ঢাকা , বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কার কতো আইডিয়া আছে, চলুন বিতর্ক করি: জামায়াত আমীর

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:১৭:০৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১১৬ বার পড়া হয়েছে

দেশের মানুষকে ভালো সেবা দিতে কার কতো আইডিয়া আছে, তা নিয়ে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে বিতর্ক করার আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান। প্রতিপক্ষের উদ্দেশে তিনি বলেছেন, আসুন সহিংসতা নয়, ভাবনার লড়াইয়ে প্রতিযোগিতা করি। চলুন বিতর্ক করি, দেখি কার কতো আইডিয়া। সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) রাতে ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এসব কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, আমি আমার প্রতিপক্ষদের স্বাগত জানাই। আসুন, আমরা ভাবনার লড়াইয়ে প্রতিযোগিতা করি— কে এই দেশের মানুষকে আরও ভালোভাবে সেবা দিতে পারে, তা দেখার জন্য। আসুন, নীতিমালা নিয়ে বিতর্ক করি, মানুষের কথা শুনি এবং বাংলাদেশের মানুষের জন্য সর্বোত্তম নীতিমালা প্রণয়ন করি।

তিনি আরও বলেন, জামায়াত প্রতিদিনের সম্পৃক্ততার মাধ্যমে আলোচনা ও শোনার এক ভিন্ন ধারার পথ দেখাচ্ছে। মানুষ অতীতেও সহিংসতা প্রত্যাখ্যান করেছে, এখনও করছে এবং ভবিষ্যতেও করবে। এভাবেই বাংলাদেশ এগিয়ে যায়।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

কার কতো আইডিয়া আছে, চলুন বিতর্ক করি: জামায়াত আমীর

আপডেট সময় ১০:১৭:০৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

দেশের মানুষকে ভালো সেবা দিতে কার কতো আইডিয়া আছে, তা নিয়ে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে বিতর্ক করার আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান। প্রতিপক্ষের উদ্দেশে তিনি বলেছেন, আসুন সহিংসতা নয়, ভাবনার লড়াইয়ে প্রতিযোগিতা করি। চলুন বিতর্ক করি, দেখি কার কতো আইডিয়া। সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) রাতে ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এসব কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, আমি আমার প্রতিপক্ষদের স্বাগত জানাই। আসুন, আমরা ভাবনার লড়াইয়ে প্রতিযোগিতা করি— কে এই দেশের মানুষকে আরও ভালোভাবে সেবা দিতে পারে, তা দেখার জন্য। আসুন, নীতিমালা নিয়ে বিতর্ক করি, মানুষের কথা শুনি এবং বাংলাদেশের মানুষের জন্য সর্বোত্তম নীতিমালা প্রণয়ন করি।

তিনি আরও বলেন, জামায়াত প্রতিদিনের সম্পৃক্ততার মাধ্যমে আলোচনা ও শোনার এক ভিন্ন ধারার পথ দেখাচ্ছে। মানুষ অতীতেও সহিংসতা প্রত্যাখ্যান করেছে, এখনও করছে এবং ভবিষ্যতেও করবে। এভাবেই বাংলাদেশ এগিয়ে যায়।