ঢাকা , সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সালথায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ২০ আগে বলত ‘রাজাকার-যুদ্ধাপরাধী’, এখন বলছে ‘গুপ্ত’: জাহিদুল ইসলাম মন্ত্রীর কাছ থেকে শুনি, তার লম্বা এ কারণে বিদ্যুৎ চলে যায়: ডেপুটি স্পিকার অনিয়ম-দুর্নীতি এবং স্বেচ্ছাচারিতা দেশটাকে খেয়ে ফেলছে: এটিএম আজহার সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে ছাত্রশিবিরের তীব্র প্রতিবাদ নিরাপত্তায় যুক্তরাষ্ট্র যথেষ্ট নয়, উপসাগরীয় দেশগুলোকে স্বনির্ভর হতে বলল কাতার বিরোধীদলীয় নেতার জন্য হায়াতে তাইয়্যেবার দোয়া করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিরোধী দলীয় নেতাকে দেড়শ টাকার খাবারের দাওয়াত দিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ফিরলে ফাঁসির কাষ্ঠে নিতে জুলাই শহীদদের পরিবারই যথেষ্ট: সারজিস কানে শোনে না, কথাও বলতে পারে না তবুও রঙের ভাষায় স্বপ্ন আঁকে সাবা

বিরোধী দলীয় নেতাকে দেড়শ টাকার খাবারের দাওয়াত দিলেন প্রধানমন্ত্রী

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:৪৩:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৭ বার পড়া হয়েছে

বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানকে দেড়শ টাকার খাবারের দাওয়াত দিলের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার জাতীয় সংসদে ৬৮ বিধির সাধারণ আলোচনার এক পর্যায়ে বিরোধী দলীয় নেতা প্রধানমন্ত্রীর দেড়শ টাকার লাঞ্চের প্রশংসা করলে তিনি আমন্ত্রণ জানান।

‘তীব্র জ্বালানি ও গ্যাস সংকটের কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হওয়া, শিল্প কারখানা বন্ধ হয়ে বেকারত্ব সৃষ্টি এবং দেশের জাতীয় অর্থনীতিতে মারাত্মক বিপর্যয় রোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ’ বিষয়ে বিরোধী দলীয় নেতা তার উত্থাপিত জরুরি গণ-গুরুত্বসম্পন্ন ৬৮ বিধির আলোচনার এক পর্যায়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমরা উৎসাহিত হই যখন দেখি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর লাঞ্চের খরচ ১০০ থেকে ১৫০ টাকা। আমার ভালো লাগে। এত কম টাকায় আমিও খাইতে পারি না। একদম প্লেননি বলছি।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী হাত দিয়ে ইশারা করেন আসুন খাওয়াবো। একই সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদও মাইক ছাগাই মুখে বলেন আপনাকে খাওয়ানো হবে। তিনি এসময় প্রধানমন্ত্রীর দিকে ইশারা করেন। জবাবে বিরোধী দলীয় নেতা বলেন, খাওয়ায় দেবেন? অনেক ধন্যবাদ। কিন্তু আমি তো একা খাবো না। আমি তো ১৮ কোটি মানুষ নিয়ে খেতে চাই। আমি সবাইকে নিয়ে খেতে চাই। তারপরও ধন্যবাদ এই প্রস্তাবটি দেওয়ার জন্য।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তিনি সাদামাঠা জীবনযাবন করেন, সুন্দর। একেবারে পস,, স্যুটে-ব্যুটে নয়। প্লেন পথে চলে। এটা উৎসাহিত হওয়ার মত বিষয়। কিন্তু তার এই জীবন-যাপন নিয়ে অ্যাপ্রিসিয়েশন করতে দেখি তারা আবারো উল্টোপাল্টা চলেন। তিনি যদি এসব মানুষের আইকন হয়ে থাকেন। তাহলে তোকে তো অনুসরণ করা উচিত। সকল ক্ষেত্রেই তাকে অনুসরণ করা উচিত। এটা তো আমরা দেখি না। আমরা ঠিক তার বিপরীতটা দেখি। আমরা আশা করি এখন থেকে আইকন বলার আগে সাবধান হয়ে বলবেন। আর আইকন বললে তাকে ফলো করতে হবে। প্রধানমন্ত্রীও মানুষ। তিনি ভুলে ঊর্ধ্বে নয়। তার সব কিছুতে হ্যাঁ বলা যাবে না। হ্যাঁ বলা যাবে কেবল শিশুদের দাবিতে। তারা যা বলতে তাতে হ্যাঁ বলা যাবে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

