ঢাকা , শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ইতালিতে ভাইয়ের হাতে ভাই খুন: নেপথ্যে যে কারণ ৭ দিনের সফরে জাপান যাচ্ছেন জামায়াত আমির ‘আহারে ব্রো লাইফটাই স্পয়েল হয়ে গেল’-আসিফ মাহমুদকে কটাক্ষ করে নীলার পোস্ট দুই দশকেও উপকূলীয় নারী শ্রমিকদের মজুরি বৈষম্য ঘোচেনি লুটেরাদের হাতে ব্যাংক ফিরিয়ে দিলে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন শ্রমিকরা সংসদে সুগার মিল নিয়ে আমির হামজার বক্তব্যের প্রতিবাদে মানববন্ধন একটি হয়েছে ১৫ বছরের দুর্নীতি আর ১৮ মাস ভুল নীতি: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী মেয়ের বিয়ের পাত্র নিয়ে পালালেন মা যুক্তরাষ্ট্রে নিহত বাংলাদেশি শিক্ষার্থী বৃষ্টির মরদেহ উদ্ধার টাকা ভাগাভাগি নিয়ে দ্বন্দ্ব, বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষে আহত ২০

আগামী দুই থেকে তিন সপ্তাহের মধ্যে ইরান ‘প্রস্তর যুগে’ ফিরে যাবে: ট্রাম্প

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:০৮:৪৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫৯ বার পড়া হয়েছে

এবার জাতির উদ্দেশে ভাষণে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যে মিত্রদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই ইরান বিরোধী যুদ্ধে জড়িয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। বুধবার (১ এপ্রিল) এক ভাষণে তিনি দাবি করেন, তেহরানের ওপর ওয়াশিংটনের এই সামরিক পদক্ষেপ মূলত ওই অঞ্চলে মার্কিন মিত্রদের দীর্ঘদিনের প্রচেষ্টারই প্রতিফলন। ট্রাম্পের এই বক্তব্য পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর আগের মন্তব্যেরই প্রতিধ্বনি ঘটিয়েছে, যেখানে ইসরায়েলের উদ্বেগকে যুদ্ধের মূল কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল।

জ্বালানি শক্তিতে স্বয়ংসম্পূর্ণতার বড়াই করে ট্রাম্প বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যের তেল বা অন্য কোনো সম্পদের ওপর আমাদের নির্ভরতা নেই। আমরা সেখানে গিয়েছি কেবল আমাদের বন্ধুদের সাহায্য করতে।৩২ দিনব্যাপী এই যুদ্ধে মার্কিন বাহিনীকেঅপ্রতিরোধ্যআখ্যা দিয়ে তিনি জানান, কৌশলগত লক্ষ্যগুলো অর্জনের পথে তারা অনেক দূর এগিয়েছেন। তবে হামলা বন্ধের কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা না দিলেও ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, আগামী দুইতিন সপ্তাহের মধ্যে ইরানকেপ্রস্তর যুগেপাঠিয়ে দেওয়ার মতো ভয়াবহ আঘাত হানা হবে।

আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ও আলী লারিজানির গুপ্তহত্যার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘আমরা বলিনি যে শাসন পরিবর্তন করব, কিন্তু বাস্তবে তা ঘটে গেছে।বর্তমানে খামেনিপুত্র মোজতবা সর্বোচ্চ নেতার আসনে বসলেও এখন পর্যন্ত তাকে জনসমক্ষে দেখা যায়নি। ট্রাম্পের মতে, ইরানের নৌ ও বিমানবাহিনী এখন ধ্বংসস্তূপ এবং তাদের শীর্ষ নেতৃত্বের বড় অংশই নিশ্চিহ্ন।

ইসরায়েলসহ সৌদি আরব, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত ও বাহরাইনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করলেও ট্রাম্পের বক্তব্যে ওমানের কোনো উল্লেখ ছিল না। উল্লেখ্য, ওমানই একমাত্র উপসাগরীয় দেশ যারা এই যুদ্ধের নিন্দা জানিয়েছে এবং মধ্যস্থতার চেষ্টা চালিয়েছিল। যুদ্ধে এ পর্যন্ত উপসাগরীয় দেশগুলোতে ৩০ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেলেও ইসরায়েল তাদের ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিসংখ্যান গোপন রেখেছে। বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের ক্রমবর্ধমান দাম নিয়ে মার্কিন নাগরিকদের কোনো স্বস্তির খবর দিতে পারেননি ট্রাম্প। তবে তিনি একেঅস্থায়ীসমস্যা হিসেবে অভিহিত করেছেন। হরমুজ প্রণালী প্রসঙ্গে তার দাবি, যুদ্ধ শেষ হলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে এবং ইরান নিজেদের পুনর্গঠনের তাগিদেই তেল বিক্রি শুরু করবে। 

