ঢাকা , শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ইমরান খানের সঙ্গে যে আচরণ করা হচ্ছে, তা বর্বরতা- বললেন তাঁর বাংলাদেশি বন্ধু সিদ্ধিরগঞ্জে বিএনপি-গণঅধিকার পরিষদ নেতাদের মারামারি গণতন্ত্র ও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা বলে কিছু নেই: মমতা নেপালকে বড় অর্থ সহায়তা দিলো বাংলাদেশ ট্রাস্টের নামে অর্থ আত্মসাৎ: হাসিনা-রেহানাসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা ইসলামে অনুমতি নেই’ দাবি করে আফগানিস্তানে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করল সরকার র‌্যাব বিলুপ্তিতে একমত: নতুন বাহিনী নিয়ে সংসদে ‘বাহাস’ র‌্যাব বিলুপ্ত করে এসআরবি গঠনের বিল সংসদে উত্থাপন গ্যাসের অভাবে শিল্পোৎপাদন ৫০ থেকে ৭০ শতাংশ কমেছে: সংসদে জামায়াত এমপি জুলাই সনদ বাস্তবায়নে দ্রুত বিল আনা হবে, সংসদে ওয়াদা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

ইসলামে অনুমতি নেই’ দাবি করে আফগানিস্তানে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করল সরকার

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:১২:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৭ বার পড়া হয়েছে

আফগানিস্তানে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করে সদ্য অনুমোদিত একটি পুলিশি আইনের পক্ষে সাফাই গেয়েছেন তালেবানের মুখপাত্র জবিউল্লাহ মুজাহিদ। গতকাল বুধবার কাবুলে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেছেন, ইসলামি আইনে বিক্ষোভের কোনও স্থান নেই।

 

সদ্য অনুমোদিত ‘শুরতা’ আইনের অধীনে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে মুজাহিদ বলেন, গণতান্ত্রিক ও প্রজাতান্ত্রিক ব্যবস্থায় বিক্ষোভের সুযোগ থাকলেও ইসলামি ব্যবস্থায় এর কোনও স্থান নেই। তার যুক্তি, ইসলামি শরিয়াহ ও আফগানিস্তানের বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনা করেই এই আইনটি প্রণয়ন করা হয়েছে।

 

 

মুজাহিদ বলেন, ‘আফগানিস্তানে অনুমোদিত পুলিশ আইনটি মূলত এদেশের পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখেই তৈরি করা হয়েছে। আমরা আফগানিস্তানের বর্তমান অবস্থার কথা বলছি এবং এ বিষয়ে আমাদের দায়বদ্ধতা রয়েছে। আফগানিস্তানের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার জন্য যা কিছু গুরুত্বপূর্ণ এবং অপরাধ দমনে যা যা প্রয়োজন, তার সবই এই আইনে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘ইসলামি আইনে বিক্ষোভের কোনো অস্তিত্ব নেই। কারণ, বিক্ষোভ কেবল সেই সমাজেই খাটে যেখানে ভিন্ন ভিন্ন আইন প্রচলিত রয়েছে অথবা যেখানে গণতন্ত্র বা প্রজাতন্ত্র কায়েম আছে।’

 

তালেবানের মুখপাত্র যোগ করেন, বিক্ষোভকে যদি শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ হিসেবেও ধরে নেয়া হয়, তবুও জনগণের উচিত তাদের অভিযোগগুলো সংশ্লিষ্ট নির্ধারিত প্রতিষ্ঠানে গিয়ে জানানো। কর্তৃপক্ষের উচিত যেকোনও ধরনের বিঘ্ন সৃষ্টি, সম্পত্তির ক্ষয়ক্ষতি এবং তার ভাষায় তথাকথিত ‘বিশৃঙ্খলা’ রোধ করা।

 

সম্প্রতি বাদাখশান ও হেরাত প্রদেশে তালেবান সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের পরই মূলত বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করে নতুন আইন প্রণয়ন করা হয়। উভয় প্রদেশেই তালেবান বাহিনী বিক্ষোভ দমনে কঠোর পদক্ষেপ নেয়।

