ঢাকা , শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
কুবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা, নেতৃত্বে দেড় যুগ আগের শিক্ষার্থী আফগানিস্তানে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের স্মার্টফোন নিষিদ্ধ করল তালেবান এনসিপি নেতার বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ, থানায় জিডি মোহাম্মদপুরে বিএনপি নেতা নূর ইসলামকে কুপিয়ে জখম ৫৩ বছরের পুরোনো বিদ্যালয়ের নাম বদলে নিজ নামের প্রস্তাব প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের লেবানন সংঘাত বন্ধের নিশ্চয়তা ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় ফিরবে না ইরান পতাকা কেনার টাকা ছিল না, পলিথিনেই আঁকল আর্জেন্টিনার স্বপ্ন; পাশে দাঁড়াল ফ্যান ক্লাব জামায়াতে কেন এত ‘স্লিপ অব টাং’? মুখ খুললেই নতুন বিতর্ক প্রধানমন্ত্রীর একজন সহকর্মী রয়েছেন, যাকে “সর্বমন্ত্রী” বলা হয় ‘ভারতে প্রবেশের পর থেকে’ নিখোঁজ ডিপজল

আফগানিস্তানে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের স্মার্টফোন নিষিদ্ধ করল তালেবান

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৬:৩৩:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের স্মার্টফোন ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছে আফগানিস্তানের তালেবান প্রশাসন। নতুন এই নির্দেশনা অমান্য করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনি ও শরিয়া আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। নির্দেশনা কার্যকরের পর অনেক কর্মকর্তা নিজেদের স্মার্টফোন ধ্বংস করেছেন বলেও জানা গেছে।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, তালেবানের সামরিক আদালত সম্প্রতি একটি নির্দেশনা জারি করেছে, যা চলতি সপ্তাহ থেকে কার্যকর হয়েছে। এতে উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, নিম্নপদস্থ কর্মচারী, মুজাহিদ সদস্য এবং বিভিন্ন সেবাখাতের কর্মীদের জন্য স্মার্টফোন ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, এক তালেবান কর্মকর্তা নিষেধাজ্ঞার আদেশ পাঠ করছেন এবং অপর একজন কর্মকর্তা প্রকাশ্যে একটি স্মার্টফোন ভেঙে ফেলছেন।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, কোনো সরকারি কর্মকর্তা স্মার্টফোন ব্যবহার করতে ধরা পড়লে তার ডিভাইস জব্দ করে ধ্বংস করা হবে। পাশাপাশি তার বিরুদ্ধে আইনগত ও শরিয়া বিধান অনুযায়ী শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তালেবান প্রশাসন আরও জানিয়েছে, এই নিষেধাজ্ঞা থেকে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে অব্যাহতি পেতে হলে দেশটির সর্বোচ্চ নেতা হিবাতুল্লাহ আখুন্দজাদার লিখিত অনুমোদন বা বিশেষ ডিক্রি প্রয়োজন হবে।

দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে আফগানিস্তানের অভ্যন্তরীণ সূত্রের বরাতে বলা হয়েছে, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ভিন্ন ভিন্নভাবে এই নির্দেশনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোথাও এটি শুধু সরকারি কর্মকর্তাদের ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা হচ্ছে, আবার কিছু এলাকায় নারী, বেসামরিক নাগরিক, স্বাস্থ্যকর্মী, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের ওপরও এর প্রভাব পড়ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, তথ্যপ্রযুক্তি ও যোগাযোগ ব্যবস্থার ওপর নিয়ন্ত্রণ জোরদারের অংশ হিসেবেই তালেবান প্রশাসন এ ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে। তবে এ সিদ্ধান্তের ফলে সরকারি কার্যক্রম, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবাসহ বিভিন্ন খাতে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হচ্ছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

কুবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা, নেতৃত্বে দেড় যুগ আগের শিক্ষার্থী

আফগানিস্তানে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের স্মার্টফোন নিষিদ্ধ করল তালেবান

আপডেট সময় ০৬:৩৩:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬

সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের স্মার্টফোন ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছে আফগানিস্তানের তালেবান প্রশাসন। নতুন এই নির্দেশনা অমান্য করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনি ও শরিয়া আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। নির্দেশনা কার্যকরের পর অনেক কর্মকর্তা নিজেদের স্মার্টফোন ধ্বংস করেছেন বলেও জানা গেছে।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, তালেবানের সামরিক আদালত সম্প্রতি একটি নির্দেশনা জারি করেছে, যা চলতি সপ্তাহ থেকে কার্যকর হয়েছে। এতে উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, নিম্নপদস্থ কর্মচারী, মুজাহিদ সদস্য এবং বিভিন্ন সেবাখাতের কর্মীদের জন্য স্মার্টফোন ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, এক তালেবান কর্মকর্তা নিষেধাজ্ঞার আদেশ পাঠ করছেন এবং অপর একজন কর্মকর্তা প্রকাশ্যে একটি স্মার্টফোন ভেঙে ফেলছেন।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, কোনো সরকারি কর্মকর্তা স্মার্টফোন ব্যবহার করতে ধরা পড়লে তার ডিভাইস জব্দ করে ধ্বংস করা হবে। পাশাপাশি তার বিরুদ্ধে আইনগত ও শরিয়া বিধান অনুযায়ী শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তালেবান প্রশাসন আরও জানিয়েছে, এই নিষেধাজ্ঞা থেকে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে অব্যাহতি পেতে হলে দেশটির সর্বোচ্চ নেতা হিবাতুল্লাহ আখুন্দজাদার লিখিত অনুমোদন বা বিশেষ ডিক্রি প্রয়োজন হবে।

দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে আফগানিস্তানের অভ্যন্তরীণ সূত্রের বরাতে বলা হয়েছে, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ভিন্ন ভিন্নভাবে এই নির্দেশনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোথাও এটি শুধু সরকারি কর্মকর্তাদের ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা হচ্ছে, আবার কিছু এলাকায় নারী, বেসামরিক নাগরিক, স্বাস্থ্যকর্মী, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের ওপরও এর প্রভাব পড়ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, তথ্যপ্রযুক্তি ও যোগাযোগ ব্যবস্থার ওপর নিয়ন্ত্রণ জোরদারের অংশ হিসেবেই তালেবান প্রশাসন এ ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে। তবে এ সিদ্ধান্তের ফলে সরকারি কার্যক্রম, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবাসহ বিভিন্ন খাতে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হচ্ছে।