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ইতালিতে ভাইয়ের হাতে ভাই খুন: নেপথ্যে যে কারণ

আগামী দুই থেকে তিন সপ্তাহের মধ্যে ইরান ‘প্রস্তর যুগে’ ফিরে যাবে: ট্রাম্প

আপডেট সময় ১১:০৮:৪৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬

এবার জাতির উদ্দেশে ভাষণে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যে মিত্রদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই ইরান বিরোধী যুদ্ধে জড়িয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। বুধবার (১ এপ্রিল) এক ভাষণে তিনি দাবি করেন, তেহরানের ওপর ওয়াশিংটনের এই সামরিক পদক্ষেপ মূলত ওই অঞ্চলে মার্কিন মিত্রদের দীর্ঘদিনের প্রচেষ্টারই প্রতিফলন। ট্রাম্পের এই বক্তব্য পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর আগের মন্তব্যেরই প্রতিধ্বনি ঘটিয়েছে, যেখানে ইসরায়েলের উদ্বেগকে যুদ্ধের মূল কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল।

জ্বালানি শক্তিতে স্বয়ংসম্পূর্ণতার বড়াই করে ট্রাম্প বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যের তেল বা অন্য কোনো সম্পদের ওপর আমাদের নির্ভরতা নেই। আমরা সেখানে গিয়েছি কেবল আমাদের বন্ধুদের সাহায্য করতে।৩২ দিনব্যাপী এই যুদ্ধে মার্কিন বাহিনীকেঅপ্রতিরোধ্যআখ্যা দিয়ে তিনি জানান, কৌশলগত লক্ষ্যগুলো অর্জনের পথে তারা অনেক দূর এগিয়েছেন। তবে হামলা বন্ধের কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা না দিলেও ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, আগামী দুইতিন সপ্তাহের মধ্যে ইরানকেপ্রস্তর যুগেপাঠিয়ে দেওয়ার মতো ভয়াবহ আঘাত হানা হবে।

আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ও আলী লারিজানির গুপ্তহত্যার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘আমরা বলিনি যে শাসন পরিবর্তন করব, কিন্তু বাস্তবে তা ঘটে গেছে।বর্তমানে খামেনিপুত্র মোজতবা সর্বোচ্চ নেতার আসনে বসলেও এখন পর্যন্ত তাকে জনসমক্ষে দেখা যায়নি। ট্রাম্পের মতে, ইরানের নৌ ও বিমানবাহিনী এখন ধ্বংসস্তূপ এবং তাদের শীর্ষ নেতৃত্বের বড় অংশই নিশ্চিহ্ন।

ইসরায়েলসহ সৌদি আরব, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত ও বাহরাইনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করলেও ট্রাম্পের বক্তব্যে ওমানের কোনো উল্লেখ ছিল না। উল্লেখ্য, ওমানই একমাত্র উপসাগরীয় দেশ যারা এই যুদ্ধের নিন্দা জানিয়েছে এবং মধ্যস্থতার চেষ্টা চালিয়েছিল। যুদ্ধে এ পর্যন্ত উপসাগরীয় দেশগুলোতে ৩০ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেলেও ইসরায়েল তাদের ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিসংখ্যান গোপন রেখেছে। বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের ক্রমবর্ধমান দাম নিয়ে মার্কিন নাগরিকদের কোনো স্বস্তির খবর দিতে পারেননি ট্রাম্প। তবে তিনি একেঅস্থায়ীসমস্যা হিসেবে অভিহিত করেছেন। হরমুজ প্রণালী প্রসঙ্গে তার দাবি, যুদ্ধ শেষ হলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে এবং ইরান নিজেদের পুনর্গঠনের তাগিদেই তেল বিক্রি শুরু করবে।