ঢাকা , শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ব্যারাক থেকে বেরিয়ে নিখোঁজ কলাবাগান থানার এসআই রাকিবুল সরকার-বিরোধী দলের যে কেউ ব্যর্থ হলে পুরো সংসদ ব্যর্থ হবে: প্রধানমন্ত্রী কুষ্টিয়া সীমান্তে বিজিবির সফল অভিযানে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মাদকদ্রব্য উদ্ধার এবার আগুনে পুড়লো টিসিবির পণ্য, খালি হাতে ফিরলো নিম্নআয়ের মানুষ নিজের প্রাক্তন কলেজের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা বিনিময় সাবেক প্রতিমন্ত্রী-এমপিসহ ৪০ জনের নামে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা ঝড়ে ভেঙে গেছে মসজিদের মূল অংশ, বারান্দায় নামাজ পড়ছেন মুসল্লিরা বিশ্ব গণমাধ্যম স্বাধীনতা সূচকে ৩ ধাপ পেছালো বাংলাদেশ কেরোসিন তেল কি অপবিত্র মে মাসে জ্বালানি তেলের দাম অপরিবর্তিত থাকবে

আরব দেশগুলোর ক্ষতি ১৯৪ বিলিয়ন ডলার, কাজ হারাবে ৩৭ লাখ মানুষ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১২:২৮:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫৮ বার পড়া হয়েছে

এবার ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যুদ্ধ এবং এর ফলে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে সৃষ্ট অস্থিতিশীলতা আরব দেশগুলোর ওপর বিধ্বংসী প্রভাব ফেলেছে। জাতিসংঘের মতে, এই পরিস্থিতির কারণে এই অঞ্চলের লাখ লাখ মানুষ দারিদ্র্যের কবলে পড়তে যাচ্ছে। মঙ্গলবার প্রকাশিত জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুদ্ধের মাত্র এক মাসেই এই অঞ্চলের মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) আনুমানিক ৩.৭ থেকে ৬ শতাংশ হ্রাস পেতে পারে। আর্থিক হিসাবে এই সংকোচনের পরিমাণ ১২০ বিলিয়ন থেকে ১৯৪ বিলিয়ন ডলারের সমান।

জাতিসংঘের সহকারী মহাসচিব এবং ইউএনডিপির আরব রাষ্ট্রবিষয়ক আঞ্চলিক ব্যুরোর পরিচালক আবদুল্লাহ আল দারদারি জানান, এই যুদ্ধের ফলে প্রায় ৩৭ লাখ মানুষ কাজ হারাবে। এছাড়া এই অঞ্চলে আরও প্রায় ৪০ লাখ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে নেমে যেতে পারে। তিনি উল্লেখ করেন, এই যুদ্ধ মূলতআরব অর্থনীতির ভঙ্গুরতাকেস্পষ্ট করে তুলেছে।

প্রতিবেদনটিচার সপ্তাহব্যাপী একটি স্বল্পস্থায়ী কিন্তু তীব্র সংঘাতেরপূর্বাভাসের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে। তবে ইরানের পক্ষ থেকে উপসাগরীয় অঞ্চলের জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলা এবং হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল ও গ্যাস রপ্তানি বাধাগ্রস্ত করার ফলে যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আরও অনেক বেশি হবে বলে আভাস দেওয়া হয়েছে।

বাজারে তেলের সরবরাহ কমে যাওয়ায় ব্রেন্ট ক্রুড ফিউচারের দাম ৪.৭ শতাংশ বেড়ে প্রতি ব্যারেল ১১৮ ডলার ছাড়িয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘কৌশলগত সামুদ্রিক করিডরগুলোতে ঝুঁকিতৈরি হওয়ায় মুদ্রাস্ফীতি, বাণিজ্যপ্রবাহ এবং বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খলে এর বিরূপ প্রভাব পড়ছে। এটি মধ্যপ্রাচ্যেরপারস্পরিক নির্ভরশীল অর্থনীতিরদেশগুলোতে জীবনযাত্রার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, দারিদ্র্যের হার বৃদ্ধির বিষয়টি মূলত লেভান্ট অঞ্চল এবং যুদ্ধবিক্ষত দেশগুলোর (সুদান ও ইয়েমেন) ওপর বেশি প্রভাব ফেলবে। কারণ এসব দেশে আগে থেকেই ঝুঁকি বিদ্যমান এবং যে কোনো বড় ধাক্কায় জনকল্যাণ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। আবদুল্লাহ আল দারদারি বলেন, ‘আমরা আশা করি, কালই লড়াই বন্ধ হবে। কারণ প্রতিটি দিনের বিলম্ব বিশ্ব অর্থনীতির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

