ঢাকা , মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬, ২২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::

দশ লাখ টাকা চাঁদা দাবি: গাজীপুরে ছাত্রদল-যুবদল নেতাসহ আটক ১০

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:১১:১৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ মে ২০২৫
  • ৮০০ বার পড়া হয়েছে

গাজীপুর মহানগরীর পোড়াবাড়ী মাস্টারবাড়ী এলাকায় একটি সমবায় সমিতির ব্যবস্থাপকের কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি ও হত্যার হুমকির অভিযোগে ছাত্রদল ও যুবদল নেতাসহ ১০ জনকে আটক করেছে যৌথ বাহিনী। রোববার (১১ মে) দুপুরে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

আটকরা হলেন, গাজীপুর মহানগর ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক বোরহান উদ্দিন (২৮), মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক ইসমাইল হোসেন (৪০), মহানগর যুবদলের সদস্য মকবুল হোসেন (৪৩), ভোলা সদরের ইলিসা গ্রামের মো. জাহাঙ্গীর (৪০), দক্ষিণ সালনা এলাকার কবির হোসেন (৩২), বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার দেওলি গ্রামের শফিকুল ইসলাম (৩৬), ঢাকার রূপনগর এলাকার মহিউদ্দিন (৩০), রংপুরের কোতয়ালি থানার শাহিন ভূইয়া (৩৭), ভোলার বাগার হাওলা গ্রামের পলাশ হাওলাদার (৩১) ও নীলফামারির সৈয়দপুর থানার খিয়ারপাড়া গ্রামের রেজাউল করিম (৪২)।

 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গাজীপুর মহানগরীর পোড়াবাড়ী মাস্টারবাড়ী হংকং ফিলিং স্টেশনের বিপরীত পাশে সৃজনী ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিমিটেড নামের সমিতির অফিস রয়েছে। ওই সমিতির শাখা ব্যবস্থাপক সোহেল রানার কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন আটকরা। চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় তাকে মেরে ফেলার হুমকি দেন। ওই ঘটনায় তিনি বাদী হয়ে যৌথবাহিনী ও গাজীপুর সদর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। ওই অভিযোগের ভিত্তিতে যৌথবাহিনী অভিযান চালিয়ে পোড়াবাড়ী র্যাব ক্যাম্পের আশপাশের এলাকা থেকে গাজীপুর মহানগর ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক বোরহান উদ্দিনসহ ১০ জনকে আটক করে। পরে তাদের সদর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

গাজীপুর মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হাসান বলেন, ওই এনজিওর মালিকের কাছে ঢাকার বিএনপির এক নেতার আত্মীয় টাকা পাবেন। কিন্তু এনজিও মালিক টাকা দেই-দিচ্ছি বলে দিচ্ছেন না। বিষয়টি নিয়ে রোববার পোড়াবাড়ির একটি অফিসে সমঝোতার বৈঠক চলছিল। ওই এনজিও মালিক সেনাবাহিনীকে ফোন করে তাদের ধরিয়ে দিয়েছে। তাদের কাছে কেউ চাঁদা দাবি করতে যায়নি।

 

মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি মো. রোহানুজ্জামান বলেন, ঘটনাটি ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে। তারা কেউ চাঁদাবাজি করতে যায়নি। এনজিও প্রতিষ্ঠানে পাওনা টাকার বিষয় নিয়ে সমঝোতা করতে গিয়েছিল।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

স্বামী ছাত্রদলের সহসভাপতি হওয়ায় স্ত্রীর শুভেচ্ছা বার্তা

দশ লাখ টাকা চাঁদা দাবি: গাজীপুরে ছাত্রদল-যুবদল নেতাসহ আটক ১০

আপডেট সময় ১০:১১:১৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ মে ২০২৫

গাজীপুর মহানগরীর পোড়াবাড়ী মাস্টারবাড়ী এলাকায় একটি সমবায় সমিতির ব্যবস্থাপকের কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি ও হত্যার হুমকির অভিযোগে ছাত্রদল ও যুবদল নেতাসহ ১০ জনকে আটক করেছে যৌথ বাহিনী। রোববার (১১ মে) দুপুরে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

আটকরা হলেন, গাজীপুর মহানগর ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক বোরহান উদ্দিন (২৮), মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক ইসমাইল হোসেন (৪০), মহানগর যুবদলের সদস্য মকবুল হোসেন (৪৩), ভোলা সদরের ইলিসা গ্রামের মো. জাহাঙ্গীর (৪০), দক্ষিণ সালনা এলাকার কবির হোসেন (৩২), বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার দেওলি গ্রামের শফিকুল ইসলাম (৩৬), ঢাকার রূপনগর এলাকার মহিউদ্দিন (৩০), রংপুরের কোতয়ালি থানার শাহিন ভূইয়া (৩৭), ভোলার বাগার হাওলা গ্রামের পলাশ হাওলাদার (৩১) ও নীলফামারির সৈয়দপুর থানার খিয়ারপাড়া গ্রামের রেজাউল করিম (৪২)।

 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গাজীপুর মহানগরীর পোড়াবাড়ী মাস্টারবাড়ী হংকং ফিলিং স্টেশনের বিপরীত পাশে সৃজনী ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিমিটেড নামের সমিতির অফিস রয়েছে। ওই সমিতির শাখা ব্যবস্থাপক সোহেল রানার কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন আটকরা। চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় তাকে মেরে ফেলার হুমকি দেন। ওই ঘটনায় তিনি বাদী হয়ে যৌথবাহিনী ও গাজীপুর সদর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। ওই অভিযোগের ভিত্তিতে যৌথবাহিনী অভিযান চালিয়ে পোড়াবাড়ী র্যাব ক্যাম্পের আশপাশের এলাকা থেকে গাজীপুর মহানগর ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক বোরহান উদ্দিনসহ ১০ জনকে আটক করে। পরে তাদের সদর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

গাজীপুর মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হাসান বলেন, ওই এনজিওর মালিকের কাছে ঢাকার বিএনপির এক নেতার আত্মীয় টাকা পাবেন। কিন্তু এনজিও মালিক টাকা দেই-দিচ্ছি বলে দিচ্ছেন না। বিষয়টি নিয়ে রোববার পোড়াবাড়ির একটি অফিসে সমঝোতার বৈঠক চলছিল। ওই এনজিও মালিক সেনাবাহিনীকে ফোন করে তাদের ধরিয়ে দিয়েছে। তাদের কাছে কেউ চাঁদা দাবি করতে যায়নি।

 

মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি মো. রোহানুজ্জামান বলেন, ঘটনাটি ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে। তারা কেউ চাঁদাবাজি করতে যায়নি। এনজিও প্রতিষ্ঠানে পাওনা টাকার বিষয় নিয়ে সমঝোতা করতে গিয়েছিল।