ঢাকা , মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ইয়াবা সেবনের অভিযোগে আলোচনায় বিএনপি নেতা সাইদুর রহমান ‘কালিমা’-কে সম্মান দেখিয়ে বিশ্বকাপে মাটিতে নামানো হয়নি সৌদির পতাকা রেল যোগাযোগের আওতায় আসছে মেহেরপুরসহ আরও ১০ জেলা গোপনে বিয়ে করে লাপাত্তা ছাত্রদল নেতা ইতিহাস বলছে, আলজেরিয়ার বিপক্ষে হারবে আর্জেন্টিনা চাঞ্চল্য ছড়াল মেয়র মামদানির বক্তব্য, ফাঁস করলেন ‘গোপন খবর’ ‘ব্রাজেন্টিনা’য় দেখা যাবে অন্য এক জামালকে পদ্মা রেলসেতুর পিলারের নিচ থেকে মাটি কেটে নেওয়া হয়েছে, বিষয়টা এ রকম না: সেতুমন্ত্রী পবিত্র ‘কালিমা’-কে সম্মান দেখিয়ে বিশ্বকাপে মাটিতে নামানো হয়নি সৌদির পতাকা ঢাকায় ট্রাকের ধাক্কায় প্রাণ গেল জুলাইযোদ্ধা জোবায়েরের

নির্বাচনে থাকবে এক লাখ সেনাসদস্য, প্রথমবারের মতো ভোটকেন্দ্রের আঙিনা পর্যন্ত দেবে টহল

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৩:২৪:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১১৭ বার পড়া হয়েছে

আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে সুষ্ঠু ও নির্বিঘ্ন পরিবেশ নিশ্চিত করতে এক লাখ সেনাসদস্য মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সেনাসদর। আগের নির্বাচনে যেখানে সর্বোচ্চ ৪০৪২ হাজার সদস্য স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে দূরবর্তী এলাকায় অবস্থান করতেন, সেখানে এবার প্রথমবারের মতো ভোটকেন্দ্রের আঙিনা পর্যন্ত টহলের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। ভোটারদের নিরাপদে কেন্দ্রে যাতায়াত ও আস্থা ফিরিয়ে আনতেই বাড়তি এই মোতায়েন জোরদার করা হয়েছে, যা ২০ জানুয়ারি থেকে কার্যকর রয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর গুলিস্তানে রোলার স্কেটিং কমপ্লেক্সে ইন এইড টু সিভিল পাওয়ারের আওতায় নিয়োজিত সেনাবাহিনীর কার্যক্রম সম্পর্কিত বিষয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান সেনাসদরের সামরিক অপারেশন্স পরিদপ্তরের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল দেওয়ান মোহাম্মদ মনজুর হোসেন।

এবারের নির্বাচনে কেন বাড়তি সেনাসদস্য মোতায়েন এমন প্রশ্নের জবাবে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল দেওয়ান মনজুর বলেন, আগের নির্বাচনগুলোতে আমরা সর্বোচ্চ ৪০৪২ হাজার সদস্য মোতায়েন করেছি। এখন প্রশ্ন হচ্ছেএবার এক লাখ সদস্য কেন মোতায়েন করা হয়েছে। অন্যান্য নির্বাচন থেকে এবারের নির্বাচনে আমাদের সদস্য মোতায়েনের পার্থক্য হচ্ছে, এবার ভোটকেন্দ্রের আঙিনা পর্যন্ত অনুমতি দেওয়া হয়েছে। আগের নির্বাচনগুলোতে এই অনুমতি ছিল না। আগের নির্বাচনগুলোতে আমরা স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে দূরবর্তী জায়গায় অবস্থান করেছি। এবার সাধারণ ভোটাররা যেন নির্বিঘ্নে ভোট কেন্দ্রে যেতে পারেন, সেটা মাথায় রেখে সেনাবাহিনী প্রধান ন্যূনতম প্রয়োজনীয় সেনাসদস্যদের রেখে বাকি সব সেনাসদস্যকে নিয়োগ করেছেন সুষ্ঠু ইলেকশন করার জন্য।

