ঢাকা , শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
অতিরিক্ত মুরগির রোস্ট না পেয়ে বিয়েবাড়িতে সংঘর্ষ, আহত ৩ কোন চাঁদাবাজ এলে বেঁধে রাখুন, আমাকে ফোন দিনঃ ব্যবসায়ীদের প্রতি প্রতিমন্ত্রী পুতুল মরণোত্তর জাতিসংঘ পদকে ভূষিত বাংলাদেশের ৬ বীর সেনা দীর্ঘ ১৯ ঘণ্টা ধরে পুশ ইনের চেষ্টা, ব্যর্থ হয়ে ১৭ জনকে ফিরিয়ে নিল বিএসএফ একসঙ্গে র‍্যালি করলেন চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা সমর্থকরা, বিতরণ হলো খেজুর-সেভেন আপ একটানা ৪১ দিন জামাতে নামাজ পড়ায় ৯ শিশু পেল সাইকেল উপহার ‘খুনিদের সঙ্গে আঁতাত করে আইভীকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে’ : পাটওয়ারী আর্জেন্টিনার জার্সি পরলেই অর্ধেক ফি, বিশ্বকাপ উপলক্ষে চিকিৎসকের বিশেষ ঘোষণা জন্মদিনের দিনই ঝুলন্ত মরদেহ, রহস্য ঘনীভূত বিমানবন্দর লোডারের মৃত্যুতে মসজিদের মাইকে ঘোষণা, পুলিশের কাছ থেকে বিএনপি নেতাকে ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ

রাশিয়া থেকে জ্বালানি আমদানিতে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে বিশেষ ছাড় চেয়েছে বাংলাদেশ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:৫৮:১৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬
  • ৮০০ বার পড়া হয়েছে

এবার পরিশোধিত ডিজেলসহ রাশিয়া থেকে জ্বালানি আমদানির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের কাছে বিশেষ ছাড় (ওয়েভার) চেয়েছে বাংলাদেশ। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান মঙ্গলবার ওয়াশিংটনে যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানিমন্ত্রী ক্রিস রাইটের সঙ্গে বৈঠকে এ অনুরোধ জানান বলে এক বার্তায় জানানো হয়েছে। বৈঠকে ড. খলিলুর রহমান বলেন, বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খল বিঘ্নের কারণে বাংলাদেশ বর্তমানে জ্বালানি সংকটে রয়েছে, বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ রোপণ মৌসুমের আগে। কৃষকদের জন্য নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং খাদ্য নিরাপত্তা বজায় রাখতে এ ছাড় জরুরি।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া সীমিত বৈশ্বিক ছাড়ের সুবিধা বাংলাদেশ নিতে পারেনি, কারণ সে সময় রাশিয়ার তেলবাহী কোনো ট্যাংকার বাংলাদেশের উদ্দেশে ছিল না। বৈঠকে রাশিয়ার অপরিশোধিত তেল থেকে তৃতীয় দেশ হয়ে পরিশোধিত জ্বালানি আমদানির বিকল্প ব্যবস্থাও আলোচনা হয়, যাতে তাৎক্ষণিক চাহিদা পূরণ করা যায়।

যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি মন্ত্রী বাংলাদেশের জ্বালানি সংকটের বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, এ কঠিন সময়ে বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যুক্তরাষ্ট্র সহযোগিতা করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি বাংলাদেশের অনুরোধ ইতিবাচকভাবে বিবেচনার আশ্বাস দেন এবং সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোর সঙ্গে কাজ করার কথা জানান।

এ ছাড়া দীর্ঘমেয়াদি টেকসই জ্বালানি সহযোগিতা এবং যুক্তরাষ্ট্র থেকে জ্বালানি পণ্য আমদানি বৃদ্ধির সম্ভাবনাও বৈঠকে আলোচিত হয়। বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষে যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত তারেক মো. আরিফুল ইসলাম, ডেপুটি চিফ অব মিশন ডি এম সালাহউদ্দিন মাহমুদ এবং ইকোনমিক মিনিস্টার ড. মো. ফজলে রাব্বি উপস্থিত ছিলেন। 

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

অতিরিক্ত মুরগির রোস্ট না পেয়ে বিয়েবাড়িতে সংঘর্ষ, আহত ৩

রাশিয়া থেকে জ্বালানি আমদানিতে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে বিশেষ ছাড় চেয়েছে বাংলাদেশ

আপডেট সময় ১১:৫৮:১৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬

এবার পরিশোধিত ডিজেলসহ রাশিয়া থেকে জ্বালানি আমদানির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের কাছে বিশেষ ছাড় (ওয়েভার) চেয়েছে বাংলাদেশ। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান মঙ্গলবার ওয়াশিংটনে যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানিমন্ত্রী ক্রিস রাইটের সঙ্গে বৈঠকে এ অনুরোধ জানান বলে এক বার্তায় জানানো হয়েছে। বৈঠকে ড. খলিলুর রহমান বলেন, বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খল বিঘ্নের কারণে বাংলাদেশ বর্তমানে জ্বালানি সংকটে রয়েছে, বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ রোপণ মৌসুমের আগে। কৃষকদের জন্য নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং খাদ্য নিরাপত্তা বজায় রাখতে এ ছাড় জরুরি।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া সীমিত বৈশ্বিক ছাড়ের সুবিধা বাংলাদেশ নিতে পারেনি, কারণ সে সময় রাশিয়ার তেলবাহী কোনো ট্যাংকার বাংলাদেশের উদ্দেশে ছিল না। বৈঠকে রাশিয়ার অপরিশোধিত তেল থেকে তৃতীয় দেশ হয়ে পরিশোধিত জ্বালানি আমদানির বিকল্প ব্যবস্থাও আলোচনা হয়, যাতে তাৎক্ষণিক চাহিদা পূরণ করা যায়।

যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি মন্ত্রী বাংলাদেশের জ্বালানি সংকটের বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, এ কঠিন সময়ে বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যুক্তরাষ্ট্র সহযোগিতা করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি বাংলাদেশের অনুরোধ ইতিবাচকভাবে বিবেচনার আশ্বাস দেন এবং সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোর সঙ্গে কাজ করার কথা জানান।

এ ছাড়া দীর্ঘমেয়াদি টেকসই জ্বালানি সহযোগিতা এবং যুক্তরাষ্ট্র থেকে জ্বালানি পণ্য আমদানি বৃদ্ধির সম্ভাবনাও বৈঠকে আলোচিত হয়। বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষে যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত তারেক মো. আরিফুল ইসলাম, ডেপুটি চিফ অব মিশন ডি এম সালাহউদ্দিন মাহমুদ এবং ইকোনমিক মিনিস্টার ড. মো. ফজলে রাব্বি উপস্থিত ছিলেন।