 

আফগানিস্তানে নিযুক্ত জাতিসংঘের সহায়তা মিশন (ইউএনএএমএ) জানায়, গত জুনে হেরাতে বিক্ষোভ চলাকালীন নারীসহ কয়েক ডজন মানুষকে আটক করে তালেবান বাহিনী। ওই বিক্ষোভ চলাকালে তালেবানের গুলিতে অন্তত একজনের প্রাণহানি ঘটে।

 

সূত্র: আমু টিভি

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ইমরান খানের সঙ্গে যে আচরণ করা হচ্ছে, তা বর্বরতা- বললেন তাঁর বাংলাদেশি বন্ধু

ইসলামে অনুমতি নেই’ দাবি করে আফগানিস্তানে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করল সরকার

আপডেট সময় ১১:১২:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আফগানিস্তানে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করে সদ্য অনুমোদিত একটি পুলিশি আইনের পক্ষে সাফাই গেয়েছেন তালেবানের মুখপাত্র জবিউল্লাহ মুজাহিদ। গতকাল বুধবার কাবুলে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেছেন, ইসলামি আইনে বিক্ষোভের কোনও স্থান নেই।

 

সদ্য অনুমোদিত ‘শুরতা’ আইনের অধীনে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে মুজাহিদ বলেন, গণতান্ত্রিক ও প্রজাতান্ত্রিক ব্যবস্থায় বিক্ষোভের সুযোগ থাকলেও ইসলামি ব্যবস্থায় এর কোনও স্থান নেই। তার যুক্তি, ইসলামি শরিয়াহ ও আফগানিস্তানের বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনা করেই এই আইনটি প্রণয়ন করা হয়েছে।

 

 

মুজাহিদ বলেন, ‘আফগানিস্তানে অনুমোদিত পুলিশ আইনটি মূলত এদেশের পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখেই তৈরি করা হয়েছে। আমরা আফগানিস্তানের বর্তমান অবস্থার কথা বলছি এবং এ বিষয়ে আমাদের দায়বদ্ধতা রয়েছে। আফগানিস্তানের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার জন্য যা কিছু গুরুত্বপূর্ণ এবং অপরাধ দমনে যা যা প্রয়োজন, তার সবই এই আইনে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘ইসলামি আইনে বিক্ষোভের কোনো অস্তিত্ব নেই। কারণ, বিক্ষোভ কেবল সেই সমাজেই খাটে যেখানে ভিন্ন ভিন্ন আইন প্রচলিত রয়েছে অথবা যেখানে গণতন্ত্র বা প্রজাতন্ত্র কায়েম আছে।’

 

তালেবানের মুখপাত্র যোগ করেন, বিক্ষোভকে যদি শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ হিসেবেও ধরে নেয়া হয়, তবুও জনগণের উচিত তাদের অভিযোগগুলো সংশ্লিষ্ট নির্ধারিত প্রতিষ্ঠানে গিয়ে জানানো। কর্তৃপক্ষের উচিত যেকোনও ধরনের বিঘ্ন সৃষ্টি, সম্পত্তির ক্ষয়ক্ষতি এবং তার ভাষায় তথাকথিত ‘বিশৃঙ্খলা’ রোধ করা।

 

সম্প্রতি বাদাখশান ও হেরাত প্রদেশে তালেবান সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের পরই মূলত বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করে নতুন আইন প্রণয়ন করা হয়। উভয় প্রদেশেই তালেবান বাহিনী বিক্ষোভ দমনে কঠোর পদক্ষেপ নেয়।

 

আফগানিস্তানে নিযুক্ত জাতিসংঘের সহায়তা মিশন (ইউএনএএমএ) জানায়, গত জুনে হেরাতে বিক্ষোভ চলাকালীন নারীসহ কয়েক ডজন মানুষকে আটক করে তালেবান বাহিনী। ওই বিক্ষোভ চলাকালে তালেবানের গুলিতে অন্তত একজনের প্রাণহানি ঘটে।

 

সূত্র: আমু টিভি