তিনি বলেন, যে কারণে আমরা চেষ্টা করছি, আমাদের যে প্রয়োজনীয় যানবাহন অপ্রতুল, আমরা অসামারিক প্রশাসনের কাছে সাহায্য চেয়েছি যেন তারা রিকুইজিশন করে আমাদের গাড়ি দেয়। সেটাও যখন দিতে পারছে না তখন আমরা গাড়ি হায়ার করে হলেও সেনাসদস্যরা যাতে টহল দিতে পারে সে ব্যবস্থা করা হচ্ছে। সেনাসদস্যরা প্রস্তুত এটার জন্য, অক্লান্ত পরিশ্রম করছেন দিনরাত টহল পরিচালনা করছেন, শুধুমাত্র ভোটারদের আস্থার জায়গাটা ফিরিয়ে আনার জন্য। এটা জোরদার করা হয়েছে গত ২০ জানুয়ারি থেকে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ইয়াবা সেবনের অভিযোগে আলোচনায় বিএনপি নেতা সাইদুর রহমান

নির্বাচনে থাকবে এক লাখ সেনাসদস্য, প্রথমবারের মতো ভোটকেন্দ্রের আঙিনা পর্যন্ত দেবে টহল

আপডেট সময় ০৩:২৪:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে সুষ্ঠু ও নির্বিঘ্ন পরিবেশ নিশ্চিত করতে এক লাখ সেনাসদস্য মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সেনাসদর। আগের নির্বাচনে যেখানে সর্বোচ্চ ৪০৪২ হাজার সদস্য স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে দূরবর্তী এলাকায় অবস্থান করতেন, সেখানে এবার প্রথমবারের মতো ভোটকেন্দ্রের আঙিনা পর্যন্ত টহলের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। ভোটারদের নিরাপদে কেন্দ্রে যাতায়াত ও আস্থা ফিরিয়ে আনতেই বাড়তি এই মোতায়েন জোরদার করা হয়েছে, যা ২০ জানুয়ারি থেকে কার্যকর রয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর গুলিস্তানে রোলার স্কেটিং কমপ্লেক্সে ইন এইড টু সিভিল পাওয়ারের আওতায় নিয়োজিত সেনাবাহিনীর কার্যক্রম সম্পর্কিত বিষয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান সেনাসদরের সামরিক অপারেশন্স পরিদপ্তরের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল দেওয়ান মোহাম্মদ মনজুর হোসেন।

এবারের নির্বাচনে কেন বাড়তি সেনাসদস্য মোতায়েন এমন প্রশ্নের জবাবে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল দেওয়ান মনজুর বলেন, আগের নির্বাচনগুলোতে আমরা সর্বোচ্চ ৪০৪২ হাজার সদস্য মোতায়েন করেছি। এখন প্রশ্ন হচ্ছেএবার এক লাখ সদস্য কেন মোতায়েন করা হয়েছে। অন্যান্য নির্বাচন থেকে এবারের নির্বাচনে আমাদের সদস্য মোতায়েনের পার্থক্য হচ্ছে, এবার ভোটকেন্দ্রের আঙিনা পর্যন্ত অনুমতি দেওয়া হয়েছে। আগের নির্বাচনগুলোতে এই অনুমতি ছিল না। আগের নির্বাচনগুলোতে আমরা স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে দূরবর্তী জায়গায় অবস্থান করেছি। এবার সাধারণ ভোটাররা যেন নির্বিঘ্নে ভোট কেন্দ্রে যেতে পারেন, সেটা মাথায় রেখে সেনাবাহিনী প্রধান ন্যূনতম প্রয়োজনীয় সেনাসদস্যদের রেখে বাকি সব সেনাসদস্যকে নিয়োগ করেছেন সুষ্ঠু ইলেকশন করার জন্য।

তিনি বলেন, যে কারণে আমরা চেষ্টা করছি, আমাদের যে প্রয়োজনীয় যানবাহন অপ্রতুল, আমরা অসামারিক প্রশাসনের কাছে সাহায্য চেয়েছি যেন তারা রিকুইজিশন করে আমাদের গাড়ি দেয়। সেটাও যখন দিতে পারছে না তখন আমরা গাড়ি হায়ার করে হলেও সেনাসদস্যরা যাতে টহল দিতে পারে সে ব্যবস্থা করা হচ্ছে। সেনাসদস্যরা প্রস্তুত এটার জন্য, অক্লান্ত পরিশ্রম করছেন দিনরাত টহল পরিচালনা করছেন, শুধুমাত্র ভোটারদের আস্থার জায়গাটা ফিরিয়ে আনার জন্য। এটা জোরদার করা হয়েছে গত ২০ জানুয়ারি থেকে।