ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
বাঁশের কঞ্চি দিয়ে ব্রিজ নির্মাণ! অবরুদ্ধ হরমুজ: ট্রাম্পের অবরোধ ভাঙতে নামবে চীনের ভয়ঙ্কর নৌবহর? মার্কিন হুমকি তোয়াক্কা না করে হরমুজ পার হলো ইরানি সুপার ট্যাংকার ২৮০০ কোটি টাকার মার্কিন ড্রোন ধ্বংস করল ইরান মাদ্রাসা ছাত্ররা ভালোভাবে কোরআন শেখেনি বলে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ দিতে পারছি না: শিক্ষামন্ত্রী ইরানকে আত্মসমর্পণে বাধ্য করার প্রচেষ্টা ব্যর্থ হবে: পেজেশকিয়ান তেহরানের স্বার্থের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ যেকোনো সমাধানই মস্কো মেনে নেবে: রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইরান থেকে তেল নিতে পারবে না চীন: যুক্তরাষ্ট্র আমাকে নতি স্বীকার করাতে বুশরা বিবিকে ‘অমানুষিক’ নির্যাতন করা হচ্ছে: ইমরান খান আমিও অনলাইন ক্লাস চাই না, কিন্তু পৃথিবী চায়: শিক্ষামন্ত্রী

ক্যাম্পে ভূমিধস, ১২ ভারতীয় সেনার করুণ পরিণতি

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৬:৩৭:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ জুন ২০২৫
  • ৭৪১ বার পড়া হয়েছে

এবার ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য সিকিমে টানা ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে সেনাবাহিনীর একটি ক্যাম্পে ভূমিধসের ঘটনা ঘটেছে। এতে তিনজন সেনা সদস্য নিহত হয়েছেন। এছাড়া নিখোঁজ রয়েছেন আরও ৯ জন। সোমবার (২ জুন) এক বিবৃতিতে সেনাদের হতাহতের এই তথ্য জানিয়েছে ভারতের সেনাবাহিনী।

এদিকে রাজ্যটির মাঙ্গান জেলার চুংথাংয়ের উপ-বিভাগীয় পুলিশ কর্মকর্তা অরুণ থাটাল জানিয়েছেন, ‘লাচেন নদীর জলস্তর বেড়ে যাওয়ার পর চাটেনে সেনা ক্যাম্পে ভূমিধসের ঘটনা ঘটে। তিনজন সেনা সদস্যের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং নিখোঁজ রয়েছেন নয়জন সেনা সদস্য। তল্লাশি অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে সেনাবাহিনী।

হিন্দুস্তান টাইমসের খবরে বলা হয়েছে এর আগে গত বৃহস্পতিবার উত্তর সিকিমে পর্যটকবাহী একটি গাড়ি তিস্তা নদীতে পড়ে যায়। ওই ঘটনায় নিখোঁজ হন গাড়িটিতে থাকা আটজন। তাদের সকলেরই মৃত্যু হয়েছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।

এদিকে সংবাদমাধ্যমটি বলছে, যেহেতু উত্তর সিকিমের অনেক এলাকা একাধিক ভূমিধসের কারণে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় রয়েছে। সোমবার সকাল থেকে লাচুংয়ে আটকে পড়া কয়েকশ পর্যটককে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

মাঙ্গানের জেলা কালেক্টর অনন্ত জৈন জানিয়েছেন, সোমবার লাচুং থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ৩৮০ জন শিশুসহ ১,৬০০ জন পর্যটককে। প্রবল বৃষ্টিপাতের ফলে ৩০ মে থেকে তারা আটকা পড়েছিলেন। সোমবার সকালে উদ্ধার অভিযান শুরু হয়েছে। এখনও লাচেনে আটকা পড়েছেন প্রায় ১৫০ জন পর্যটক। তারা নিরাপদে আছেন এবং হোটেলগুলিতে রয়েছেন।

এদিকে লাচেন এবং লাচুং উভয়ই সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২ হাজার ৭০০ মিটারেরও বেশি উচ্চতায় অবস্থিত। উত্তর সিকিমের গুরুদোংমার হ্রদ এবং ইয়ুমথাং উপত্যকার মতো উচ্চতার গন্তব্যে যাওয়া পর্যটকরা লাচেন এবং লাচুংয়ে যাত্রাবিরতি নেন।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বাঁশের কঞ্চি দিয়ে ব্রিজ নির্মাণ!

ক্যাম্পে ভূমিধস, ১২ ভারতীয় সেনার করুণ পরিণতি

আপডেট সময় ০৬:৩৭:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ জুন ২০২৫

এবার ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য সিকিমে টানা ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে সেনাবাহিনীর একটি ক্যাম্পে ভূমিধসের ঘটনা ঘটেছে। এতে তিনজন সেনা সদস্য নিহত হয়েছেন। এছাড়া নিখোঁজ রয়েছেন আরও ৯ জন। সোমবার (২ জুন) এক বিবৃতিতে সেনাদের হতাহতের এই তথ্য জানিয়েছে ভারতের সেনাবাহিনী।

এদিকে রাজ্যটির মাঙ্গান জেলার চুংথাংয়ের উপ-বিভাগীয় পুলিশ কর্মকর্তা অরুণ থাটাল জানিয়েছেন, ‘লাচেন নদীর জলস্তর বেড়ে যাওয়ার পর চাটেনে সেনা ক্যাম্পে ভূমিধসের ঘটনা ঘটে। তিনজন সেনা সদস্যের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং নিখোঁজ রয়েছেন নয়জন সেনা সদস্য। তল্লাশি অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে সেনাবাহিনী।

হিন্দুস্তান টাইমসের খবরে বলা হয়েছে এর আগে গত বৃহস্পতিবার উত্তর সিকিমে পর্যটকবাহী একটি গাড়ি তিস্তা নদীতে পড়ে যায়। ওই ঘটনায় নিখোঁজ হন গাড়িটিতে থাকা আটজন। তাদের সকলেরই মৃত্যু হয়েছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।

এদিকে সংবাদমাধ্যমটি বলছে, যেহেতু উত্তর সিকিমের অনেক এলাকা একাধিক ভূমিধসের কারণে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় রয়েছে। সোমবার সকাল থেকে লাচুংয়ে আটকে পড়া কয়েকশ পর্যটককে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

মাঙ্গানের জেলা কালেক্টর অনন্ত জৈন জানিয়েছেন, সোমবার লাচুং থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ৩৮০ জন শিশুসহ ১,৬০০ জন পর্যটককে। প্রবল বৃষ্টিপাতের ফলে ৩০ মে থেকে তারা আটকা পড়েছিলেন। সোমবার সকালে উদ্ধার অভিযান শুরু হয়েছে। এখনও লাচেনে আটকা পড়েছেন প্রায় ১৫০ জন পর্যটক। তারা নিরাপদে আছেন এবং হোটেলগুলিতে রয়েছেন।

এদিকে লাচেন এবং লাচুং উভয়ই সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২ হাজার ৭০০ মিটারেরও বেশি উচ্চতায় অবস্থিত। উত্তর সিকিমের গুরুদোংমার হ্রদ এবং ইয়ুমথাং উপত্যকার মতো উচ্চতার গন্তব্যে যাওয়া পর্যটকরা লাচেন এবং লাচুংয়ে যাত্রাবিরতি নেন।