, “১০০টির বেশি আসন লুট করা হয়েছে।”

এছাড়া ভারতের নির্বাচন কমিশন-এর ভূমিকাও প্রশ্নবিদ্ধ করেন তিনি। দাবি করেন, নির্বাচন কমিশন তাদের দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছে এবং একটি “কালো ইতিহাস” তৈরি করেছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

আমার পেট ও পেছনে লাথি মারা হয়েছে : মমতা

আপডেট সময় ১০:৩২:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২৬

পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর সংবাদ সম্মেলনে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি দাবি করেছেন, ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করতে গেলে তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৫ মে) বিকেলে কলকাতার কালীঘাটে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, বুথে ঢোকার সময় তাকে বাধা দেওয়া হয় এবং হামলার শিকার হতে হয়। তার অভিযোগ, “আমার পেটে ও পেছনে লাথি মারা হয়েছে। সব সিসিটিভি বন্ধ করে এই কাজ করা হয়েছে।”

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়সহ দলের শীর্ষ নেতারা। নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর এটাই ছিল তার প্রথম আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরও বলেন, একজন নারী হিসেবে তিনি অপমানিত বোধ করছেন এবং এই ঘটনার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। তার দাবি, “এটা শুধু আমার সঙ্গে হয়নি—অন্যান্যদের ওপরও অত্যাচার হয়েছে।”

তিনি অভিযোগ করেন, ভারতীয় জনতা পার্টি-এর সমর্থক এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী নির্বাচনে সহিংসতা ও অনিয়মে জড়িত ছিল। তার ভাষায়, “১০০টির বেশি আসন লুট করা হয়েছে।”

এছাড়া ভারতের নির্বাচন কমিশন-এর ভূমিকাও প্রশ্নবিদ্ধ করেন তিনি। দাবি করেন, নির্বাচন কমিশন তাদের দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছে এবং একটি “কালো ইতিহাস” তৈরি করেছে।