ঢাকা , মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
বিএনপির কার্যালয়ে হামলা-ভাঙচুর, সাবেক আওয়ামী লীগ চেয়ারম্যান গ্রেপ্তার যুবদল নেতার ফোন না ধরায় রেলকর্মীকে মারধর বিদেশে অর্থ বিনিয়োগের ধূলিকণারও প্রমাণ দিতে পারলে রাজনীতি ছেড়ে দেব: আসিফ মাহমুদ হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন এমকিউ-১ ড্রো’ন ভূ’পা’তি’ত করল ই’রা’ন প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য চলাকালে লোডশেডিং, পিরোজপুর পল্লী বিদ্যুতের জিএম স্ট্যান্ড রিলিজ কার অনুরোধে হরমুজ প্রণালি ইস্যুতে বৈঠক স্থগিত, জানাল ইরান আ.লীগ নেতার গোডাউন থেকে সার জব্দ কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে এনসিপি নেতার বিরুদ্ধে মামলা স্থানীয় নির্বাচনে ইঞ্জিনিয়ারিং বরদাশত করা হবে না চাঁদাবাজি ও দখলবাজির কবর রচনা করবে বিরোধী দল: জামায়াত আমির

যুবদল নেতার ফোন না ধরায় রেলকর্মীকে মারধর

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:৫৬:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় যুবদল নেতার ফোন না ধরায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া-ঢাকা রেলপথে চলাচলকারী তিতাস কমিউটার ট্রেনের ম্যানেজার ও বুকিং ক্লার্ককে মারধর করার অভিযোগ উঠেছে।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগীরা হলেন তিতাস কমিউটার ট্রেনের টিকিট কাউন্টার ম্যানেজার মহিউদ্দিন আহমেদ সজীব ও বুকিং ক্লার্ক মো. কাউসার হোসেন।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক নাজমুল হুদা সানি দীর্ঘদিন ধরে স্টেশনে তিতাস কমিউটার ট্রেনের এজেন্টশীপ নেয়ার জন্য চেষ্টা করছেন। কিন্তু ট্রেনের ইজারাদার প্রতিষ্ঠান তাতে সাড়া দিচ্ছে না। সোমবার সকালে যুবদল নেতা সানি বুকিং ক্লার্ক মো. কাউসার হোসেনকে ফোন করে তার পরিচিত এক ব্যক্তিকে দুটি টিকিট দেওয়ার কথা বলেন।

পরে বুকিং ক্লার্ক কাউসার স্টাফ রুম থেকে টিকিট কাউন্টারে আসার পথে স্টেশন এলাকায় অজ্ঞাত কয়েকজন ব্ল্যাকার টিকিটের জন্য তাকে মারধর ও হেনস্তা করে। এর কিছুক্ষণ পর আবারও ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক বেশ কয়েকবার ওই বুকিং সহকারীকে ফোন দেয়। কিন্তু তিনি ফোন ধরেননি।

এতে যুবদল নেতা নাজমুল হুদা সানি রেলওয়ে স্টেশনে এসে তিতাস কমিউটার ট্রেনের কাউন্টারে গিয়ে ক্ষুব্ধ হয়। এক পর্যায়ে কাউন্টারে থাকা বুকিং সহকারী ও ম্যানেজারকে চড় থাপ্পড় মারেন। এ ঘটনার পর কাউন্টারের লোকজন নিরাপত্তাহীনতায় সার্বিক কার্যক্রম বন্ধ করে দেন। প্রায় দেড় ঘণ্টা পর কাউন্টারের কার্যক্রম ফের শুরু হয়। এতে তিতাস কমিউটার ট্রেনের যাত্রীরা টিকিটের জন্য দুর্ভোগে পড়েন।

এ বিষয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপপরিদর্শক মো. শাহ আলম মিয়া বলেন, ‘খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ভুক্তভোগীরা ফাঁড়িতে এসেছেন। লিখিত অভিযোগ অনুযায়ী হামলাকারীদের শনাক্ত করে পরবর্তী প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

