ঢাকা , বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
স্ত্রী গৌরী পাশে থাকলেও সহকারী পূজার ওড়নায় মুখ মুছলেন শাহরুখ খান হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় নিভে গেল নেইমারের ঘনিষ্ঠ বন্ধুর প্রাণ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তুরস্কের প্রেসিডেন্টের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক: সম্পর্ক জোরদারের প্রত্যয় ডিসেম্বর নয়, বুকের পাটা থাকলে এখনই দেশে আসেন: তথ্য প্রতিমন্ত্রী লঞ্চের ভাড়া বাড়ল, জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির প্রভাব বিএনপির কর্মকাণ্ডে ফ্যাসিবাদবিরোধী দলে মধ্যে ফাটল ধরেছে: জামায়াতে আমির থাইল্যান্ড ভেঙ্গে স্বাধীন ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার ঘোষণা রোহিঙ্গাদের নিজ ভূমিতে নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের কোনো বিকল্প নেই: প্রধানমন্ত্রী গাজায় ভয়াবহ দুর্ভোগে নীরব থাকবে না ব্রিটেন: অ্যান্ডি বার্নহাম গাজায় ইসরাইলি হামলার নিন্দা, ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে সমর্থন ফ্রান্স-যুক্তরাজ্য-কানাডার

থাইল্যান্ড ভেঙ্গে স্বাধীন ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার ঘোষণা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০২:১০:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৮ বার পড়া হয়েছে

এবার থাইল্যান্ডের দক্ষিণাঞ্চলে দীর্ঘদিনের সশস্ত্র সংঘাত নতুন করে আলোচনায় এসেছে। দেশটির মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দক্ষিণাঞ্চলে স্বাধীন ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য পুনর্ব্যক্ত করেছে বারিসান রেভোলুসি ন্যাশনাল (বিআরএন) সংগঠনটির দাবি, লক্ষ্য অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত তাদের সংগ্রাম অব্যাহত থাকবে।

সম্প্রতি মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে এএফপিকে দেওয়া এক বিরল সাক্ষাৎকারে বিআরএনের শান্তি আলোচনাবিষয়ক প্রতিনিধি দলের মুখপাত্র নিকমাতুল্লাহ সেরি এ অবস্থান জানান। তিনি বলেন, তাদের লক্ষ্য অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত এই সংগ্রাম চলবে; প্রয়োজনে তাশেষ সময় পর্যন্তঅব্যাহত থাকবে।

দক্ষিণ থাইল্যান্ডের মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চলে স্বাধীন ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার দাবি বিআরএনের দীর্ঘদিনের লক্ষ্য। বর্তমান সংঘাত তীব্র আকার নেয় ২০০৪ সালে। গত দুই দশকে এ সংঘাতে ৭ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন বলে সংঘাত পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা ডিপ সাউথ ওয়াচের তথ্য উল্লেখ করেছে এএফপি।

ঐতিহাসিকভাবে দক্ষিণ থাইল্যান্ডের এ অঞ্চল মালয়মুসলিম অধ্যুষিত পাতানি সালতানাতের অংশ ছিল। পরে ১৯০০এর দশকের শুরুতে তৎকালীন সিয়াম, বর্তমান থাইল্যান্ডের সঙ্গে অঞ্চলটির অন্তর্ভুক্তি ঘটে। এরপর স্থানীয় মালয় মুসলিম জনগোষ্ঠীর একাংশ ভাষা, সংস্কৃতি, ধর্মীয় পরিচয় ও রাজনৈতিক অধিকারের ক্ষেত্রে অধিক স্বায়ত্তশাসনের দাবি জানিয়ে আসছে।

নিকমাতুল্লাহ সেরি জানান, বিআরএন শুধু শান্তি আলোচনা নয়, দক্ষিণাঞ্চলে রাজনৈতিক ক্ষমতা প্রতিষ্ঠা করতে চান। সংগঠনটি থাই সরকারের সঙ্গে ক্ষমতা ভাগাভাগির একটি প্রস্তাব দিয়েছে। তবে প্রাথমিক পর্যায়ে নির্বাচনের মাধ্যমে নয়, বিআরএন নিজেই অঞ্চলটি পরিচালনা করতে চায় বলে তিনি জানান।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

স্ত্রী গৌরী পাশে থাকলেও সহকারী পূজার ওড়নায় মুখ মুছলেন শাহরুখ খান

থাইল্যান্ড ভেঙ্গে স্বাধীন ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার ঘোষণা

আপডেট সময় ০২:১০:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

এবার থাইল্যান্ডের দক্ষিণাঞ্চলে দীর্ঘদিনের সশস্ত্র সংঘাত নতুন করে আলোচনায় এসেছে। দেশটির মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দক্ষিণাঞ্চলে স্বাধীন ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য পুনর্ব্যক্ত করেছে বারিসান রেভোলুসি ন্যাশনাল (বিআরএন) সংগঠনটির দাবি, লক্ষ্য অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত তাদের সংগ্রাম অব্যাহত থাকবে।

সম্প্রতি মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে এএফপিকে দেওয়া এক বিরল সাক্ষাৎকারে বিআরএনের শান্তি আলোচনাবিষয়ক প্রতিনিধি দলের মুখপাত্র নিকমাতুল্লাহ সেরি এ অবস্থান জানান। তিনি বলেন, তাদের লক্ষ্য অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত এই সংগ্রাম চলবে; প্রয়োজনে তাশেষ সময় পর্যন্তঅব্যাহত থাকবে।

দক্ষিণ থাইল্যান্ডের মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চলে স্বাধীন ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার দাবি বিআরএনের দীর্ঘদিনের লক্ষ্য। বর্তমান সংঘাত তীব্র আকার নেয় ২০০৪ সালে। গত দুই দশকে এ সংঘাতে ৭ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন বলে সংঘাত পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা ডিপ সাউথ ওয়াচের তথ্য উল্লেখ করেছে এএফপি।

ঐতিহাসিকভাবে দক্ষিণ থাইল্যান্ডের এ অঞ্চল মালয়মুসলিম অধ্যুষিত পাতানি সালতানাতের অংশ ছিল। পরে ১৯০০এর দশকের শুরুতে তৎকালীন সিয়াম, বর্তমান থাইল্যান্ডের সঙ্গে অঞ্চলটির অন্তর্ভুক্তি ঘটে। এরপর স্থানীয় মালয় মুসলিম জনগোষ্ঠীর একাংশ ভাষা, সংস্কৃতি, ধর্মীয় পরিচয় ও রাজনৈতিক অধিকারের ক্ষেত্রে অধিক স্বায়ত্তশাসনের দাবি জানিয়ে আসছে।

নিকমাতুল্লাহ সেরি জানান, বিআরএন শুধু শান্তি আলোচনা নয়, দক্ষিণাঞ্চলে রাজনৈতিক ক্ষমতা প্রতিষ্ঠা করতে চান। সংগঠনটি থাই সরকারের সঙ্গে ক্ষমতা ভাগাভাগির একটি প্রস্তাব দিয়েছে। তবে প্রাথমিক পর্যায়ে নির্বাচনের মাধ্যমে নয়, বিআরএন নিজেই অঞ্চলটি পরিচালনা করতে চায় বলে তিনি জানান।