ঢাকা , বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
জাপানে প্রথমবার শতবর্ষী মানুষের সংখ্যা ছাড়াল ১ লাখ, বেশিরভাগই নারী মাদকের গডফাদার সরকারদলীয় হলেও ধরতে যেন হাত না কাঁপে: আইনমন্ত্রী সংকট মোকাবেলায় ইসরায়েলের কাছে সহায়তা চাইল সৌদি আরব পাঠ্যবইয়ে যুক্ত হচ্ছে শহীদ জিয়াউর রহমানের লেখা ‘স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতি’ ইরানে বিমানের চাকা ফেটে বিভীষিকাময় পরিস্থিতি, খুলে পড়ল কেবিনের ছাদ মন্দিরের মেহেদি পরলেই ১ বছরের মধ্যে বিয়ে নিশ্চিত, তিন ঘণ্টায় শেষ ৩৫০০ কেজি সৌদিতে হিজরি প্রথম শতকের মসজিদের সন্ধান স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য মালয়েশিয়া যাচ্ছেন মির্জা আব্বাস মক্কায় ড্রোন হামলার চেষ্টা ‘কালো অধ্যায়’ হয়ে থাকবে: সৌদি আরব মাসুদ আজহারকে গ্রেপ্তারে পুরস্কার ঘোষণা পাকিস্তানের ‘ভাঁওতাবাজি’: বলছে ভারত

স্থানীয় নির্বাচনে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের প্রার্থী হওয়ার সুযোগ বন্ধ করতে চায় ইসি

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:৩৯:৪৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১৭ বার পড়া হয়েছে

আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রভাবমুক্ত পরিবেশ বজায় রাখতে এমপিওভুক্ত শিক্ষককর্মচারী ও দ্বৈত নাগরিকদের প্রার্থী হওয়ার সুযোগ বন্ধ করতে চায় নির্বাচন কমিশন (ইসি) এই লক্ষ্যে বিদ্যমান আইন সংশোধনের সুপারিশ করেছে সংস্থাটি। তবে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগে আইন সংশোধন বা রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশ জারি না হলে বর্তমান নিয়মে এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা ভোটে লড়ার সুযোগ পাবেন।

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, আগামী ১২ নভেম্বর থেকে ধাপে ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন শুরুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং চলতি মাসেই তফসিল ঘোষণা হতে পারে। বর্তমানে জাতীয় সংসদের অধিবেশন না থাকায় আইনটি কার্যকরে সরকার অধ্যাদেশ জারির পথ বেছে নিতে পারে।

এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, শিক্ষকদের বাদ দিয়ে মাঠপর্যায়ে নির্বাচনি কর্মকর্তা নিয়োগ করা কার্যত অসম্ভব। ফলে শিক্ষকরা যদি একই সঙ্গে নির্বাচনের প্রার্থী হন এবং নির্বাচনি দায়িত্বেও থাকেন, তবে পুরো ভোট প্রক্রিয়াই প্রশ্নবিদ্ধ হবে। এদিকে ইসির এই উদ্যোগের বিরোধিতা করেছে জামায়াতে ইসলামী। দলটির দাবি, এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার সুযোগ বহাল রাখতে হবে। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সার্বিক দিক পর্যালোচনা করে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

নির্বাচন বিশ্লেষক ও বিশেষজ্ঞরা ইসির সুপারিশের সঙ্গে একমত পোষণ করেছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ এবং নির্বাচন কমিশনের সাবেক যুগ্ম সচিব খন্দকার মিজানুর রহমান মনে করেন, একটি প্রভাবমুক্ত ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের স্বার্থে শিক্ষকদের সরাসরি প্রার্থী হওয়া থেকে বিরত রাখাই সমীচীন। তাঁদের মতে, একই সঙ্গে নির্বাচনি দায়িত্ব পালন এবং দলীয় বা স্থানীয় রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকার সুযোগ থাকলে স্পষ্টতই স্বার্থের সংঘাত (কনফ্লিক্ট অব ইন্টারেস্ট) তৈরি হবে, যা স্থানীয় পর্যায়ে বিশৃঙ্খলা ও সহিংসতাকে উসকে দিতে পারে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

জাপানে প্রথমবার শতবর্ষী মানুষের সংখ্যা ছাড়াল ১ লাখ, বেশিরভাগই নারী

স্থানীয় নির্বাচনে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের প্রার্থী হওয়ার সুযোগ বন্ধ করতে চায় ইসি

আপডেট সময় ১০:৩৯:৪৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রভাবমুক্ত পরিবেশ বজায় রাখতে এমপিওভুক্ত শিক্ষককর্মচারী ও দ্বৈত নাগরিকদের প্রার্থী হওয়ার সুযোগ বন্ধ করতে চায় নির্বাচন কমিশন (ইসি) এই লক্ষ্যে বিদ্যমান আইন সংশোধনের সুপারিশ করেছে সংস্থাটি। তবে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগে আইন সংশোধন বা রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশ জারি না হলে বর্তমান নিয়মে এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা ভোটে লড়ার সুযোগ পাবেন।

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, আগামী ১২ নভেম্বর থেকে ধাপে ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন শুরুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং চলতি মাসেই তফসিল ঘোষণা হতে পারে। বর্তমানে জাতীয় সংসদের অধিবেশন না থাকায় আইনটি কার্যকরে সরকার অধ্যাদেশ জারির পথ বেছে নিতে পারে।

এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, শিক্ষকদের বাদ দিয়ে মাঠপর্যায়ে নির্বাচনি কর্মকর্তা নিয়োগ করা কার্যত অসম্ভব। ফলে শিক্ষকরা যদি একই সঙ্গে নির্বাচনের প্রার্থী হন এবং নির্বাচনি দায়িত্বেও থাকেন, তবে পুরো ভোট প্রক্রিয়াই প্রশ্নবিদ্ধ হবে। এদিকে ইসির এই উদ্যোগের বিরোধিতা করেছে জামায়াতে ইসলামী। দলটির দাবি, এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার সুযোগ বহাল রাখতে হবে। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সার্বিক দিক পর্যালোচনা করে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

নির্বাচন বিশ্লেষক ও বিশেষজ্ঞরা ইসির সুপারিশের সঙ্গে একমত পোষণ করেছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ এবং নির্বাচন কমিশনের সাবেক যুগ্ম সচিব খন্দকার মিজানুর রহমান মনে করেন, একটি প্রভাবমুক্ত ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের স্বার্থে শিক্ষকদের সরাসরি প্রার্থী হওয়া থেকে বিরত রাখাই সমীচীন। তাঁদের মতে, একই সঙ্গে নির্বাচনি দায়িত্ব পালন এবং দলীয় বা স্থানীয় রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকার সুযোগ থাকলে স্পষ্টতই স্বার্থের সংঘাত (কনফ্লিক্ট অব ইন্টারেস্ট) তৈরি হবে, যা স্থানীয় পর্যায়ে বিশৃঙ্খলা ও সহিংসতাকে উসকে দিতে পারে।