ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ইকনের পড়ালেখার দায়িত্ব নিচ্ছেন শিক্ষামন্ত্রী যন্তর মন্তরে বিক্ষোভকারীদের পাশে স্বেচ্ছাসেবী চিকিৎসকেরা শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশি অ্যাকশনে বিজেপি ও শরিকদের অস্বস্তি রান্নার সময় মাংসের রং হলো সবুজ, কড়াই নিয়ে থানায় হাজির শিশুকে বলাৎকার করে মাদরাসাশিক্ষক বললেন, ‘মনে করো তুমি স্বপ্ন দেখতেছ’ তারেক রহমানের পাঙ্খা গজাইছে, সব পাঙ্খা ভেঙে মাটিতে পড়ে যাবে: পাটওয়ারী যে মঞ্চে প্রধানমন্ত্রীকে লাল কার্ড ধরিয়ে দিতে চান পাটওয়ারী, সেই মঞ্চে প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানালেন সারজিস আলম সরকারি নির্দেশেই দিল্লিতে ইন্টারনেট বন্ধ, দাবি টেলিকম সংস্থাগুলোর বাবাকে হারিয়েও থামেনি জীবন, রাতের ডিউটি শেষে সকালে এইচএসসি পরীক্ষা দিলেন ইকন মেয়েটা যে অরক্ষিত হলো, এই দায়ভার কে নেবে: মনিরা শারমিন

ইরান যুদ্ধের পর যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থা আগের চেয়েও খারাপ: বারাক ওবামা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:২৬:৫৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬
  • ৯১ বার পড়া হয়েছে

এবার ১৫ সপ্তাহের ইরান যুদ্ধের পর যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান পরিস্থিতি সংঘাত শুরুর আগের চেয়েও শোচনীয় বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। শুক্রবার (১৯ জুন) এনবিসি নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এই উদ্বেগ প্রকাশ করেন। শিকাগোতে ওবামা প্রেসিডেনশিয়াল সেন্টার উদ্বোধনের প্রাক্কালে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ওবামা বলেন, যুদ্ধের পেছনে শত শত কোটি ডলার ব্যয় করা হয়েছে, সামরিক বাহিনীর ওপর প্রবল চাপ সৃষ্টি হয়েছে এবং অনেক মানুষ প্রাণ হারিয়েছে। অথচ এর বিনিময়ে প্রাপ্তি শূন্য। তিনি বলেন, “আমরা যুদ্ধ শুরুর আগের অবস্থানেই ফিরে এসেছি, বরং বলা যায় অবস্থা এখন আরও খারাপ।

ইরানের সঙ্গে ট্রাম্প প্রশাসনের স্বাক্ষরিত নতুন সমঝোতা স্মারক নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে ওবামা ২০১৫ সালের পারমাণবিক চুক্তি (জেসিপিওএ) বাতিলের সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি না করার শর্তে চুক্তিবদ্ধ ছিল, কিন্তু ট্রাম্প সেই চুক্তি থেকে বেরিয়ে আসায় ইরান উল্টো আরও বেশি পারমাণবিক সক্ষমতা অর্জনের সুযোগ পেয়েছে।

অন্যদিকে, মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স শান্তি পরিকল্পনার সুফল পাওয়ার দাবি করেছেন। তিনি দাবি করেন, ইরানের প্রচলিত সামরিক শক্তি ভেঙে পড়েছে এবং জ্বালানির দাম কমছে। তবে ভ্যান্সের সুইজারল্যান্ড সফর স্থগিত হওয়ায় নতুন আলোচনা নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। ওদিকে ইরানের প্রধান আলোচক মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, ভবিষ্যতে যেকোনো আলোচনায় তেহরানের নির্ধারিতরেড লাইনবা শর্ত মানতে হবে। অন্যথায় কঠোর জবাব দেওয়া হবে বলে তিনি সতর্ক করেছেন।

