ঢাকা , সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
বিরোধীদলীয় নেতার জন্য হায়াতে তাইয়্যেবার দোয়া করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিরোধী দলীয় নেতাকে দেড়শ টাকার খাবারের দাওয়াত দিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ফিরলে ফাঁসির কাষ্ঠে নিতে জুলাই শহীদদের পরিবারই যথেষ্ট: সারজিস কানে শোনে না, কথাও বলতে পারে না তবুও রঙের ভাষায় স্বপ্ন আঁকে সাবা লং মার্চ না করে সংসদে এলে সারাদিন আলোচনা করা যেত: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হরমুজ ইস্যুতে দক্ষিণ কোরিয়াকে ইরানের সতর্কবার্তা ‘প্রধানমন্ত্রী ১০০-১৫০ টাকায় লাঞ্চ করেন, যারা প্রশংসা করেন তারা অনুসরণ করেন না কেন’ আগে বলত ‘রাজাকার-যুদ্ধাপরাধী’, এখন বলছে ‘গুপ্ত’: জাহিদুল ইসলাম গাজী নজরুলকে নিয়ে সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বাকযুদ্ধ ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে মেয়র প্রার্থী হওয়ার ইঙ্গিত নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর, সম্ভব্য প্রতিদ্বন্দ্বী সাদিক কায়েম

গাজী নজরুলকে নিয়ে সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বাকযুদ্ধ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৯:১৩:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৮ বার পড়া হয়েছে

জাতীয় সংসদে বিরোধী দল থেকে বহিষ্কৃত সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে সংসদীয় কমিটিতে অন্তর্ভুক্তির বিষয়টি নিয়ে সরকারি ও বিরোধী দলের শীর্ষ নেতাদের মধ্যে উত্তপ্ত বিতর্ক হয়েছে।

সংসদ কার্যক্রম চলাকালে চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি, বিরোধীদলীয় নেতা, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও স্পিকারের অংশগ্রহণে এ বিষয়ে দীর্ঘ আলোচনা হয়। পুরো অধিবেশনজুড়ে নীতি, সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ এবং রাজনৈতিক কৌশলসহ বিভিন্ন দিক নিয়ে মতবিনিময় ও তর্ক-বিতর্ক উঠে আসে।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে বিরোধীদলীয় নেতা ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এই বাকযুদ্ধের সৃষ্টি হয়।

শুরুতেই বিষয়টি নিয়ে নিজের অবস্থান তুলে ধরেন চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি বলেন, গাজী নজরুল ইসলাম পূর্বে কয়েকটি স্থায়ী কমিটিতে যুক্ত ছিলেন, কিন্তু বিরোধী দলীয় নেতার চিঠি ও অনুরোধের প্রেক্ষিতে তাকে বাদ দেওয়া হয়েছিল। একজন সংসদ সদস্য হিসেবে যতক্ষণ পর্যন্ত তার পদ বহাল থাকে, ততক্ষণ সব সদস্যকে কার্যক্রমে যুক্ত করা এবং তাদের অবদান রাখার সুযোগ দেওয়া স্পিকারের দায়িত্ব।

তিনি আরও বলেন, বিরোধী দল বা সরকারি দলের বাইরের কোনো কমিটিতে তাকে রাখা সম্ভব না হওয়ায় এবং ইম্পর্ট্যান্ট দুটি কমিটি থেকে বাদ দেওয়ার পর অন্য কোনো উপযুক্ত কমিটি না থাকায় তাকে একটি কম গুরুত্বপূর্ণ কমিটিতে রাখা হয়েছিল, যা বছরে হয়ত এক-দুবার বসে। তবে বিরোধী দলের যদি এতে আপত্তি থাকে, তবে তার নাম বাদ দিতে সরকারি দলের কোনো দ্বিধা নেই।

