ঢাকা , মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের জন্য বড় সুখবর দিল যুক্তরাষ্ট্র বরযাত্রীর গাড়ি থামিয়ে তুলে নেওয়ার পর দিন ভিডিও বার্তা দিলেন সেই নববধূ রূপপুরের বিদ্যুৎ আসবে নভেম্বরে গ্যাসের সংকট ৭ দিনের মধ্যে কেটে যাবে: রিজভী মক্কা প্যাক্টের ক্ষেত্রে ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতি মানবে সরকার: শামা ওবায়েদ রানা প্লাজা ভবন নির্মাণে দুর্নীতি, সোহেল রানাসহ ৮ জনের রায় আজ অধিনায়ক মেসির বিদায়ে ভেঙে পড়েছেন বিশ্বকাপজয়ী সতীর্থরা অন্তহীন যুদ্ধ থেকে সরে এসে পুতিনকে যুদ্ধ বন্ধের আহ্বান মোদির জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে চায় বিএনপি: তারেক রহমান ধর্ম অবমাননায় সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসির বিধান চায় ‘তাওহীদের জনতা’

‘অপরাধীদের আশ্রয় দিতে দিতে ভারত এশিয়ার ডাস্টবিনে পরিণত হয়েছে’

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৯:২০:০৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৬
  • ২৫৮ বার পড়া হয়েছে

এবার ইসলামী আন্দোলেন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সিনিয়র সহ-সভাপতি খায়রুল আহসান মারজান বলেছেন, ভারত এশিয়ার এমন একটি দেশ যেখানে এশিয়ার সকল খুনি, গণহত্যাকারী, চোরাকারবারি, মাদক ব্যবসায়ী ও দুর্নীতিবাজরা আশ্রয় নেয়। শহীদ ফেলানির হত্যাকারী, জুলাই হত্যাকারী কিংবা শহীদ উসমান হাদির হত্যাকারীরা ভারতের পৃষ্টপোষকতায় ভারতে অবস্থান করে। ফলে অপরাধকারীদের আশ্রয় দিতে দিতে ভারত এশিয়ার ডাস্টবিনে পরিণত হয়েছে।

গতকাল বুধবার (৭ জানুয়ারি) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিতে ফেলানি হত্যা দিবস উপলক্ষে ফেলানী থেকে ওসমান হাদী সকল হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিতের দাবিতে এবং রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক সকল প্রকার আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে আয়োজিত মানববন্ধন থেকে তিনি এ মন্তব্য করেন। কর্মসূচিটি ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের ঢাবি শাখা আয়োজন করে। এতে বিশ্ববিদ্যালয় শাখার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোহাম্মদ আলী সভাপতিত্ব ও সাধারণ সম্পাদক সাইফ মোহাম্মদ আলাউদ্দিন সঞ্চালনা করেন।

এসময় তিনি বলেন, ভারত স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে কখনোই বাংলাদেশকে স্বাধীন স্বার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে ট্রিট করেনি। বরং সবসময় আধিপত্য বিস্তারের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত থেকেছে। দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি, অর্থনীতি ও সাংস্কৃতিকে প্রভাবিত করে এদেশকে অস্থিতিশীল করার পাঁয়তারা করে এসেছে। আর সেই ষড়যন্ত্র ও দেশবিরোধী কর্মকান্ডের সূত্র ধরেই ফেলানী, আবরার ফাহাদ ও জুলাই ম্যাসাকার হয়ে ওসমান হাদি হত্যার ঘটনা ঘটে। আর এসবের পিছনে ভারতীয় আধিপত্যবাদ সবচেয়ে বড় কারণ। তাই এই আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে এই সরকারকেই সবচেয়ে বেশি সরব হতে হবে।

মানববন্ধনে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ঢাবি শাখার সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ ইয়াছিন আরাফাত বলেন, সীমান্ত হত্যা, বিচারবহির্ভূত হত্যা, রাজনৈতিক নিপীড়ন ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা হরণের মধ্য দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে এই অঞ্চলে মানবাধিকার চরমভাবে লঙ্ঘিত হচ্ছে। ফেলানী হত্যাকাণ্ড থেকে শুরু করে সাম্প্রতিক সময়ের ওসমান হাদীসহ অসংখ্য হত্যাকাণ্ড আজও বিচারহীন থেকে গেছে। এই বিচারহীনতার সংস্কৃতি অপরাধকে আরও উৎসাহিত করছে এবং রাষ্ট্রীয় ন্যায়বিচার ব্যবস্থার প্রতি জনগণের আস্থা নষ্ট করছে।

