ঢাকা , শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ইতালিতে ভাইয়ের হাতে ভাই খুন: নেপথ্যে যে কারণ ৭ দিনের সফরে জাপান যাচ্ছেন জামায়াত আমির ‘আহারে ব্রো লাইফটাই স্পয়েল হয়ে গেল’-আসিফ মাহমুদকে কটাক্ষ করে নীলার পোস্ট দুই দশকেও উপকূলীয় নারী শ্রমিকদের মজুরি বৈষম্য ঘোচেনি লুটেরাদের হাতে ব্যাংক ফিরিয়ে দিলে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন শ্রমিকরা সংসদে সুগার মিল নিয়ে আমির হামজার বক্তব্যের প্রতিবাদে মানববন্ধন একটি হয়েছে ১৫ বছরের দুর্নীতি আর ১৮ মাস ভুল নীতি: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী মেয়ের বিয়ের পাত্র নিয়ে পালালেন মা যুক্তরাষ্ট্রে নিহত বাংলাদেশি শিক্ষার্থী বৃষ্টির মরদেহ উদ্ধার টাকা ভাগাভাগি নিয়ে দ্বন্দ্ব, বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষে আহত ২০

মহররমে খামেনির অনুপস্থিতি: জনসমক্ষে না আসায় উদ্বেগ বাড়ছে

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:৫৮:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ জুলাই ২০২৫
  • ৪৬৫ বার পড়া হয়েছে

তেহরানে আয়োজিত মহররমের উচ্চ পর্যায়ের বার্ষিক অনুষ্ঠানে এ বছর উপস্থিত ছিলেন না ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। প্রতি বছর এই আয়োজনে নিয়মিত অংশ নেওয়া খামেনির অনুপস্থিতি দেশজুড়ে প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। বিশেষত, ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান সংঘাতের সময় এই ধরনের অনুপস্থিতি গভীরতর উদ্বেগ এবং জল্পনার জন্ম দিয়েছে।

জানা গেছে, খামেনি প্রায় ২২ দিন ধরে জনসমক্ষে আসেননি। ইসরায়েলি হামলায় নিহত শীর্ষ সেনা কর্মকর্তাদের জানাজাতেও তিনি অংশ নেননি—যা সাধারণত তাঁর প্রোটোকলের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

যদিও ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমগুলো তাঁর অনুপস্থিতি নিয়ে সরাসরি কিছু বলেনি, বরং প্রচারের ভাষা ও দৃশ্যায়নে বিষয়টিকে ‘স্বাভাবিক’ দেখানোর চেষ্টা চালিয়েছে।

তবে বিবিসি পার্সিয়ান এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, আয়াতুল্লাহ খামেনির এই দীর্ঘ অনুপস্থিতি ইঙ্গিত দেয় যে তিনি হয়তো এখনো ঝুঁকির মুখে আছেন, এবং তাঁর নিরাপত্তা নিয়ে জোর উদ্বেগ রয়েছে।

এদিকে, ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ স্পষ্ট ভাষায় চ্যানেল ১৩-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন:

“আমরা খামেনিকে হত্যা করতে চেয়েছিলাম, কিন্তু কার্যকর কোনো সুযোগ আসেনি।”

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু আরও একধাপ এগিয়ে বলেন:

“খামেনিকে হত্যা করা গেলে এই যুদ্ধের অবসান হতে পারে।”

এই আলোচনার পেছনে যুক্ত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি বিতর্কিত মন্তব্য। তিনি বলেন,

“আমি জানি আয়াতুল্লাহ খামেনি কোথায় লুকিয়ে আছেন। কিন্তু এখনই তাকে হত্যা করার কোনো পরিকল্পনা নেই।”

এর আগেই রয়টার্স জানায়, ইসরায়েল খামেনিকে হত্যার পরিকল্পনা করেছিল, তবে ট্রাম্প সেই পরিকল্পনায় ভেটো দিয়েছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতা রক্ষার স্বার্থে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ইতালিতে ভাইয়ের হাতে ভাই খুন: নেপথ্যে যে কারণ

মহররমে খামেনির অনুপস্থিতি: জনসমক্ষে না আসায় উদ্বেগ বাড়ছে

আপডেট সময় ১১:৫৮:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ জুলাই ২০২৫

তেহরানে আয়োজিত মহররমের উচ্চ পর্যায়ের বার্ষিক অনুষ্ঠানে এ বছর উপস্থিত ছিলেন না ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। প্রতি বছর এই আয়োজনে নিয়মিত অংশ নেওয়া খামেনির অনুপস্থিতি দেশজুড়ে প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। বিশেষত, ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান সংঘাতের সময় এই ধরনের অনুপস্থিতি গভীরতর উদ্বেগ এবং জল্পনার জন্ম দিয়েছে।

জানা গেছে, খামেনি প্রায় ২২ দিন ধরে জনসমক্ষে আসেননি। ইসরায়েলি হামলায় নিহত শীর্ষ সেনা কর্মকর্তাদের জানাজাতেও তিনি অংশ নেননি—যা সাধারণত তাঁর প্রোটোকলের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

যদিও ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমগুলো তাঁর অনুপস্থিতি নিয়ে সরাসরি কিছু বলেনি, বরং প্রচারের ভাষা ও দৃশ্যায়নে বিষয়টিকে ‘স্বাভাবিক’ দেখানোর চেষ্টা চালিয়েছে।

তবে বিবিসি পার্সিয়ান এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, আয়াতুল্লাহ খামেনির এই দীর্ঘ অনুপস্থিতি ইঙ্গিত দেয় যে তিনি হয়তো এখনো ঝুঁকির মুখে আছেন, এবং তাঁর নিরাপত্তা নিয়ে জোর উদ্বেগ রয়েছে।

এদিকে, ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ স্পষ্ট ভাষায় চ্যানেল ১৩-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন:

“আমরা খামেনিকে হত্যা করতে চেয়েছিলাম, কিন্তু কার্যকর কোনো সুযোগ আসেনি।”

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু আরও একধাপ এগিয়ে বলেন:

“খামেনিকে হত্যা করা গেলে এই যুদ্ধের অবসান হতে পারে।”

এই আলোচনার পেছনে যুক্ত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি বিতর্কিত মন্তব্য। তিনি বলেন,

“আমি জানি আয়াতুল্লাহ খামেনি কোথায় লুকিয়ে আছেন। কিন্তু এখনই তাকে হত্যা করার কোনো পরিকল্পনা নেই।”

এর আগেই রয়টার্স জানায়, ইসরায়েল খামেনিকে হত্যার পরিকল্পনা করেছিল, তবে ট্রাম্প সেই পরিকল্পনায় ভেটো দিয়েছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতা রক্ষার স্বার্থে।