যুদ্ধের কারণে হরমুজ প্রণালীতে তেল পরিবহন ব্যাহত হওয়ায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম নিয়ে বড় ধরনের উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। এক্সন মবিলের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট নিল চ্যাপম্যান সতর্ক করে বলেছেন, কৌশলগত মজুত সংকটজনক পর্যায়ে পৌঁছালে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১৫০ থেকে ১৬০ ডলারে উঠতে পারে। সাক্ষাৎকারের শেষভাগে ওবামা যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিভাজন ও অস্থিরতা নিয়ে তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, গণতন্ত্রকে শক্তিশালী রাখতে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের জবাবদিহির আওতায় আনার দায়িত্ব নাগরিকদেরই নিতে হবে এবং অস্থির এই সময় পার করতে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের চর্চা জরুরি।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ইকনের পড়ালেখার দায়িত্ব নিচ্ছেন শিক্ষামন্ত্রী

ইরান যুদ্ধের পর যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থা আগের চেয়েও খারাপ: বারাক ওবামা

আপডেট সময় ১০:২৬:৫৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

এবার ১৫ সপ্তাহের ইরান যুদ্ধের পর যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান পরিস্থিতি সংঘাত শুরুর আগের চেয়েও শোচনীয় বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। শুক্রবার (১৯ জুন) এনবিসি নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এই উদ্বেগ প্রকাশ করেন। শিকাগোতে ওবামা প্রেসিডেনশিয়াল সেন্টার উদ্বোধনের প্রাক্কালে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ওবামা বলেন, যুদ্ধের পেছনে শত শত কোটি ডলার ব্যয় করা হয়েছে, সামরিক বাহিনীর ওপর প্রবল চাপ সৃষ্টি হয়েছে এবং অনেক মানুষ প্রাণ হারিয়েছে। অথচ এর বিনিময়ে প্রাপ্তি শূন্য। তিনি বলেন, “আমরা যুদ্ধ শুরুর আগের অবস্থানেই ফিরে এসেছি, বরং বলা যায় অবস্থা এখন আরও খারাপ।

ইরানের সঙ্গে ট্রাম্প প্রশাসনের স্বাক্ষরিত নতুন সমঝোতা স্মারক নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে ওবামা ২০১৫ সালের পারমাণবিক চুক্তি (জেসিপিওএ) বাতিলের সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি না করার শর্তে চুক্তিবদ্ধ ছিল, কিন্তু ট্রাম্প সেই চুক্তি থেকে বেরিয়ে আসায় ইরান উল্টো আরও বেশি পারমাণবিক সক্ষমতা অর্জনের সুযোগ পেয়েছে।

অন্যদিকে, মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স শান্তি পরিকল্পনার সুফল পাওয়ার দাবি করেছেন। তিনি দাবি করেন, ইরানের প্রচলিত সামরিক শক্তি ভেঙে পড়েছে এবং জ্বালানির দাম কমছে। তবে ভ্যান্সের সুইজারল্যান্ড সফর স্থগিত হওয়ায় নতুন আলোচনা নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। ওদিকে ইরানের প্রধান আলোচক মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, ভবিষ্যতে যেকোনো আলোচনায় তেহরানের নির্ধারিতরেড লাইনবা শর্ত মানতে হবে। অন্যথায় কঠোর জবাব দেওয়া হবে বলে তিনি সতর্ক করেছেন।

যুদ্ধের কারণে হরমুজ প্রণালীতে তেল পরিবহন ব্যাহত হওয়ায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম নিয়ে বড় ধরনের উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। এক্সন মবিলের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট নিল চ্যাপম্যান সতর্ক করে বলেছেন, কৌশলগত মজুত সংকটজনক পর্যায়ে পৌঁছালে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১৫০ থেকে ১৬০ ডলারে উঠতে পারে। সাক্ষাৎকারের শেষভাগে ওবামা যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিভাজন ও অস্থিরতা নিয়ে তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, গণতন্ত্রকে শক্তিশালী রাখতে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের জবাবদিহির আওতায় আনার দায়িত্ব নাগরিকদেরই নিতে হবে এবং অস্থির এই সময় পার করতে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের চর্চা জরুরি।