চিফ হুইপের বক্তব্য শেষ হওয়ার পর মাইক হাতে নেন বিরোধীদলীয় নেতা ড. শফিকুর রহমান।

এই নেতা বলেন, তাদের কোটা থেকে গাজী নজরুলকে এই বরাদ্দ দেওয়া হয়নি বলেই তারা নিশ্চিত হতে চেয়েছিলেন। বিরোধী দলের পক্ষ থেকে তাকে প্রস্তাব করা হয়নি এবং যেহেতু নৈতিক কারণে তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে, তাই জাতীয় সংসদের মতো মর্যাদাপূর্ণ স্থানে তাকে কোনো কমিটিতে না রাখাটাই সঙ্গত ও নৈতিক হতো। পুনর্মূল্যায়নের সুযোগ যেহেতু আছে, তাই তাকে বাদ দেওয়াটাই একটি ভালো দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

এরপর স্পিকারের অনুমতি নিয়ে বক্তব্য রাখেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী; এ সময় বিরোধী দলকে রাজনৈতিক কৌশল সম্পর্কেও পরামর্শ দেন তিনি।

তিনি বলেন, সংবিধান অনুযায়ী কেবল দল থেকে বহিষ্কার করলেই সংসদ সদস্য পদ শূন্য হয় না, ৭০ অনুচ্ছেদ সেখানে সরাসরি প্রযোজ্য হয় না, যদি না সদস্য নিজে পদত্যাগ করেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিরোধী দলকে বলেন, গাজী নজরুল যেহেতু রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে দলের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে ভোট দেওয়া থেকে বিরত ছিলেন, তাই ৭০ অনুচ্ছেদ টেনে বিরোধী দল স্পিকার বা নির্বাচন কমিশনে চিঠি দিলে তার আসন শূন্য হতে পারে। তবে বিরোধী দলের আপত্তির মুখে তাদের নেতার প্রতি সম্মান জানিয়ে গাজী নজরুলকে সংশ্লিষ্ট কমিটি থেকে বাদ দিতে তাদের কোনো আপত্তি নেই।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যের জবাবে বিরোধী দলীয় নেতা কিছুটা হাস্যরসের সঙ্গে প্রতিক্রিয়া জানান।

শফিকুর রহমান বলেন, দুর্বল মানুষকে জব্দ করতে গ্রামে যেমন মেম্বার ইলেকশনে দাঁড় করিয়ে দেওয়ার কথা প্রচলিত আছে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও মাঝে মাঝে সংসদকে প্রাণবন্ত করতে এমন কিছু টিপস দেন। তিনি পরিষ্কার করেন- যাকে দল থেকে ইতোমধ্যে বহিষ্কার করা হয়েছে, সে যে দলের সিদ্ধান্ত লঙ্ঘন করে ফ্লোর ক্রসিং করেছে তা নতুন করে দাবি করার সুযোগ তাদের নেই। তবে নৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে তাকে কমিটিতে না রাখার যে আর্জি তারা জানিয়েছেন, তা বিবেচনা করায় তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান।

পরবর্তী সময়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পুনরায় ফ্লোর নিয়ে বিরোধী দলীয় নেতার বক্তব্যের জবাবে বলেন, বিরোধী দলের অবস্থান থেকে এটি স্পষ্ট যে তারা গাজী নজরুলের সংসদ সদস্য পদ বহাল রাখতে চান কিন্তু কমিটিতে রাখতে চান না। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পুনর্নিশ্চিত করেন যে, সংবিধানের আইন অনুযায়ী তিনি এখনও বৈধ সংসদ সদস্য এবং বিরোধী দল যদি ৭০ অনুচ্ছেদের অধীনে কোনো পদক্ষেপ না নেয়, তবে তার সদস্যপদ বহাল থাকবে। তবে বিরোধী দলীয় নেতার সম্মানার্থে তাকে প্রস্তাবিত কমিটি থেকে বাদ দেওয়া হচ্ছে।

