ঢাকা , শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
তেল রপ্তানিতে বড় সম্ভাবনা, চুক্তি হলে ইরানের আয় ৬০ বিলিয়ন ডলারের বেশি জার্মানিকে ছাড়িয়ে এক নম্বরে ফিরল ব্রাজিল এবার বিশ্বকাপের ফাইনাল খেলবে ব্রাজিল, বলছে পরিসংখ্যান! পীর ‘সেজে’ কবরস্থানে আস্তানা গাড়লেন হত্যা মামলার প্রধান আসামি চলতি মাসেই টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ বিশ্বকাপে নিষেধাজ্ঞার শঙ্কায় ব্রাজিলের তিন তারকা, বাড়ছে দুশ্চিন্তা ‘নির্বাচনের আগে ইসলামী ব্যাংক থেকে আমার স্ত্রী কোটি ৫২ লাখ টাকা ঋণ নিয়েছে ফ্ল্যাট কেনার জন্যে’ বাজেট ঘোষণার পর নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বাড়েনি, এটা ইতিহাসে প্রথম: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ২৩ জুন উপলক্ষে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আ.লীগ কোনো রাজনৈতিক দল নয়, মাফিয়া পার্টি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সীমান্তের কাছেই বিশ্বের বৃহত্তম বাঁধ নির্মাণ শুরু করল চীন, পাল্টা বড় পদক্ষেপের পরিকল্পনা ভারতের

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০২:০৪:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬
  • ১০ বার পড়া হয়েছে

এবার আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্বের সবচেয়ে বড় জলবিদ্যুৎ বাঁধের নির্মাণকাজ শুরু করেছে চীন। এটি তিব্বতের ইয়ারলুং সাংপো নদীর নিম্ন অববাহিকায় নির্মিত হচ্ছে, যা ভারতের অরুণাচল প্রদেশের সীমান্ত থেকে মাত্র ৫০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। শুক্রবার (১৯ জুন) এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

 এটি চীনের একটি বিশাল অবকাঠামো প্রকল্প। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে এর ক্ষমতা হবে প্রায় ৬০ হাজার মেগাওয়াট পর্যন্ত, যা এটিকে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পে পরিণত করতে পারে। চীনের এই প্রকল্পের জবাবে ভারতও নিজেদের কৌশলগত উদ্যোগ এগিয়ে নিচ্ছে। অরুণাচল প্রদেশের আপার সিয়াং ও সিয়াং জেলায় প্রস্তাবিতসিয়াং আপার মাল্টিপারপাস প্রকল্প’ (এসইউএমপি) বাস্তবায়নের পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

এই প্রকল্পটি হলে এটি ভারতের সবচেয়ে বড় জলবিদ্যুৎ প্রকল্প হবে, যার উৎপাদন ক্ষমতা ধরা হয়েছে প্রায় ১১ হাজার মেগাওয়াট। এটি থেকে বছরে প্রায় ৪৭ বিলিয়ন ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে এবং এর আনুমানিক ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় দেড় লাখ কোটি রুপি (প্রায় ১৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার)ভারতীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, চীনের প্রকল্পটি দ্রুত গতিতে এগোলেও ভারতের এসইউএমপি প্রকল্প এখনো প্রাথমিক পর্যায়ের সমীক্ষা ও পরিকল্পনার ধাপেই রয়েছে। ইয়ারলুং সাংপো নদী ভারতীয় ভূখণ্ডে প্রবেশ করে এর নাম হয়েছে সিয়াং নদী, পরে ব্রহ্মপুত্র নদে পরিণত হয়ে আসামসহ উত্তরপূর্ব ভারতের বিস্তীর্ণ অঞ্চল পেরিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।

