ঢাকা , বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
গত ৮ মাস দেশেই পালিয়ে ছিলেন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোমেন, পরে পাড়ি জমান যুক্তরাষ্ট্রে ফিফা বিশ্বকাপ ট্রফি আজ বাংলাদেশে আসছে ‘গ্রিনল্যান্ডের জনগণ রাশিয়ায় যোগ দেওয়ার পক্ষে ভোট দিতে পারে’ একটি দল ফ্যামিলি কার্ডের কথা বললেও টাকা কোথা থেকে আসবে বলছে না: নাহিদ বাংলাদেশ পরিস্থিতিতে নিবিড় নজর ভারতের, সামরিক যোগাযোগের সব চ্যানেল খোলা: সেনাপ্রধান উপেন্দ্র দ্বিবেদী গ্রিল কেটে বাসায় ঢুকে জামায়াত নেতাকে খুন, টাকা-স্বর্ণ লুট জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটে যোগ দেওয়ায় এবি পার্টির সমর্থকদের কাছে ক্ষমা চাইলেন মঞ্জু গণভোটে ‘না’ পাস হলে গণঅভ্যুত্থান ব্যর্থ হবে: নাহিদ ইসলাম বাংলাদেশের সিদ্ধান্তকে পুনর্বিবেচনার অনুরোধ আইসিসির, অনড় বিসিবি বিএনপি নেতা ডাবলুর মৃত্যু, সেনাপ্রধানের হস্তক্ষেপ চাইলেন ফখরুল

ছাত্রের মাকে কুপ্রস্তা, জামায়াত নেতা সাময়িক বহিষ্কার

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০১:৫৬:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ২৫৬ বার পড়া হয়েছে

এবার ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার রানাপাশা ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আমির হাফেজ নুরুল্লাহকে সংগঠন থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। প্রমাণিত হলে তাকে স্থায়ী বহিষ্কার করা হবে। রোববার (৭ ডিসেম্বর) দুপুর ১২টায় জেলা জামায়াতের আমির অ্যাডভোকেট হাফিজুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে শনিবার (৬ ডিসেম্বর) জেলা জামায়াত সাংগঠনিকভাবে তদন্ত করার পর তাকে বহিষ্কারের ঘোষণা দেয়। নুরুল্লাহ উপজেলার তেঁতুলবাড়িয়া গ্রামের মাওলানা আমজাদ হোসেনের ছেলে। তিনি ঝালকাঠি সদর উপজেলার একটি মাদ্রাসার শিক্ষক।

অভিযোগ ওঠে, নুরুল্লাহ যে মাদ্রাসায় চাকরি করেন সেখানে তিনি এক শিক্ষার্থীর মায়ের মোবাইলে আপত্তিকর মেসেজ পাঠান। এ নিয়ে শিক্ষার্থীর স্বজনরা তাকে মারধর করেন। সেখানে জবানবন্দির কিছু অংশ একটি ফেসবুক আইডি থেকে ভিডিও আকারে প্রকাশ হলে তা দ্রুত সামাজিকমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। পরে ভিডিওটি আবার ডিলিট করা হয়। অ্যাডভোকেট হাফিজুর রহমান বলেন, অভিযুক্ত নুরুল্লাহকে দল থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। প্রমাণিত হলে তাকে স্থায়ী বহিষ্কার করা হবে।

জানতে চাইলে হাফেজ নুরুল্লাহ বলেন, আমি যে মাদ্রাসায় চাকরি করি ওই মাদরাসার মালিকের সঙ্গে স্থানীয়দের মামলা চলে। ওই মামলার জেরে গত ২৮ তারিখ রাতে আমাকে তারা জোর করে একটি ঘরে আটকে রেখে মারধর করে ৫ লাখ টাকা দাবি করে। তারা আমার এটিএম কার্ড নিয়ে রাতেই ৩০ হাজার টাকা নিয়ে যায় এবং পরে বিকাশের মাধ্যমে আরও সাড়ে ১১ হাজার টাকা মোট ৪১ হাজার ৫০০ টাকা নিয়ে যায়। তিনি আরও বলেন, এটাকে ধামাচাপা দেওয়ার জন্য আমাকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে এসব ঘটনা রটিয়েছেন।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

গত ৮ মাস দেশেই পালিয়ে ছিলেন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোমেন, পরে পাড়ি জমান যুক্তরাষ্ট্রে

ছাত্রের মাকে কুপ্রস্তা, জামায়াত নেতা সাময়িক বহিষ্কার

আপডেট সময় ০১:৫৬:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২৫

এবার ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার রানাপাশা ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আমির হাফেজ নুরুল্লাহকে সংগঠন থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। প্রমাণিত হলে তাকে স্থায়ী বহিষ্কার করা হবে। রোববার (৭ ডিসেম্বর) দুপুর ১২টায় জেলা জামায়াতের আমির অ্যাডভোকেট হাফিজুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে শনিবার (৬ ডিসেম্বর) জেলা জামায়াত সাংগঠনিকভাবে তদন্ত করার পর তাকে বহিষ্কারের ঘোষণা দেয়। নুরুল্লাহ উপজেলার তেঁতুলবাড়িয়া গ্রামের মাওলানা আমজাদ হোসেনের ছেলে। তিনি ঝালকাঠি সদর উপজেলার একটি মাদ্রাসার শিক্ষক।

অভিযোগ ওঠে, নুরুল্লাহ যে মাদ্রাসায় চাকরি করেন সেখানে তিনি এক শিক্ষার্থীর মায়ের মোবাইলে আপত্তিকর মেসেজ পাঠান। এ নিয়ে শিক্ষার্থীর স্বজনরা তাকে মারধর করেন। সেখানে জবানবন্দির কিছু অংশ একটি ফেসবুক আইডি থেকে ভিডিও আকারে প্রকাশ হলে তা দ্রুত সামাজিকমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। পরে ভিডিওটি আবার ডিলিট করা হয়। অ্যাডভোকেট হাফিজুর রহমান বলেন, অভিযুক্ত নুরুল্লাহকে দল থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। প্রমাণিত হলে তাকে স্থায়ী বহিষ্কার করা হবে।

জানতে চাইলে হাফেজ নুরুল্লাহ বলেন, আমি যে মাদ্রাসায় চাকরি করি ওই মাদরাসার মালিকের সঙ্গে স্থানীয়দের মামলা চলে। ওই মামলার জেরে গত ২৮ তারিখ রাতে আমাকে তারা জোর করে একটি ঘরে আটকে রেখে মারধর করে ৫ লাখ টাকা দাবি করে। তারা আমার এটিএম কার্ড নিয়ে রাতেই ৩০ হাজার টাকা নিয়ে যায় এবং পরে বিকাশের মাধ্যমে আরও সাড়ে ১১ হাজার টাকা মোট ৪১ হাজার ৫০০ টাকা নিয়ে যায়। তিনি আরও বলেন, এটাকে ধামাচাপা দেওয়ার জন্য আমাকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে এসব ঘটনা রটিয়েছেন।