ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
এসএসসির খাতা পুনঃনিরীক্ষণ: নতুন জিপিএ-৫ পেল ৩ হাজার ৭৯ জন ধানমন্ডি-২৭ নম্বর বহুতল ভবনে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ৪ ইউনিট যুক্তরাষ্ট্রকে ‘জাহান্নাম’ দেখাতে অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করল ইরান এসএসসির পুনর্নিরীক্ষণের ফল প্রকাশ, ফেল থেকে পাস ৪৫৮৫ জন শেখ সেলিমের ‘নেতৃত্ব’ ইস্যুতে আওয়ামী লীগে তৈরি হচ্ছে বিরোধ? চাকরির আশায় রাশিয়ায় গিয়ে যুদ্ধে প্রাণ হারালো ময়মনসিংহের মামুন সরকারকে মনে করিয়ে দিতে চাই, তরুণরা জাগ্রত আছে: হাসনাত আব্দুল্লাহ কোটা ইস্যুতে হাসিনা দিল্লি, ভাইবা ইস্যু আপনাদের কোথায় পাঠাবে: সরকারকে নাহিদ ইসলাম জর্ডানে ইরানের হামলায় বেশ কয়েকটি মার্কিন সামরিক বিমান ক্ষতিগ্রস্ত যুদ্ধে আমরা জিতছি, হরমুজ আমাদের নিয়ন্ত্রণে: ট্রাম্প

দুদক না, আসিফ মাহমুদ শুধু আমাকে সামনাসামনি ফেস করুক: রাশেদ খাঁন

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৯:২৪:২৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১৮ বার পড়া হয়েছে

এবার সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াকে দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে সামনাসামনি বসার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী (সচিব পদমর্যাদা) রাশেদ খাঁন। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ চ্যালেঞ্জ জানান।

ফেসবুক পোস্টে রাশেদ খাঁন উল্লেখ করেন, দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) যাওয়ার প্রয়োজন নেই, আসিফ মাহমুদ তার মুখোমুখি হলেই তিনি যাবতীয় অনিয়ম ও দুর্নীতির তথ্যপ্রমাণ তুলে ধরবেন। অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পদে থাকাকালে কোনো দাপ্তরিক যৌক্তিকতা ছাড়া আসিফ মাহমুদের ব্যক্তিগত দুবাই সফর নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি দাবি করেন, এই সফরের উদ্দেশ্য ও কারণ সম্পর্কে আজও কোনো স্পষ্ট ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।

বর্তমান সরকারের আমলে নয়, বরং অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ই আসিফের বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ সামনে এসেছিল উল্লেখ করে রাশেদ খাঁন বলেন, তৎকালীন দুদক নিরপেক্ষ হলে তার সহকারী একান্ত সচিবের (এপিএস) বিরুদ্ধে অনুসন্ধান চালালেও আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে তদন্তে কেন বাধা দেওয়া হয়েছিল, তা বোধগম্য নয়। তৎকালীন সময়েই যদি এসব অভিযোগের সুষ্ঠু নিষ্পত্তি হতো, তবে বর্তমানে নতুন করে তদন্তের প্রশ্ন উঠত না বলে তিনি মন্তব্য করেন।

সম্প্রতি জাতীয় প্রেস ক্লাব এবং এনসিপি কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনগুলোতে দলের শীর্ষ নেতাদের অনুপস্থিতির দিকে ইঙ্গিত করে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী প্রশ্ন তোলেন, জ্যেষ্ঠ নেতারা নিজেদের বিতর্কমুক্ত রাখতে আসিফ মাহমুদের পাশে দাঁড়ানো থেকে বিরত থাকছেন কি না। জাতীয় নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে রাশেদ খাঁন আরও দাবি করেন, দুর্নীতির অভিযোগের কারণেই তৎকালীন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের অনুরোধ সত্ত্বেও জামায়াতে ইসলামীর আমির আসিফ মাহমুদকে ঢাকা১০ আসন ছেড়ে দিতে রাজি হননি। একই কারণের পুনরাবৃত্তি ঘটিয়ে আসন্ন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন নির্বাচনেও তাকে ছাড় দেওয়া হবে কি না, তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেন তিনি।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

এসএসসির খাতা পুনঃনিরীক্ষণ: নতুন জিপিএ-৫ পেল ৩ হাজার ৭৯ জন

দুদক না, আসিফ মাহমুদ শুধু আমাকে সামনাসামনি ফেস করুক: রাশেদ খাঁন

আপডেট সময় ০৯:২৪:২৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

এবার সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াকে দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে সামনাসামনি বসার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী (সচিব পদমর্যাদা) রাশেদ খাঁন। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ চ্যালেঞ্জ জানান।

ফেসবুক পোস্টে রাশেদ খাঁন উল্লেখ করেন, দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) যাওয়ার প্রয়োজন নেই, আসিফ মাহমুদ তার মুখোমুখি হলেই তিনি যাবতীয় অনিয়ম ও দুর্নীতির তথ্যপ্রমাণ তুলে ধরবেন। অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পদে থাকাকালে কোনো দাপ্তরিক যৌক্তিকতা ছাড়া আসিফ মাহমুদের ব্যক্তিগত দুবাই সফর নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি দাবি করেন, এই সফরের উদ্দেশ্য ও কারণ সম্পর্কে আজও কোনো স্পষ্ট ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।

বর্তমান সরকারের আমলে নয়, বরং অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ই আসিফের বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ সামনে এসেছিল উল্লেখ করে রাশেদ খাঁন বলেন, তৎকালীন দুদক নিরপেক্ষ হলে তার সহকারী একান্ত সচিবের (এপিএস) বিরুদ্ধে অনুসন্ধান চালালেও আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে তদন্তে কেন বাধা দেওয়া হয়েছিল, তা বোধগম্য নয়। তৎকালীন সময়েই যদি এসব অভিযোগের সুষ্ঠু নিষ্পত্তি হতো, তবে বর্তমানে নতুন করে তদন্তের প্রশ্ন উঠত না বলে তিনি মন্তব্য করেন।

সম্প্রতি জাতীয় প্রেস ক্লাব এবং এনসিপি কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনগুলোতে দলের শীর্ষ নেতাদের অনুপস্থিতির দিকে ইঙ্গিত করে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী প্রশ্ন তোলেন, জ্যেষ্ঠ নেতারা নিজেদের বিতর্কমুক্ত রাখতে আসিফ মাহমুদের পাশে দাঁড়ানো থেকে বিরত থাকছেন কি না। জাতীয় নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে রাশেদ খাঁন আরও দাবি করেন, দুর্নীতির অভিযোগের কারণেই তৎকালীন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের অনুরোধ সত্ত্বেও জামায়াতে ইসলামীর আমির আসিফ মাহমুদকে ঢাকা১০ আসন ছেড়ে দিতে রাজি হননি। একই কারণের পুনরাবৃত্তি ঘটিয়ে আসন্ন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন নির্বাচনেও তাকে ছাড় দেওয়া হবে কি না, তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেন তিনি।