তবে উজানে এত বড় বাঁধ নির্মিত হলে পানির প্রবাহ মারাত্মকভাবে পরিবর্তিত হতে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে। এতে নদীর বাস্তুতন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া, কৃষিতে বড় প্রভাব পড়া এবং হঠাৎ বন্যার ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ারও আশঙ্কা রয়েছে। ভারত সরকার জানিয়েছে, তারা ব্রহ্মপুত্র অববাহিকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। পাশাপাশি চীনের সঙ্গে স্বচ্ছতা, তথ্য আদানপ্রদান এবং আগাম পরামর্শের বিষয়ে বারবার আলোচনা করা হলেও এখনো তেমন অগ্রগতি হয়নি বলে জানিয়েছে দিল্লি।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

তেল রপ্তানিতে বড় সম্ভাবনা, চুক্তি হলে ইরানের আয় ৬০ বিলিয়ন ডলারের বেশি

সীমান্তের কাছেই বিশ্বের বৃহত্তম বাঁধ নির্মাণ শুরু করল চীন, পাল্টা বড় পদক্ষেপের পরিকল্পনা ভারতের

আপডেট সময় ০২:০৪:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

এবার আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্বের সবচেয়ে বড় জলবিদ্যুৎ বাঁধের নির্মাণকাজ শুরু করেছে চীন। এটি তিব্বতের ইয়ারলুং সাংপো নদীর নিম্ন অববাহিকায় নির্মিত হচ্ছে, যা ভারতের অরুণাচল প্রদেশের সীমান্ত থেকে মাত্র ৫০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। শুক্রবার (১৯ জুন) এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

 এটি চীনের একটি বিশাল অবকাঠামো প্রকল্প। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে এর ক্ষমতা হবে প্রায় ৬০ হাজার মেগাওয়াট পর্যন্ত, যা এটিকে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পে পরিণত করতে পারে। চীনের এই প্রকল্পের জবাবে ভারতও নিজেদের কৌশলগত উদ্যোগ এগিয়ে নিচ্ছে। অরুণাচল প্রদেশের আপার সিয়াং ও সিয়াং জেলায় প্রস্তাবিতসিয়াং আপার মাল্টিপারপাস প্রকল্প’ (এসইউএমপি) বাস্তবায়নের পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

এই প্রকল্পটি হলে এটি ভারতের সবচেয়ে বড় জলবিদ্যুৎ প্রকল্প হবে, যার উৎপাদন ক্ষমতা ধরা হয়েছে প্রায় ১১ হাজার মেগাওয়াট। এটি থেকে বছরে প্রায় ৪৭ বিলিয়ন ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে এবং এর আনুমানিক ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় দেড় লাখ কোটি রুপি (প্রায় ১৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার)ভারতীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, চীনের প্রকল্পটি দ্রুত গতিতে এগোলেও ভারতের এসইউএমপি প্রকল্প এখনো প্রাথমিক পর্যায়ের সমীক্ষা ও পরিকল্পনার ধাপেই রয়েছে। ইয়ারলুং সাংপো নদী ভারতীয় ভূখণ্ডে প্রবেশ করে এর নাম হয়েছে সিয়াং নদী, পরে ব্রহ্মপুত্র নদে পরিণত হয়ে আসামসহ উত্তরপূর্ব ভারতের বিস্তীর্ণ অঞ্চল পেরিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।

তবে উজানে এত বড় বাঁধ নির্মিত হলে পানির প্রবাহ মারাত্মকভাবে পরিবর্তিত হতে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে। এতে নদীর বাস্তুতন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া, কৃষিতে বড় প্রভাব পড়া এবং হঠাৎ বন্যার ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ারও আশঙ্কা রয়েছে। ভারত সরকার জানিয়েছে, তারা ব্রহ্মপুত্র অববাহিকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। পাশাপাশি চীনের সঙ্গে স্বচ্ছতা, তথ্য আদানপ্রদান এবং আগাম পরামর্শের বিষয়ে বারবার আলোচনা করা হলেও এখনো তেমন অগ্রগতি হয়নি বলে জানিয়েছে দিল্লি।