ঢাকা , শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬, ২৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
শেষ আবদার পূরণ হলো না: পিআইসিইউতে বাবার সামনে পানির জন্য কাঁদতে কাঁদতেই নিভে গেল আকিরা বাউফলে তিনটি বসতঘর পুড়ে ছাই, প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি ইরানের হরমুজ নিয়ন্ত্রণ: ক্রিপ্টোতে টোল আদায়, ব্যারেল প্রতি গুনতে হবে ১ ডলার মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রীর সাক্ষাৎ, ফের খুলছে শ্রমবাজার আবু সাঈদের মরদেহে গুলির অস্তিত্ব প্রমাণ হয়নি: আসামিপক্ষের আইনজীবী হেলিকপ্টারে গিয়ে নয়, নিজ কক্ষে বসেই দেখব কোন স্কুলে কী হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী ভোট বর্জন করলেন শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক মজবুত করতে রাশিয়ান দূতাবাসে মাওলানা মামুনুল হক এই সরকারের অধীনে প্রথম নির্বাচনেই কারচুপি-অনিয়ম ঘটছে: পরওয়ার ‘জঙ্গি এমপি’ অপবাদে খেলাফত মজলিসের সংসদ সদস্যের বিশেষ অধিকারের নোটিশ

একে কেবল লড়াই বলা ঠিক নয়, এটি ইরানের বিরুদ্ধে চালানো একটি বিনা উসকানিতে আগ্রাসন: আরাঘচি

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৩:০৫:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬
  • ৪৩ বার পড়া হয়েছে

এবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক অভিযানে শত শত নিরপরাধ ইরানি বেসামরিক নাগরিক নিহত হওয়ার ঘটনায় জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের ভূমিকার তীব্র সমালোচনা করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। আজ শনিবার (৭ মার্চ) এই অবৈধ ও উসকানিমূলক যুদ্ধের বিরুদ্ধে জাতিসংঘকে তার আইনি ও নৈতিক দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে আরাঘচি জাতিসংঘ মহাসচিবের সাম্প্রতিক উদ্বেগের জবাব দেন। গুতেরেস এই সংঘাতের ফলে বিশ্ব অর্থনীতির মারাত্মক ঝুঁকি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে লড়াই বন্ধের আহ্বান জানিয়েছিলেন। এর প্রতিবাদে আরাঘচি বলেন, ‘একে কেবল লড়াই বলা ঠিক নয়, এটি দুটি পারমাণবিক শক্তিধর দেশের পক্ষ থেকে ইরানের বিরুদ্ধে চালানো একটি বিনা উসকানিতে আগ্রাসন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাঘচি বিশ্ব অর্থনীতির চেয়ে মানবিক বিপর্যয়ের দিকে নজর দেওয়ার দাবি জানিয়ে বলেন, আপনি বিশ্ব অর্থনীতির ঝুঁকি নিয়ে চিন্তিত কিন্তু গত ৭ দিনে মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলায় নিহত নিরপরাধ বেসামরিক নাগরিকদের কী হবে? মিনাব শহরেই ১৭৫ জনছোট দেবদূত’ (শিশু) প্রাণ হারিয়েছে। তিনি আরও বলেন, ইরান গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক আলোচনায় ব্যস্ত থাকাবস্থায় গত নয় মাসের মধ্যে দ্বিতীয়বারের মতো এই হামলা চালানো হয়।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সৈয়দ আলী খামেনি এবং শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তাদের হত্যাকাণ্ডের পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে এই প্রাণঘাতী সামরিক অভিযান শুরু করে। এই অভিযানে সামরিক ও বেসামরিক উভয় এলাকায় ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালানো হয়েছে। পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে ইরানি সশস্ত্র বাহিনীও অধিকৃত অঞ্চল এবং মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে মার্কিন ও ইসরায়েলি লক্ষ্যবস্তুগুলোতে ঝাঁকে ঝাঁকে মিসাইল ও ড্রোন দিয়ে কঠোর প্রতিশোধমূলক হামলা চালিয়েছে। সূত্র: তাসনিম নিউজ এজেন্সি

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

শেষ আবদার পূরণ হলো না: পিআইসিইউতে বাবার সামনে পানির জন্য কাঁদতে কাঁদতেই নিভে গেল আকিরা

একে কেবল লড়াই বলা ঠিক নয়, এটি ইরানের বিরুদ্ধে চালানো একটি বিনা উসকানিতে আগ্রাসন: আরাঘচি

আপডেট সময় ০৩:০৫:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬

এবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক অভিযানে শত শত নিরপরাধ ইরানি বেসামরিক নাগরিক নিহত হওয়ার ঘটনায় জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের ভূমিকার তীব্র সমালোচনা করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। আজ শনিবার (৭ মার্চ) এই অবৈধ ও উসকানিমূলক যুদ্ধের বিরুদ্ধে জাতিসংঘকে তার আইনি ও নৈতিক দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে আরাঘচি জাতিসংঘ মহাসচিবের সাম্প্রতিক উদ্বেগের জবাব দেন। গুতেরেস এই সংঘাতের ফলে বিশ্ব অর্থনীতির মারাত্মক ঝুঁকি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে লড়াই বন্ধের আহ্বান জানিয়েছিলেন। এর প্রতিবাদে আরাঘচি বলেন, ‘একে কেবল লড়াই বলা ঠিক নয়, এটি দুটি পারমাণবিক শক্তিধর দেশের পক্ষ থেকে ইরানের বিরুদ্ধে চালানো একটি বিনা উসকানিতে আগ্রাসন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাঘচি বিশ্ব অর্থনীতির চেয়ে মানবিক বিপর্যয়ের দিকে নজর দেওয়ার দাবি জানিয়ে বলেন, আপনি বিশ্ব অর্থনীতির ঝুঁকি নিয়ে চিন্তিত কিন্তু গত ৭ দিনে মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলায় নিহত নিরপরাধ বেসামরিক নাগরিকদের কী হবে? মিনাব শহরেই ১৭৫ জনছোট দেবদূত’ (শিশু) প্রাণ হারিয়েছে। তিনি আরও বলেন, ইরান গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক আলোচনায় ব্যস্ত থাকাবস্থায় গত নয় মাসের মধ্যে দ্বিতীয়বারের মতো এই হামলা চালানো হয়।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সৈয়দ আলী খামেনি এবং শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তাদের হত্যাকাণ্ডের পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে এই প্রাণঘাতী সামরিক অভিযান শুরু করে। এই অভিযানে সামরিক ও বেসামরিক উভয় এলাকায় ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালানো হয়েছে। পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে ইরানি সশস্ত্র বাহিনীও অধিকৃত অঞ্চল এবং মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে মার্কিন ও ইসরায়েলি লক্ষ্যবস্তুগুলোতে ঝাঁকে ঝাঁকে মিসাইল ও ড্রোন দিয়ে কঠোর প্রতিশোধমূলক হামলা চালিয়েছে। সূত্র: তাসনিম নিউজ এজেন্সি