ব্যারাক থেকে বেরিয়ে নিখোঁজ কলাবাগান থানার এসআই রাকিবুল

আরব দেশগুলোর ক্ষতি ১৯৪ বিলিয়ন ডলার, কাজ হারাবে ৩৭ লাখ মানুষ

আপডেট সময় ১২:২৮:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬

এবার ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যুদ্ধ এবং এর ফলে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে সৃষ্ট অস্থিতিশীলতা আরব দেশগুলোর ওপর বিধ্বংসী প্রভাব ফেলেছে। জাতিসংঘের মতে, এই পরিস্থিতির কারণে এই অঞ্চলের লাখ লাখ মানুষ দারিদ্র্যের কবলে পড়তে যাচ্ছে। মঙ্গলবার প্রকাশিত জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুদ্ধের মাত্র এক মাসেই এই অঞ্চলের মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) আনুমানিক ৩.৭ থেকে ৬ শতাংশ হ্রাস পেতে পারে। আর্থিক হিসাবে এই সংকোচনের পরিমাণ ১২০ বিলিয়ন থেকে ১৯৪ বিলিয়ন ডলারের সমান।

জাতিসংঘের সহকারী মহাসচিব এবং ইউএনডিপির আরব রাষ্ট্রবিষয়ক আঞ্চলিক ব্যুরোর পরিচালক আবদুল্লাহ আল দারদারি জানান, এই যুদ্ধের ফলে প্রায় ৩৭ লাখ মানুষ কাজ হারাবে। এছাড়া এই অঞ্চলে আরও প্রায় ৪০ লাখ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে নেমে যেতে পারে। তিনি উল্লেখ করেন, এই যুদ্ধ মূলতআরব অর্থনীতির ভঙ্গুরতাকেস্পষ্ট করে তুলেছে।

প্রতিবেদনটিচার সপ্তাহব্যাপী একটি স্বল্পস্থায়ী কিন্তু তীব্র সংঘাতেরপূর্বাভাসের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে। তবে ইরানের পক্ষ থেকে উপসাগরীয় অঞ্চলের জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলা এবং হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল ও গ্যাস রপ্তানি বাধাগ্রস্ত করার ফলে যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আরও অনেক বেশি হবে বলে আভাস দেওয়া হয়েছে।

বাজারে তেলের সরবরাহ কমে যাওয়ায় ব্রেন্ট ক্রুড ফিউচারের দাম ৪.৭ শতাংশ বেড়ে প্রতি ব্যারেল ১১৮ ডলার ছাড়িয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘কৌশলগত সামুদ্রিক করিডরগুলোতে ঝুঁকিতৈরি হওয়ায় মুদ্রাস্ফীতি, বাণিজ্যপ্রবাহ এবং বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খলে এর বিরূপ প্রভাব পড়ছে। এটি মধ্যপ্রাচ্যেরপারস্পরিক নির্ভরশীল অর্থনীতিরদেশগুলোতে জীবনযাত্রার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, দারিদ্র্যের হার বৃদ্ধির বিষয়টি মূলত লেভান্ট অঞ্চল এবং যুদ্ধবিক্ষত দেশগুলোর (সুদান ও ইয়েমেন) ওপর বেশি প্রভাব ফেলবে। কারণ এসব দেশে আগে থেকেই ঝুঁকি বিদ্যমান এবং যে কোনো বড় ধাক্কায় জনকল্যাণ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। আবদুল্লাহ আল দারদারি বলেন, ‘আমরা আশা করি, কালই লড়াই বন্ধ হবে। কারণ প্রতিটি দিনের বিলম্ব বিশ্ব অর্থনীতির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।