ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-কে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে আসাদুজ্জামান ওয়াসিম (২৫) নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে আখাউড়া উপজেলার মনিয়ন্দ ইউনিয়নের কর্ণেল বাজার সংলগ্ন আইড়ল গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আটক আসাদুজ্জামান ওয়াসিম ওই গ্রামের রতন ডাক্তারের ছেলে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ওয়াসিম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-কে নিয়ে কটূক্তি করেন। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের মধ্যে ক্ষোভ ও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বিষয়টি ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে।
একপর্যায়ে স্থানীয় উত্তেজিত জনতা কর্ণেল বাজারের আবু তাহেরের দোকান থেকে ওয়াসিমকে আটক করে রাখেন। খবর পেয়ে আখাউড়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে হেফাজতে নেয়। পুলিশ তাকে গাড়িতে তোলার সময় স্থানীয় কয়েকজন তাকে মারধর করেন বলে জানা গেছে।
পরে পুলিশ তাকে হেফাজতে নিয়ে আখাউড়া থানায় নিয়ে যায়। বর্তমানে তিনি পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন।
আখাউড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জাবেদ উল ইসলাম বলেন, “আসাদুজ্জামান ওয়াসিম মহানবী (সা.)-কে নিয়ে কটূক্তি করায় তাকে আটক করা হয়েছে। আইন অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
এ বিষয়ে আখাউড়া বাইতুল আমান জামে মসজিদের খতিব মুফতি মুফিজুর রহমান বলেন, কোনো মুসলিম রাসূলের অবমাননা করলে সে ইসলাম ধর্ম থেকে খারিজ বা মুরতাদ হয়ে যায় তাঁর বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তি শিরোচ্ছেদ করা। আমাদের দেশে ইসলামি হুকুমত না থাকায় অপরাধীরা কিছুদিন পরপর এই ধরনের অপরাধ করে কয়েকদিন আটক থাকার পর আবার জেল থেকে বেরিয়ে যায় আমরা রাষ্ট্রের কাছে এ ধরনের অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করছি।
তিনি বলেন, “মহান আল্লাহ তায়ালা, মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) এবং পবিত্র কুরআন নিয়ে কটূক্তির বিরুদ্ধে কঠোর আইন সর্বোচ্চ মৃত্যুদণ্ডের আইন প্রণয়ন করা প্রয়োজন।”

ডেস্ক রিপোর্ট 


















