ঢাকা , বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

২৪ ঘণ্টার মধ্যে দুদককে ক্ষমা চাইতে হবে: আসিফ মাহমুদ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:৫৭:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মুখপাত্রের অভিযোগ ইস্যুতে নিজের মানহানির কথা জানিয়ে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দুদককে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। অন্যথায় আইনি পদক্ষেপ হিসেবে মানহানির মামলা করার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তিনি।

 

 

রাজধানীর বাংলামোটরের দলীয় কার্যালয়ে আজ বুধবার রাতে এক সংবাদ সম্মেলনে এই হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

 

সংবাদ সম্মেলনে আসিফ মাহমুদ বলেন, দু’টি অভিযোগের কোনোটিতেই ব্যক্তিগত পর্যায়ে আমার কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। এগুলো সচিব পর্যায়ে নিষ্পত্তি হওয়ার বিষয়। এর মধ্যে একটি আদালতের নির্দেশে বাস্তবায়িত হয়েছে। আরেকটি হলো- সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশনের (পিএসসি) তালিকা অনুযায়ী পদোন্নতি দেয়া হয়েছে। এই দু’টি ফাইলই সচিব পর্যায়ে নিষ্পত্তিযোগ্য, এটি আমার কাছেও আসেনি এবং আমার সাক্ষরও ফাইলে নেই।

 

এর কারণে নিজের মানহানি হয়েছে দাবি করে তিনি বলেন, দুদকের পুরো প্রক্রিয়াকে আমি প্রশ্নবিদ্ধ ও রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে মনে করছি। এ সময় দুদককে আবারও রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে বিরোধীদল ও মতকে দমন-পীড়নের জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

২৪ ঘণ্টার মধ্যে দুদককে ক্ষমা চাইতে হবে: আসিফ মাহমুদ

আপডেট সময় ১০:৫৭:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মুখপাত্রের অভিযোগ ইস্যুতে নিজের মানহানির কথা জানিয়ে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দুদককে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। অন্যথায় আইনি পদক্ষেপ হিসেবে মানহানির মামলা করার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তিনি।

 

 

রাজধানীর বাংলামোটরের দলীয় কার্যালয়ে আজ বুধবার রাতে এক সংবাদ সম্মেলনে এই হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

 

সংবাদ সম্মেলনে আসিফ মাহমুদ বলেন, দু’টি অভিযোগের কোনোটিতেই ব্যক্তিগত পর্যায়ে আমার কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। এগুলো সচিব পর্যায়ে নিষ্পত্তি হওয়ার বিষয়। এর মধ্যে একটি আদালতের নির্দেশে বাস্তবায়িত হয়েছে। আরেকটি হলো- সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশনের (পিএসসি) তালিকা অনুযায়ী পদোন্নতি দেয়া হয়েছে। এই দু’টি ফাইলই সচিব পর্যায়ে নিষ্পত্তিযোগ্য, এটি আমার কাছেও আসেনি এবং আমার সাক্ষরও ফাইলে নেই।

 

এর কারণে নিজের মানহানি হয়েছে দাবি করে তিনি বলেন, দুদকের পুরো প্রক্রিয়াকে আমি প্রশ্নবিদ্ধ ও রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে মনে করছি। এ সময় দুদককে আবারও রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে বিরোধীদল ও মতকে দমন-পীড়নের জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।