বিতর্ক ও আলোচনার শেষ পর্যায়ে চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি পুনরায় দাঁড়িয়ে সব সংসদ সদস্যের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে এবং বিরোধী দলীয় নেতার ইচ্ছা ও সম্মানকে প্রাধান্য দিয়ে সংশোধনসহ ‘সরকারি প্রতিশ্রুতি সম্পর্কিত কমিটি’ পুনর্গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করেন। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৬ অনুচ্ছেদ এবং সংসদের কার্যপ্রণালি বিধির ২৪৫ বিধি অনুযায়ী তিনি গাজী নজরুল ইসলামকে বাদ দিয়ে নতুন কমিটির সদস্যদের নাম পাঠ করেন।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বিরোধীদলীয় নেতার জন্য হায়াতে তাইয়্যেবার দোয়া করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

গাজী নজরুলকে নিয়ে সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বাকযুদ্ধ

আপডেট সময় ০৯:১৩:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জাতীয় সংসদে বিরোধী দল থেকে বহিষ্কৃত সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে সংসদীয় কমিটিতে অন্তর্ভুক্তির বিষয়টি নিয়ে সরকারি ও বিরোধী দলের শীর্ষ নেতাদের মধ্যে উত্তপ্ত বিতর্ক হয়েছে।

সংসদ কার্যক্রম চলাকালে চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি, বিরোধীদলীয় নেতা, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও স্পিকারের অংশগ্রহণে এ বিষয়ে দীর্ঘ আলোচনা হয়। পুরো অধিবেশনজুড়ে নীতি, সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ এবং রাজনৈতিক কৌশলসহ বিভিন্ন দিক নিয়ে মতবিনিময় ও তর্ক-বিতর্ক উঠে আসে।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে বিরোধীদলীয় নেতা ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এই বাকযুদ্ধের সৃষ্টি হয়।

শুরুতেই বিষয়টি নিয়ে নিজের অবস্থান তুলে ধরেন চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি বলেন, গাজী নজরুল ইসলাম পূর্বে কয়েকটি স্থায়ী কমিটিতে যুক্ত ছিলেন, কিন্তু বিরোধী দলীয় নেতার চিঠি ও অনুরোধের প্রেক্ষিতে তাকে বাদ দেওয়া হয়েছিল। একজন সংসদ সদস্য হিসেবে যতক্ষণ পর্যন্ত তার পদ বহাল থাকে, ততক্ষণ সব সদস্যকে কার্যক্রমে যুক্ত করা এবং তাদের অবদান রাখার সুযোগ দেওয়া স্পিকারের দায়িত্ব।

তিনি আরও বলেন, বিরোধী দল বা সরকারি দলের বাইরের কোনো কমিটিতে তাকে রাখা সম্ভব না হওয়ায় এবং ইম্পর্ট্যান্ট দুটি কমিটি থেকে বাদ দেওয়ার পর অন্য কোনো উপযুক্ত কমিটি না থাকায় তাকে একটি কম গুরুত্বপূর্ণ কমিটিতে রাখা হয়েছিল, যা বছরে হয়ত এক-দুবার বসে। তবে বিরোধী দলের যদি এতে আপত্তি থাকে, তবে তার নাম বাদ দিতে সরকারি দলের কোনো দ্বিধা নেই।

চিফ হুইপের বক্তব্য শেষ হওয়ার পর মাইক হাতে নেন বিরোধীদলীয় নেতা ড. শফিকুর রহমান।

এই নেতা বলেন, তাদের কোটা থেকে গাজী নজরুলকে এই বরাদ্দ দেওয়া হয়নি বলেই তারা নিশ্চিত হতে চেয়েছিলেন। বিরোধী দলের পক্ষ থেকে তাকে প্রস্তাব করা হয়নি এবং যেহেতু নৈতিক কারণে তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে, তাই জাতীয় সংসদের মতো মর্যাদাপূর্ণ স্থানে তাকে কোনো কমিটিতে না রাখাটাই সঙ্গত ও নৈতিক হতো। পুনর্মূল্যায়নের সুযোগ যেহেতু আছে, তাই তাকে বাদ দেওয়াটাই একটি ভালো দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