সভাপতির বক্তব্যে শাখার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোহাম্মদ আলী বলেন, কোনো জাতি তখনই সভ্য ও মানবিক হতে পারে, যখন সে তার নাগরিকের জীবন ও মর্যাদার নিশ্চয়তা দিতে সক্ষম হয়। কিন্তু দুঃখজনকভাবে আজ আধিপত্যবাদী রাজনীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহার মানুষের ন্যায্য অধিকার কেড়ে নিচ্ছে। এ অবস্থা থেকে উত্তরণে অবিলম্বে ফেলানি ও শহীদ উসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের জন্য বড় সুখবর দিল যুক্তরাষ্ট্র

‘অপরাধীদের আশ্রয় দিতে দিতে ভারত এশিয়ার ডাস্টবিনে পরিণত হয়েছে’

আপডেট সময় ০৯:২০:০৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৬

এবার ইসলামী আন্দোলেন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সিনিয়র সহ-সভাপতি খায়রুল আহসান মারজান বলেছেন, ভারত এশিয়ার এমন একটি দেশ যেখানে এশিয়ার সকল খুনি, গণহত্যাকারী, চোরাকারবারি, মাদক ব্যবসায়ী ও দুর্নীতিবাজরা আশ্রয় নেয়। শহীদ ফেলানির হত্যাকারী, জুলাই হত্যাকারী কিংবা শহীদ উসমান হাদির হত্যাকারীরা ভারতের পৃষ্টপোষকতায় ভারতে অবস্থান করে। ফলে অপরাধকারীদের আশ্রয় দিতে দিতে ভারত এশিয়ার ডাস্টবিনে পরিণত হয়েছে।

গতকাল বুধবার (৭ জানুয়ারি) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিতে ফেলানি হত্যা দিবস উপলক্ষে ফেলানী থেকে ওসমান হাদী সকল হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিতের দাবিতে এবং রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক সকল প্রকার আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে আয়োজিত মানববন্ধন থেকে তিনি এ মন্তব্য করেন। কর্মসূচিটি ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের ঢাবি শাখা আয়োজন করে। এতে বিশ্ববিদ্যালয় শাখার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোহাম্মদ আলী সভাপতিত্ব ও সাধারণ সম্পাদক সাইফ মোহাম্মদ আলাউদ্দিন সঞ্চালনা করেন।

এসময় তিনি বলেন, ভারত স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে কখনোই বাংলাদেশকে স্বাধীন স্বার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে ট্রিট করেনি। বরং সবসময় আধিপত্য বিস্তারের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত থেকেছে। দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি, অর্থনীতি ও সাংস্কৃতিকে প্রভাবিত করে এদেশকে অস্থিতিশীল করার পাঁয়তারা করে এসেছে। আর সেই ষড়যন্ত্র ও দেশবিরোধী কর্মকান্ডের সূত্র ধরেই ফেলানী, আবরার ফাহাদ ও জুলাই ম্যাসাকার হয়ে ওসমান হাদি হত্যার ঘটনা ঘটে। আর এসবের পিছনে ভারতীয় আধিপত্যবাদ সবচেয়ে বড় কারণ। তাই এই আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে এই সরকারকেই সবচেয়ে বেশি সরব হতে হবে।

মানববন্ধনে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ঢাবি শাখার সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ ইয়াছিন আরাফাত বলেন, সীমান্ত হত্যা, বিচারবহির্ভূত হত্যা, রাজনৈতিক নিপীড়ন ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা হরণের মধ্য দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে এই অঞ্চলে মানবাধিকার চরমভাবে লঙ্ঘিত হচ্ছে। ফেলানী হত্যাকাণ্ড থেকে শুরু করে সাম্প্রতিক সময়ের ওসমান হাদীসহ অসংখ্য হত্যাকাণ্ড আজও বিচারহীন থেকে গেছে। এই বিচারহীনতার সংস্কৃতি অপরাধকে আরও উৎসাহিত করছে এবং রাষ্ট্রীয় ন্যায়বিচার ব্যবস্থার প্রতি জনগণের আস্থা নষ্ট করছে।

সভাপতির বক্তব্যে শাখার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোহাম্মদ আলী বলেন, কোনো জাতি তখনই সভ্য ও মানবিক হতে পারে, যখন সে তার নাগরিকের জীবন ও মর্যাদার নিশ্চয়তা দিতে সক্ষম হয়। কিন্তু দুঃখজনকভাবে আজ আধিপত্যবাদী রাজনীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহার মানুষের ন্যায্য অধিকার কেড়ে নিচ্ছে। এ অবস্থা থেকে উত্তরণে অবিলম্বে ফেলানি ও শহীদ উসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।