ঢাকা , শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
কুবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা, নেতৃত্বে দেড় যুগ আগের শিক্ষার্থী আফগানিস্তানে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের স্মার্টফোন নিষিদ্ধ করল তালেবান এনসিপি নেতার বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ, থানায় জিডি মোহাম্মদপুরে বিএনপি নেতা নূর ইসলামকে কুপিয়ে জখম ৫৩ বছরের পুরোনো বিদ্যালয়ের নাম বদলে নিজ নামের প্রস্তাব প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের লেবানন সংঘাত বন্ধের নিশ্চয়তা ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় ফিরবে না ইরান পতাকা কেনার টাকা ছিল না, পলিথিনেই আঁকল আর্জেন্টিনার স্বপ্ন; পাশে দাঁড়াল ফ্যান ক্লাব জামায়াতে কেন এত ‘স্লিপ অব টাং’? মুখ খুললেই নতুন বিতর্ক প্রধানমন্ত্রীর একজন সহকর্মী রয়েছেন, যাকে “সর্বমন্ত্রী” বলা হয় ‘ভারতে প্রবেশের পর থেকে’ নিখোঁজ ডিপজল

ছাত্রের মাকে কুপ্রস্তা, জামায়াত নেতা সাময়িক বহিষ্কার

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০১:৫৬:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৩৫৩ বার পড়া হয়েছে

এবার ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার রানাপাশা ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আমির হাফেজ নুরুল্লাহকে সংগঠন থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। প্রমাণিত হলে তাকে স্থায়ী বহিষ্কার করা হবে। রোববার (৭ ডিসেম্বর) দুপুর ১২টায় জেলা জামায়াতের আমির অ্যাডভোকেট হাফিজুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে শনিবার (৬ ডিসেম্বর) জেলা জামায়াত সাংগঠনিকভাবে তদন্ত করার পর তাকে বহিষ্কারের ঘোষণা দেয়। নুরুল্লাহ উপজেলার তেঁতুলবাড়িয়া গ্রামের মাওলানা আমজাদ হোসেনের ছেলে। তিনি ঝালকাঠি সদর উপজেলার একটি মাদ্রাসার শিক্ষক।

অভিযোগ ওঠে, নুরুল্লাহ যে মাদ্রাসায় চাকরি করেন সেখানে তিনি এক শিক্ষার্থীর মায়ের মোবাইলে আপত্তিকর মেসেজ পাঠান। এ নিয়ে শিক্ষার্থীর স্বজনরা তাকে মারধর করেন। সেখানে জবানবন্দির কিছু অংশ একটি ফেসবুক আইডি থেকে ভিডিও আকারে প্রকাশ হলে তা দ্রুত সামাজিকমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। পরে ভিডিওটি আবার ডিলিট করা হয়। অ্যাডভোকেট হাফিজুর রহমান বলেন, অভিযুক্ত নুরুল্লাহকে দল থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। প্রমাণিত হলে তাকে স্থায়ী বহিষ্কার করা হবে।

জানতে চাইলে হাফেজ নুরুল্লাহ বলেন, আমি যে মাদ্রাসায় চাকরি করি ওই মাদরাসার মালিকের সঙ্গে স্থানীয়দের মামলা চলে। ওই মামলার জেরে গত ২৮ তারিখ রাতে আমাকে তারা জোর করে একটি ঘরে আটকে রেখে মারধর করে ৫ লাখ টাকা দাবি করে। তারা আমার এটিএম কার্ড নিয়ে রাতেই ৩০ হাজার টাকা নিয়ে যায় এবং পরে বিকাশের মাধ্যমে আরও সাড়ে ১১ হাজার টাকা মোট ৪১ হাজার ৫০০ টাকা নিয়ে যায়। তিনি আরও বলেন, এটাকে ধামাচাপা দেওয়ার জন্য আমাকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে এসব ঘটনা রটিয়েছেন।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

কুবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা, নেতৃত্বে দেড় যুগ আগের শিক্ষার্থী

ছাত্রের মাকে কুপ্রস্তা, জামায়াত নেতা সাময়িক বহিষ্কার

আপডেট সময় ০১:৫৬:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২৫

এবার ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার রানাপাশা ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আমির হাফেজ নুরুল্লাহকে সংগঠন থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। প্রমাণিত হলে তাকে স্থায়ী বহিষ্কার করা হবে। রোববার (৭ ডিসেম্বর) দুপুর ১২টায় জেলা জামায়াতের আমির অ্যাডভোকেট হাফিজুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে শনিবার (৬ ডিসেম্বর) জেলা জামায়াত সাংগঠনিকভাবে তদন্ত করার পর তাকে বহিষ্কারের ঘোষণা দেয়। নুরুল্লাহ উপজেলার তেঁতুলবাড়িয়া গ্রামের মাওলানা আমজাদ হোসেনের ছেলে। তিনি ঝালকাঠি সদর উপজেলার একটি মাদ্রাসার শিক্ষক।

অভিযোগ ওঠে, নুরুল্লাহ যে মাদ্রাসায় চাকরি করেন সেখানে তিনি এক শিক্ষার্থীর মায়ের মোবাইলে আপত্তিকর মেসেজ পাঠান। এ নিয়ে শিক্ষার্থীর স্বজনরা তাকে মারধর করেন। সেখানে জবানবন্দির কিছু অংশ একটি ফেসবুক আইডি থেকে ভিডিও আকারে প্রকাশ হলে তা দ্রুত সামাজিকমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। পরে ভিডিওটি আবার ডিলিট করা হয়। অ্যাডভোকেট হাফিজুর রহমান বলেন, অভিযুক্ত নুরুল্লাহকে দল থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। প্রমাণিত হলে তাকে স্থায়ী বহিষ্কার করা হবে।

জানতে চাইলে হাফেজ নুরুল্লাহ বলেন, আমি যে মাদ্রাসায় চাকরি করি ওই মাদরাসার মালিকের সঙ্গে স্থানীয়দের মামলা চলে। ওই মামলার জেরে গত ২৮ তারিখ রাতে আমাকে তারা জোর করে একটি ঘরে আটকে রেখে মারধর করে ৫ লাখ টাকা দাবি করে। তারা আমার এটিএম কার্ড নিয়ে রাতেই ৩০ হাজার টাকা নিয়ে যায় এবং পরে বিকাশের মাধ্যমে আরও সাড়ে ১১ হাজার টাকা মোট ৪১ হাজার ৫০০ টাকা নিয়ে যায়। তিনি আরও বলেন, এটাকে ধামাচাপা দেওয়ার জন্য আমাকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে এসব ঘটনা রটিয়েছেন।