জুলাই যোদ্ধা ও ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থী আরমান হত্যার প্রতিবাদে ঢাকা কলেজে বিক্ষোভ ও রাজধানীর সাইন্সল্যাব মোড় অবরোধ করে শিক্ষার্থীরা। এতে কিছু সময়ের জন্য যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
শনিবার (০১ নভেম্বর) রাত সাড়ে ১০টায় ঢাকা কলেজের হলপাড়া থেকে মিছিল নিয়ে সাইন্সল্যাব মোড় অবরোধ করে শিক্ষার্থীরা।
এসময় তারা “অ্যাকশন টু অ্যাকশন ডাইরেক্ট অ্যাকশন, জুলাই যোদ্ধা মরলো কেন? প্রশাসন জবাব দে, জুলাই যোদ্ধা মরলো কেন? ইন্টেরিম জবাব চাই, আমার ভাই মরলো কেন? ইন্টেরিম জবাব চাই, জাস্টিস জাস্টিস উই ওয়ান্ট জাস্টিস, ডিসিয়ানের রক্ত বৃথা যেতে দেব না এবং গুম খুনের ঠিকানা এই বাংলায় হবে না ইত্যাদি স্লোগান দেয়।”
জানা গেছে, আরমান আহমেদ শাফিন ঢাকা কলেজের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের দর্শন বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি উত্তরা জুলাই যোদ্ধা সংসদের আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করেছিলেন। আরমান তার বাবা-মায়ের সঙ্গে রাজধানীর উত্তরা ৮ নম্বর রেলগেট এলাকায় বসবাস করতেন।
ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থী রাকিব বলেন, আমাদের সহযোদ্ধা আরমান আহমেদ শাফিনকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। অথচ এই সরকার যাদের রক্তের উপর বসে আছে তাদের কোন প্রতিক্রিয়া আমরা দেখি নাই। তাদের এই নীরবতা এবং অবহেলা আমরা সহ্য করব না। তারা কি কখনো আমাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে?
হত্যাকারীদের বিচার দাবিতে তিনি আরও বলেন, সরকারকে অবিলম্বে আরমানের হত্যাকারীদের ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে উপযুক্ত বিচার নিশ্চিত করতে হবে। যদি এই সময়ের মধ্যে হত্যাকারীদের গ্রেফতার এবং জুলাই আন্দোলনকারীদের নিরাপত্তা সম্পর্কিত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হয়, আমরা ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীরা বৃহত্তর আন্দোলনে যেতে বাধ্য হব। প্রয়োজন হলে সারাদেশে সংগঠিত কর্মসূচি ঘোষণা করব।
আরেক শিক্ষার্থী বলেন, আমাদের জুলাই আন্দোলনের সাহসী যোদ্ধা আরমান আহমেদ শাফিনকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। এটা কোনো সাধারণ ঘটনা নয়। এটা আমাদের আন্দোলনের চেতনাকে ধ্বংস করার ষড়যন্ত্র।
এর আগে, শনিবার (১ নভেম্বর) দুপুরে তার মরদেহ নিজ বাসা থেকে উদ্ধার করে পুলিশ। স্থানীয়রা জানান, মরদেহ টি সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় ছিল, আর খাটের ওপর তিনি হাঁটু গেড়ে বসা অবস্থায় ছিলেন। স্বজন ও এলাকাবাসীর অভিযোগ, তাকে হত্যা করে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে।

ডেস্ক রিপোর্ট 

























