ঢাকা , রবিবার, ১০ মে ২০২৬, ২৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
দ্বিতীয়বার বিয়ের ৪ মাস না যেতে আবারও বিচ্ছেদ, যা বললেন স্ত্রী সাবিকুন্নাহার অস্ত্র কিংবা ছুরি নয়, রক্তভর্তি সিরিঞ্জ নিয়ে ছিনতাই গাজীপুরে পাঁচ খুন: ঘটনাস্থলে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়লেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ভয় ধরাচ্ছে নতুন হান্টাভাইরাস, যা বলছে ডব্লিউএইচও গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না হলে রাজপথে নামবে এনসিপি’ দেশকে ধ্বংসস্তূপ থেকে টেনে তোলাই বিএনপির নতুন চ্যালেঞ্জ: মির্জা ফখরুল স্কুলশিক্ষার্থী নাহিদের সন্ধান চায় পরিবার পরকীয়ার জেরে যুবককে হত্যা করে পুঁতে রাখলো মাটিতে, দম্পতি আটক বিপর্যয়ের পর শক্তিশালী রাজনৈতিক মঞ্চ গঠনের ডাক মমতার ছেলের ‘দায়’ মেটাতে বৃদ্ধ বাবাকে গাছে বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগ

বাসস্ট্যান্ড দখল নিয়ে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, আহত ৮

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৫:১৯:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬
  • ৭৬ বার পড়া হয়েছে

ঢাকার South Keraniganj–এর তেঘরিয়া বাসস্ট্যান্ড দখলকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত আটজন আহত হয়েছেন। বুধবার (৬ মে) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে এ সংঘর্ষের সময় চার থেকে পাঁচটি হাতবোমার বিস্ফোরণও ঘটে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ঢাকা জেলা দক্ষিণ ছাত্রদলের এক প্রভাবশালী নেতা ও স্থানীয় বিএনপি নেতা Rifat Molla–র গ্রুপের মধ্যে আধিপত্য বিস্তার ও বাসস্ট্যান্ড নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে এ সংঘর্ষ বাধে। ঘটনার পর এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

আহতদের মধ্যে রয়েছেন আবদুল মালেক গাজী, শাহীন মিয়া, সাজ্জাদ হোসেন ও মাহমুদ হাসান। শাহীন মিয়াকে ছুরিকাঘাত করা হয়েছে বলে জানা গেছে। তাকে কেরানীগঞ্জের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এছাড়া সাজ্জাদ হোসেনের চোখে গুরুতর আঘাত লেগেছে।

আহত আবদুল মালেক গাজীর দাবি, ৫ আগস্টের পর থেকে তেঘরিয়া বাসস্ট্যান্ড একটি ছাত্রদল নেতার নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং সেখানে চাঁদাবাজি চলছে। অন্যদিকে দক্ষিণবঙ্গ বাস কাউন্টারের ম্যানেজার বিশাল হোসেন অভিযোগ করেন, রিফাত মোল্লার লোকজন প্রতিদিন বাসস্ট্যান্ডে এসে যাত্রীদের হয়রানি করত।

ঘটনার পর বাসস্ট্যান্ড পরিদর্শনে যান দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা বিএনপির সভাপতি ও স্থানীয় সংসদ সদস্য Nipun Roy Chowdhury। তিনি বলেন, “রিফাত মোল্লার নেতৃত্বে বিএনপির নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। কেরানীগঞ্জে কোনো চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীদের স্থান হবে না।” তিনি পুলিশকে মামলা করে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে রিফাত মোল্লাকে গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেওয়ার কথাও জানান।

তবে রিফাত মোল্লা পাল্টা অভিযোগ করে বলেন, তার লোকজনের ওপর হামলা করেছে চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীরা। থানায় অভিযোগ করতে গেলে বিএনপির নামধারী লোকজন তার ওপর হামলা চালায় বলেও দাবি করেন তিনি।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

দ্বিতীয়বার বিয়ের ৪ মাস না যেতে আবারও বিচ্ছেদ, যা বললেন স্ত্রী সাবিকুন্নাহার

বাসস্ট্যান্ড দখল নিয়ে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, আহত ৮

আপডেট সময় ০৫:১৯:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬

ঢাকার South Keraniganj–এর তেঘরিয়া বাসস্ট্যান্ড দখলকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত আটজন আহত হয়েছেন। বুধবার (৬ মে) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে এ সংঘর্ষের সময় চার থেকে পাঁচটি হাতবোমার বিস্ফোরণও ঘটে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ঢাকা জেলা দক্ষিণ ছাত্রদলের এক প্রভাবশালী নেতা ও স্থানীয় বিএনপি নেতা Rifat Molla–র গ্রুপের মধ্যে আধিপত্য বিস্তার ও বাসস্ট্যান্ড নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে এ সংঘর্ষ বাধে। ঘটনার পর এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

আহতদের মধ্যে রয়েছেন আবদুল মালেক গাজী, শাহীন মিয়া, সাজ্জাদ হোসেন ও মাহমুদ হাসান। শাহীন মিয়াকে ছুরিকাঘাত করা হয়েছে বলে জানা গেছে। তাকে কেরানীগঞ্জের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এছাড়া সাজ্জাদ হোসেনের চোখে গুরুতর আঘাত লেগেছে।

আহত আবদুল মালেক গাজীর দাবি, ৫ আগস্টের পর থেকে তেঘরিয়া বাসস্ট্যান্ড একটি ছাত্রদল নেতার নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং সেখানে চাঁদাবাজি চলছে। অন্যদিকে দক্ষিণবঙ্গ বাস কাউন্টারের ম্যানেজার বিশাল হোসেন অভিযোগ করেন, রিফাত মোল্লার লোকজন প্রতিদিন বাসস্ট্যান্ডে এসে যাত্রীদের হয়রানি করত।

ঘটনার পর বাসস্ট্যান্ড পরিদর্শনে যান দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা বিএনপির সভাপতি ও স্থানীয় সংসদ সদস্য Nipun Roy Chowdhury। তিনি বলেন, “রিফাত মোল্লার নেতৃত্বে বিএনপির নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। কেরানীগঞ্জে কোনো চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীদের স্থান হবে না।” তিনি পুলিশকে মামলা করে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে রিফাত মোল্লাকে গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেওয়ার কথাও জানান।

তবে রিফাত মোল্লা পাল্টা অভিযোগ করে বলেন, তার লোকজনের ওপর হামলা করেছে চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীরা। থানায় অভিযোগ করতে গেলে বিএনপির নামধারী লোকজন তার ওপর হামলা চালায় বলেও দাবি করেন তিনি।