ঢাকা , বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
মোদিকে দেখেই মেলোনির হাস্যরস, ‘আমরাই সবচেয়ে বিখ্যাত কাপল’ জনগণের টাকা পাচার হতে দেয়া হবে না: প্রধানমন্ত্রী ইরানের খেলোয়াড়দের উৎসাহিত করতে তাদের ড্রেসিংরুমে যান ফিফা প্রধান জুলাইয়ের এক তারিখ থেকে পুরোদমে শুরু ফ্যামিলি-কৃষক-ইমাম কার্ড কর্মসূচি: আইনমন্ত্রী মেসির গোল উৎসব বাংলাদেশে, শিরোনাম হলো আর্জেন্টিনার সংবাদমাধ্যমে গন্তব্যে আর ফেরা হলো না, মহাসড়কেই আছড়ে পড়ল বিমান…. ভয়াবহ ফাউল, তবু শাস্তি নয়—মেসিকে ঘিরে নেটদুনিয়ায় তুমুল বিতর্ক দীঘিতে নেমে তর্ক, বন্ধুকে চুবিয়ে হত্যার অভিযোগ ‘ইরানে ভিয়েতনামের চেয়েও বড় পরাজয় যুক্তরাষ্ট্রের’ রোনালদোর কাতারে থাকতে পারাটা আমার জন্য বিরাট সম্মানের: মেসি

নামাজ নিয়ে বিজেপি মন্ত্রীর বক্তব্য ঘিরে তুমুল সমালোচনা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১২:৫৮:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬
  • ১৭ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে আগামী শনিবার পশ্চিমবঙ্গে সফরে যাচ্ছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী Narendra Modi। এ উপলক্ষে কলকাতার ঐতিহাসিক রেড রোডে একটি বিশেষ যোগ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর পাশাপাশি উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে রাজ্যের শীর্ষ রাজনৈতিক নেতাদেরও।

কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে রেড রোডে ইতোমধ্যে মঞ্চ নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে। প্রশাসনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, গত রোববার রাত থেকে আগামী ২১ জুন পর্যন্ত ওই সড়কে সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। কলকাতার অন্যতম ব্যস্ত এই সড়ক কয়েক দিনের জন্য বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত জনমনে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

এর মধ্যেই নতুন বিতর্কের সূত্রপাত হয়েছে ঈদের নামাজ নিয়ে। মুসলিম সম্প্রদায়ের একাংশের অভিযোগ, সম্প্রতি রেড রোডে ঈদের নামাজ আয়োজনের অনুমতি দেওয়া হয়নি। তাদের প্রশ্ন, একই স্থানে আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের মতো বড় কর্মসূচির অনুমতি দেওয়া হলে ধর্মীয় অনুষ্ঠান আয়োজনের ক্ষেত্রেও সমান সুযোগ কেন দেওয়া হবে না।

মঙ্গলবার এ বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী Dilip Ghosh বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তাজনিত কারণে বিভিন্ন স্থানে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হয়ে থাকে। তার ভাষ্য, রেড রোডে তুলনামূলক কম যানবাহন চলাচল হওয়ায় সেখানেই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে, যাতে নগরবাসীর ভোগান্তি কম হয়।

তবে ঈদের নামাজের জন্য রেড রোড ব্যবহারের অনুমতি না দেওয়ার প্রসঙ্গে মন্তব্য করতে গিয়ে তিনি বিতর্কিত বক্তব্য দেন। এ সময় বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, যারা এ বিষয়ে আপত্তি তুলছেন তারা চাইলে বাংলাদেশ বা পাকিস্তানে গিয়ে নামাজ আদায় করতে পারেন। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এ ধরনের কার্যক্রম আর আগের মতো চলবে না।

দিলীপ ঘোষের এই মন্তব্য প্রকাশ্যে আসার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। বিরোধীরা বক্তব্যটিকে সাম্প্রদায়িক ও বিভাজনমূলক বলে আখ্যা দিলেও এ বিষয়ে এখনও আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি রাজ্য সরকার। রেড রোডে যোগ দিবসের অনুষ্ঠান এবং তা ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্ক এখন পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক আলোচনার অন্যতম বিষয় হয়ে উঠেছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

মোদিকে দেখেই মেলোনির হাস্যরস, ‘আমরাই সবচেয়ে বিখ্যাত কাপল’

নামাজ নিয়ে বিজেপি মন্ত্রীর বক্তব্য ঘিরে তুমুল সমালোচনা

আপডেট সময় ১২:৫৮:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে আগামী শনিবার পশ্চিমবঙ্গে সফরে যাচ্ছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী Narendra Modi। এ উপলক্ষে কলকাতার ঐতিহাসিক রেড রোডে একটি বিশেষ যোগ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর পাশাপাশি উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে রাজ্যের শীর্ষ রাজনৈতিক নেতাদেরও।

কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে রেড রোডে ইতোমধ্যে মঞ্চ নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে। প্রশাসনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, গত রোববার রাত থেকে আগামী ২১ জুন পর্যন্ত ওই সড়কে সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। কলকাতার অন্যতম ব্যস্ত এই সড়ক কয়েক দিনের জন্য বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত জনমনে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

এর মধ্যেই নতুন বিতর্কের সূত্রপাত হয়েছে ঈদের নামাজ নিয়ে। মুসলিম সম্প্রদায়ের একাংশের অভিযোগ, সম্প্রতি রেড রোডে ঈদের নামাজ আয়োজনের অনুমতি দেওয়া হয়নি। তাদের প্রশ্ন, একই স্থানে আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের মতো বড় কর্মসূচির অনুমতি দেওয়া হলে ধর্মীয় অনুষ্ঠান আয়োজনের ক্ষেত্রেও সমান সুযোগ কেন দেওয়া হবে না।

মঙ্গলবার এ বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী Dilip Ghosh বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তাজনিত কারণে বিভিন্ন স্থানে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হয়ে থাকে। তার ভাষ্য, রেড রোডে তুলনামূলক কম যানবাহন চলাচল হওয়ায় সেখানেই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে, যাতে নগরবাসীর ভোগান্তি কম হয়।

তবে ঈদের নামাজের জন্য রেড রোড ব্যবহারের অনুমতি না দেওয়ার প্রসঙ্গে মন্তব্য করতে গিয়ে তিনি বিতর্কিত বক্তব্য দেন। এ সময় বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, যারা এ বিষয়ে আপত্তি তুলছেন তারা চাইলে বাংলাদেশ বা পাকিস্তানে গিয়ে নামাজ আদায় করতে পারেন। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এ ধরনের কার্যক্রম আর আগের মতো চলবে না।

দিলীপ ঘোষের এই মন্তব্য প্রকাশ্যে আসার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। বিরোধীরা বক্তব্যটিকে সাম্প্রদায়িক ও বিভাজনমূলক বলে আখ্যা দিলেও এ বিষয়ে এখনও আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি রাজ্য সরকার। রেড রোডে যোগ দিবসের অনুষ্ঠান এবং তা ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্ক এখন পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক আলোচনার অন্যতম বিষয় হয়ে উঠেছে।