ঢাকা , মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
রংপুরে চার খুন হত্যার আগে-পরে ৮০ বার ফোনালাপ হয় আসামিদের: পুলিশ ১১০ প্রতিযোগীকে পেছনে ফেলে ইউরোপে তৃতীয় বাংলাদেশি হাফেজ সাদ ছাত্রদল নেতার হুমকির পর পদত্যাগ করলেন চবির হল প্রভোস্ট বিদ্যুৎ সংকট: ‘১২ ঘণ্টায় ৯ বার লোডশেডিং, এলেও ২০ মিনিটের বেশি থাকে না’ আর কোনো মায়ের কোল যেন খালি না হয়: আছিয়ার মা নির্বাচনের ৭ বছর পর রাশেদ খাঁনকে ডাকসুর জিএস ঘোষণা ধারের টাকা ফেরত না দেওয়ায় আওয়ামী লীগ নেত্রীর ৬ মাসের কারাদণ্ড বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী কাল: দেশবাসীকে তারেক রহমানের শুভেচ্ছা বার্তা মাদ্রাসাছাত্রীদের উত্ত্যক্তের অভিযোগে যুবকের গলায় জুতার মালা দিয়ে এলাকা ঘুরানো হলো পদ্মা সেতুতে উল্টে গেল যাত্রীবাহী বাস, গুরুতর আহত ১০

ব্যভিচার ও অবৈধ বিয়ের মামলায় খালাস পেলেন নাসির-তামিমা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০১:২০:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
  • ১৭২ বার পড়া হয়েছে

ক্রিকেটার নাসির হোসাইন ও তার স্ত্রী তামিমা সুলতানা তাম্মির বিরুদ্ধে দায়ের করা অন্যের স্ত্রীকে প্রলুব্ধ করে নিয়ে যাওয়া, তালাক ছাড়া বিয়ে, ব্যভিচার ও মানহানির মামলায় খালাস দিয়েছেন আদালত।

বুধবার (১০ জুন) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন।

রায়ে আদালত উল্লেখ করেন, আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারায় আনা অভিযোগগুলো সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়নি। ফলে নাসির হোসাইন ও তামিমা সুলতানা তাম্মিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

রায় ঘোষণার আগে বেলা ১১টা ৪৭ মিনিটের দিকে তামিমার হাত ধরে আদালতের এজলাসে হাজির হন নাসির। এ সময় আদালত প্রাঙ্গণে উৎসুক মানুষের ভিড় লক্ষ্য করা যায়।

এর আগে গত ১৬ এপ্রিল মামলাটির সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। মামলায় মোট ১০ জন সাক্ষী সাক্ষ্য দেন।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২১ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি তামিমার সাবেক স্বামী রাকিব হাসান বাদী হয়ে আদালতে মামলাটি দায়ের করেন। অভিযোগে বলা হয়, ২০২১ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি তামিমা ও নাসির হোসাইনের বিয়ের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি তার নজরে আসে।

বাদীপক্ষের দাবি ছিল, রাকিবের সঙ্গে বৈবাহিক সম্পর্ক চলমান থাকা অবস্থায় তামিমা ক্রিকেটার নাসির হোসাইনকে বিয়ে করেন, যা ধর্মীয় ও রাষ্ট্রীয় আইন অনুযায়ী অবৈধ। একই সঙ্গে নাসির তামিমাকে প্রলুব্ধ করে নিজের কাছে নিয়ে গেছেন বলেও অভিযোগ করা হয়।

এছাড়া তাদের সম্পর্কের কারণে রাকিব ও তার কন্যা মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন এবং এতে তার সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ন হয়েছে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়।

দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে আদালত অভিযোগগুলোর পক্ষে পর্যাপ্ত ও নির্ভরযোগ্য প্রমাণ না পাওয়ায় উভয় আসামিকে খালাস দেন।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

রংপুরে চার খুন হত্যার আগে-পরে ৮০ বার ফোনালাপ হয় আসামিদের: পুলিশ

ব্যভিচার ও অবৈধ বিয়ের মামলায় খালাস পেলেন নাসির-তামিমা

আপডেট সময় ০১:২০:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

ক্রিকেটার নাসির হোসাইন ও তার স্ত্রী তামিমা সুলতানা তাম্মির বিরুদ্ধে দায়ের করা অন্যের স্ত্রীকে প্রলুব্ধ করে নিয়ে যাওয়া, তালাক ছাড়া বিয়ে, ব্যভিচার ও মানহানির মামলায় খালাস দিয়েছেন আদালত।

বুধবার (১০ জুন) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন।

রায়ে আদালত উল্লেখ করেন, আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারায় আনা অভিযোগগুলো সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়নি। ফলে নাসির হোসাইন ও তামিমা সুলতানা তাম্মিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

রায় ঘোষণার আগে বেলা ১১টা ৪৭ মিনিটের দিকে তামিমার হাত ধরে আদালতের এজলাসে হাজির হন নাসির। এ সময় আদালত প্রাঙ্গণে উৎসুক মানুষের ভিড় লক্ষ্য করা যায়।

এর আগে গত ১৬ এপ্রিল মামলাটির সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। মামলায় মোট ১০ জন সাক্ষী সাক্ষ্য দেন।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২১ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি তামিমার সাবেক স্বামী রাকিব হাসান বাদী হয়ে আদালতে মামলাটি দায়ের করেন। অভিযোগে বলা হয়, ২০২১ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি তামিমা ও নাসির হোসাইনের বিয়ের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি তার নজরে আসে।

বাদীপক্ষের দাবি ছিল, রাকিবের সঙ্গে বৈবাহিক সম্পর্ক চলমান থাকা অবস্থায় তামিমা ক্রিকেটার নাসির হোসাইনকে বিয়ে করেন, যা ধর্মীয় ও রাষ্ট্রীয় আইন অনুযায়ী অবৈধ। একই সঙ্গে নাসির তামিমাকে প্রলুব্ধ করে নিজের কাছে নিয়ে গেছেন বলেও অভিযোগ করা হয়।

এছাড়া তাদের সম্পর্কের কারণে রাকিব ও তার কন্যা মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন এবং এতে তার সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ন হয়েছে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়।

দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে আদালত অভিযোগগুলোর পক্ষে পর্যাপ্ত ও নির্ভরযোগ্য প্রমাণ না পাওয়ায় উভয় আসামিকে খালাস দেন।