নেত্রকোণার Madan Upazila–এ ১১ বছরের এক মাদরাসা ছাত্রীর অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। ঘটনা প্রকাশের পর এক নারী চিকিৎসককে ধর্ষণ ও হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে, যা জনমনে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে।
ভুক্তভোগী শিশুটি পারিবারিক বিচ্ছেদের কারণে নানীর কাছে থেকে স্থানীয় একটি মাদরাসায় পড়াশোনা করত। সম্প্রতি অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে একটি বেসরকারি চিকিৎসাকেন্দ্রে নেওয়া হয়। সেখানে আলট্রাসনোগ্রাফির মাধ্যমে নিশ্চিত হন সরকারি চিকিৎসক Dr. Sayma Akter যে শিশুটি প্রায় সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা।
ঘটনার ভয়াবহতা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশের পর থেকেই ওই চিকিৎসক ও তার পরিবার অনলাইনে হুমকি, কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য ও সাইবার বুলিংয়ের শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। চিকিৎসকের স্বামী Asiful Islam জানান, গণমাধ্যমে কথা বলার পর হুমকি আরও বেড়েছে এবং তারা চরম নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন।
অভিযোগ অনুযায়ী, স্থানীয় একটি মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক Aman Ullah Sagar শিশুটিকে একাধিকবার ধর্ষণ করেছেন। ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে অর্থ লেনদেনের চেষ্টা হলেও চিকিৎসকের ভূমিকার কারণে তা প্রকাশ্যে আসে।
ভুক্তভোগী শিশুটির মা বাদী হয়ে Madan Police Station–এ মামলা দায়ের করেন। পরে অভিযুক্ত আমান উল্লাহ সাগরকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, চিকিৎসকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত চলছে। স্থানীয় এলাকাবাসী ও মানবাধিকার সংগঠনগুলো দ্রুত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছ

ডেস্ক রিপোর্ট 























