হচ্ছে না নতুন বিনিয়োগ, জ্বালানি সংকটে উৎপাদনে থাকা কারখানাগুলোরও বেহাল দশা। এমন সময়ই সুখবর এলো দেশের রপ্তানি খাতে। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো, ইপিবির তথ্য বলছে, চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে রপ্তানি আয় এসেছে সাড়ে ৭ বিলিয়ন ডলার; যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে ৫ দশমিক ১২ শতাংশ বেশি। আয়ের প্রায় পুরোটাই এসেছে তৈরি পোশাক খাত থেকে। জুলাইয়ে এ খাত থেকে রপ্তানি কিছুটা কমলেও আগস্টে বেড়েছে প্রায় ১৪ শতাংশ।
বিজিএমইএ সাবেক পরিচালক মহিউদ্দিন রুবেল বলেন, জ্বালানি ছাড়া আপনি কোন ইন্ডাস্ট্রি চালাতে পারবেন না ভালোমতো। তার ওপরে গার্মেন্টস সেক্টর তো অবশ্যই। শিল্পখাত অবশ্যই একটা বড় ব্যাপার। এমন একটি উপায় বের করা দরকার, যাতে মালিকরা প্ল্যান করতে পারে এবং মিনিমামটা তারা যাতে অর্জন করতে পারে।
এই অর্থনীতিবিদের মতে, ট্রাম্প প্রশাসনের বাড়তি শুল্কনীতির কারণে রপ্তানিতে যে মন্দাভাব ছিল, মার্কিন বাজারে তা কাটিয়ে উঠতে শুরু করেছে দেশ। তবে টেকসই অর্থনিতির স্বার্থে একক খাতের ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে রপ্তানি বহুমুখীকরণের পরামর্শ তার।
অর্থনীতিবিদ মাশরুর রিয়াজ বলেন, বাংলাদেশসহ আরও বেশ কিছু দেশের ওপর অ্যাডিশনাল ট্যারিফ কি ৩৭ থাকবে, নাকি ১৯ হবে বা ১০ হবে—এই অনিশ্চয়তা এবং সামনের দিনে ব্যয়বহুল হতে পারে বাংলাদেশ থেকে ইম্পোর্ট করা। একটা যে ডিসলোকেশন সেখান থেকে গার্মেন্টস অর্ডার কিন্তু কিছু হলেও পড়ে গেছে। সেই তুলনায় এখন নিশ্চিয়তা আছে, কারণ ইউএস ট্যারিফ রেসিপ্রোকাল ট্যারিফ আর নেই। অন্য ট্যারিফ আছে, তেব যেটিই আছে, এটির নিশ্চয়তা আছে। তার মতে, চলতি অর্থবছরের শুরুটা ইতিবাচক হলেও আগামী মাসগুলোতে বৈশ্বিক চড়া মূল্যস্ফীতি ও ভূরাজনৈতিক সংকট চ্যালেঞ্জ তৈরি করবে দেশের রপ্তানি খাতে।

ডেস্ক রিপোর্ট 
