তবে মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক নাজমুল হুদা সানি মুঠোফোনে বলেন, ‘মূলত তিতাস কমিউটার ট্রেনের কাউন্টারের লোকজন অতিরিক্ত দামে কালোবাজারিদের কাছে টিকিট বিক্রি করছিল। স্টেশনে থাকা একজনের মাধ্যমে জানতে পেরে বিষয়টির খোঁজখবর নিতে স্টেশনে গিয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছিলাম। কিন্তু কাউকে মারধর করা হয়নি অভিযোগটি ভিত্তিহীন।’

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বিএনপির কার্যালয়ে হামলা-ভাঙচুর, সাবেক আওয়ামী লীগ চেয়ারম্যান গ্রেপ্তার

যুবদল নেতার ফোন না ধরায় রেলকর্মীকে মারধর

আপডেট সময় ১১:৫৬:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় যুবদল নেতার ফোন না ধরায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া-ঢাকা রেলপথে চলাচলকারী তিতাস কমিউটার ট্রেনের ম্যানেজার ও বুকিং ক্লার্ককে মারধর করার অভিযোগ উঠেছে।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগীরা হলেন তিতাস কমিউটার ট্রেনের টিকিট কাউন্টার ম্যানেজার মহিউদ্দিন আহমেদ সজীব ও বুকিং ক্লার্ক মো. কাউসার হোসেন।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক নাজমুল হুদা সানি দীর্ঘদিন ধরে স্টেশনে তিতাস কমিউটার ট্রেনের এজেন্টশীপ নেয়ার জন্য চেষ্টা করছেন। কিন্তু ট্রেনের ইজারাদার প্রতিষ্ঠান তাতে সাড়া দিচ্ছে না। সোমবার সকালে যুবদল নেতা সানি বুকিং ক্লার্ক মো. কাউসার হোসেনকে ফোন করে তার পরিচিত এক ব্যক্তিকে দুটি টিকিট দেওয়ার কথা বলেন।

পরে বুকিং ক্লার্ক কাউসার স্টাফ রুম থেকে টিকিট কাউন্টারে আসার পথে স্টেশন এলাকায় অজ্ঞাত কয়েকজন ব্ল্যাকার টিকিটের জন্য তাকে মারধর ও হেনস্তা করে। এর কিছুক্ষণ পর আবারও ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক বেশ কয়েকবার ওই বুকিং সহকারীকে ফোন দেয়। কিন্তু তিনি ফোন ধরেননি।

এতে যুবদল নেতা নাজমুল হুদা সানি রেলওয়ে স্টেশনে এসে তিতাস কমিউটার ট্রেনের কাউন্টারে গিয়ে ক্ষুব্ধ হয়। এক পর্যায়ে কাউন্টারে থাকা বুকিং সহকারী ও ম্যানেজারকে চড় থাপ্পড় মারেন। এ ঘটনার পর কাউন্টারের লোকজন নিরাপত্তাহীনতায় সার্বিক কার্যক্রম বন্ধ করে দেন। প্রায় দেড় ঘণ্টা পর কাউন্টারের কার্যক্রম ফের শুরু হয়। এতে তিতাস কমিউটার ট্রেনের যাত্রীরা টিকিটের জন্য দুর্ভোগে পড়েন।

এ বিষয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপপরিদর্শক মো. শাহ আলম মিয়া বলেন, ‘খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ভুক্তভোগীরা ফাঁড়িতে এসেছেন। লিখিত অভিযোগ অনুযায়ী হামলাকারীদের শনাক্ত করে পরবর্তী প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

তবে মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক নাজমুল হুদা সানি মুঠোফোনে বলেন, ‘মূলত তিতাস কমিউটার ট্রেনের কাউন্টারের লোকজন অতিরিক্ত দামে কালোবাজারিদের কাছে টিকিট বিক্রি করছিল। স্টেশনে থাকা একজনের মাধ্যমে জানতে পেরে বিষয়টির খোঁজখবর নিতে স্টেশনে গিয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছিলাম। কিন্তু কাউকে মারধর করা হয়নি অভিযোগটি ভিত্তিহীন।’