এরপর স্পিকারের অনুমতি নিয়ে বক্তব্য রাখেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী; এ সময় বিরোধী দলকে রাজনৈতিক কৌশল সম্পর্কেও পরামর্শ দেন তিনি।

তিনি বলেন, সংবিধান অনুযায়ী কেবল দল থেকে বহিষ্কার করলেই সংসদ সদস্য পদ শূন্য হয় না, ৭০ অনুচ্ছেদ সেখানে সরাসরি প্রযোজ্য হয় না, যদি না সদস্য নিজে পদত্যাগ করেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিরোধী দলকে বলেন, গাজী নজরুল যেহেতু রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে দলের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে ভোট দেওয়া থেকে বিরত ছিলেন, তাই ৭০ অনুচ্ছেদ টেনে বিরোধী দল স্পিকার বা নির্বাচন কমিশনে চিঠি দিলে তার আসন শূন্য হতে পারে। তবে বিরোধী দলের আপত্তির মুখে তাদের নেতার প্রতি সম্মান জানিয়ে গাজী নজরুলকে সংশ্লিষ্ট কমিটি থেকে বাদ দিতে তাদের কোনো আপত্তি নেই।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যের জবাবে বিরোধী দলীয় নেতা কিছুটা হাস্যরসের সঙ্গে প্রতিক্রিয়া জানান।

শফিকুর রহমান বলেন, দুর্বল মানুষকে জব্দ করতে গ্রামে যেমন মেম্বার ইলেকশনে দাঁড় করিয়ে দেওয়ার কথা প্রচলিত আছে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও মাঝে মাঝে সংসদকে প্রাণবন্ত করতে এমন কিছু টিপস দেন। তিনি পরিষ্কার করেন- যাকে দল থেকে ইতোমধ্যে বহিষ্কার করা হয়েছে, সে যে দলের সিদ্ধান্ত লঙ্ঘন করে ফ্লোর ক্রসিং করেছে তা নতুন করে দাবি করার সুযোগ তাদের নেই। তবে নৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে তাকে কমিটিতে না রাখার যে আর্জি তারা জানিয়েছেন, তা বিবেচনা করায় তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান।

পরবর্তী সময়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পুনরায় ফ্লোর নিয়ে বিরোধী দলীয় নেতার বক্তব্যের জবাবে বলেন, বিরোধী দলের অবস্থান থেকে এটি স্পষ্ট যে তারা গাজী নজরুলের সংসদ সদস্য পদ বহাল রাখতে চান কিন্তু কমিটিতে রাখতে চান না। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পুনর্নিশ্চিত করেন যে, সংবিধানের আইন অনুযায়ী তিনি এখনও বৈধ সংসদ সদস্য এবং বিরোধী দল যদি ৭০ অনুচ্ছেদের অধীনে কোনো পদক্ষেপ না নেয়, তবে তার সদস্যপদ বহাল থাকবে। তবে বিরোধী দলীয় নেতার সম্মানার্থে তাকে প্রস্তাবিত কমিটি থেকে বাদ দেওয়া হচ্ছে।

বিতর্ক ও আলোচনার শেষ পর্যায়ে চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি পুনরায় দাঁড়িয়ে সব সংসদ সদস্যের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে এবং বিরোধী দলীয় নেতার ইচ্ছা ও সম্মানকে প্রাধান্য দিয়ে সংশোধনসহ ‘সরকারি প্রতিশ্রুতি সম্পর্কিত কমিটি’ পুনর্গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করেন। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৬ অনুচ্ছেদ এবং সংসদের কার্যপ্রণালি বিধির ২৪৫ বিধি অনুযায়ী তিনি গাজী নজরুল ইসলামকে বাদ দিয়ে নতুন কমিটির সদস্যদের নাম পাঠ করেন।