সালথায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ২০

বিরোধী দলীয় নেতাকে দেড়শ টাকার খাবারের দাওয়াত দিলেন প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ১০:৪৩:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানকে দেড়শ টাকার খাবারের দাওয়াত দিলের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার জাতীয় সংসদে ৬৮ বিধির সাধারণ আলোচনার এক পর্যায়ে বিরোধী দলীয় নেতা প্রধানমন্ত্রীর দেড়শ টাকার লাঞ্চের প্রশংসা করলে তিনি আমন্ত্রণ জানান।

‘তীব্র জ্বালানি ও গ্যাস সংকটের কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হওয়া, শিল্প কারখানা বন্ধ হয়ে বেকারত্ব সৃষ্টি এবং দেশের জাতীয় অর্থনীতিতে মারাত্মক বিপর্যয় রোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ’ বিষয়ে বিরোধী দলীয় নেতা তার উত্থাপিত জরুরি গণ-গুরুত্বসম্পন্ন ৬৮ বিধির আলোচনার এক পর্যায়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমরা উৎসাহিত হই যখন দেখি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর লাঞ্চের খরচ ১০০ থেকে ১৫০ টাকা। আমার ভালো লাগে। এত কম টাকায় আমিও খাইতে পারি না। একদম প্লেননি বলছি।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী হাত দিয়ে ইশারা করেন আসুন খাওয়াবো। একই সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদও মাইক ছাগাই মুখে বলেন আপনাকে খাওয়ানো হবে। তিনি এসময় প্রধানমন্ত্রীর দিকে ইশারা করেন। জবাবে বিরোধী দলীয় নেতা বলেন, খাওয়ায় দেবেন? অনেক ধন্যবাদ। কিন্তু আমি তো একা খাবো না। আমি তো ১৮ কোটি মানুষ নিয়ে খেতে চাই। আমি সবাইকে নিয়ে খেতে চাই। তারপরও ধন্যবাদ এই প্রস্তাবটি দেওয়ার জন্য।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তিনি সাদামাঠা জীবনযাবন করেন, সুন্দর। একেবারে পস,, স্যুটে-ব্যুটে নয়। প্লেন পথে চলে। এটা উৎসাহিত হওয়ার মত বিষয়। কিন্তু তার এই জীবন-যাপন নিয়ে অ্যাপ্রিসিয়েশন করতে দেখি তারা আবারো উল্টোপাল্টা চলেন। তিনি যদি এসব মানুষের আইকন হয়ে থাকেন। তাহলে তোকে তো অনুসরণ করা উচিত। সকল ক্ষেত্রেই তাকে অনুসরণ করা উচিত। এটা তো আমরা দেখি না। আমরা ঠিক তার বিপরীতটা দেখি। আমরা আশা করি এখন থেকে আইকন বলার আগে সাবধান হয়ে বলবেন। আর আইকন বললে তাকে ফলো করতে হবে। প্রধানমন্ত্রীও মানুষ। তিনি ভুলে ঊর্ধ্বে নয়। তার সব কিছুতে হ্যাঁ বলা যাবে না। হ্যাঁ বলা যাবে কেবল শিশুদের দাবিতে। তারা যা বলতে তাতে হ্যাঁ বলা যাবে।