ঢাকা , শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ব্যারাক থেকে বেরিয়ে নিখোঁজ কলাবাগান থানার এসআই রাকিবুল সরকার-বিরোধী দলের যে কেউ ব্যর্থ হলে পুরো সংসদ ব্যর্থ হবে: প্রধানমন্ত্রী কুষ্টিয়া সীমান্তে বিজিবির সফল অভিযানে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মাদকদ্রব্য উদ্ধার এবার আগুনে পুড়লো টিসিবির পণ্য, খালি হাতে ফিরলো নিম্নআয়ের মানুষ নিজের প্রাক্তন কলেজের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা বিনিময় সাবেক প্রতিমন্ত্রী-এমপিসহ ৪০ জনের নামে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা ঝড়ে ভেঙে গেছে মসজিদের মূল অংশ, বারান্দায় নামাজ পড়ছেন মুসল্লিরা বিশ্ব গণমাধ্যম স্বাধীনতা সূচকে ৩ ধাপ পেছালো বাংলাদেশ কেরোসিন তেল কি অপবিত্র মে মাসে জ্বালানি তেলের দাম অপরিবর্তিত থাকবে

যুদ্ধবিরতি চুক্তির জন্য গোপনে পাকিস্তানকে চাপ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:২৪:৫৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫০ বার পড়া হয়েছে

এবার প্রকাশ্যে কঠোর হুমকি দিলেও গোপনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন পাকিস্তানকে ব্যবহার করে ইরানের সঙ্গে একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি করানোর চেষ্টা চালিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সংবাদমাধ্যম ফাইনান্সিয়াল টাইমসের এক প্রতিবেদেন এ তথ্য জানানো হয়েছে। বুধবার (০৮ এপ্রিল) সংবাদমাধ্যমটির বরাতে ইয়েনি শাফাক জানিয়েছে, তেলের দাম দ্রুত বেড়ে যাওয়া এবং ইরানের অপ্রত্যাশিত সামরিক প্রতিরোধ ক্ষমতা যুক্তরাষ্ট্রকে কৌশল পরিবর্তনে বাধ্য করে।

সংঘাতের ফলে অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের ওপরে উঠে যাওয়ায় বৈশ্বিক অর্থনীতি ও মার্কিন অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে চাপ তৈরি হচ্ছিল। এই পরিস্থিতিতে ওয়াশিংটনের লক্ষ্য ছিল কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালু করা, যার মাধ্যমে বিশ্বের প্রায় একপঞ্চমাংশ তেল পরিবাহিত হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র মনে করেছিল মুসলিমপ্রধান ও তুলনামূলক নিরপেক্ষ অবস্থানে থাকা পাকিস্তান তেহরানকে যুদ্ধবিরতিতে রাজি করাতে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবে। এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল অসিম মুনির। তিনি ও তার দল ইরান এবং যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ কর্মকর্তাদের মধ্যে বার্তা আদানপ্রদান করেন। এই গোপন আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ট্রাম্প ছাড়াও ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ যুক্ত ছিলেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রকাশ্যে যুক্তরাষ্ট্র যে দাবি করেছে যে ইরান নাকি যুদ্ধবিরতির জন্য অনুরোধ করেছিল। এটি একটি পূর্ণ সামরিক বিজয়। তবে এর সঙ্গে পর্দার আড়ালের বাস্তবতার বড় ধরনের অমিল রয়েছে। বাস্তবে, তেলের দাম বৃদ্ধি ও ইরানের প্রতিরোধ ক্ষমতা নিয়ে উদ্বেগ থেকেই এই কূটনৈতিক তৎপরতা চালানো হয়েছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

ব্যারাক থেকে বেরিয়ে নিখোঁজ কলাবাগান থানার এসআই রাকিবুল

যুদ্ধবিরতি চুক্তির জন্য গোপনে পাকিস্তানকে চাপ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

আপডেট সময় ১০:২৪:৫৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬

এবার প্রকাশ্যে কঠোর হুমকি দিলেও গোপনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন পাকিস্তানকে ব্যবহার করে ইরানের সঙ্গে একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি করানোর চেষ্টা চালিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সংবাদমাধ্যম ফাইনান্সিয়াল টাইমসের এক প্রতিবেদেন এ তথ্য জানানো হয়েছে। বুধবার (০৮ এপ্রিল) সংবাদমাধ্যমটির বরাতে ইয়েনি শাফাক জানিয়েছে, তেলের দাম দ্রুত বেড়ে যাওয়া এবং ইরানের অপ্রত্যাশিত সামরিক প্রতিরোধ ক্ষমতা যুক্তরাষ্ট্রকে কৌশল পরিবর্তনে বাধ্য করে।

সংঘাতের ফলে অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের ওপরে উঠে যাওয়ায় বৈশ্বিক অর্থনীতি ও মার্কিন অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে চাপ তৈরি হচ্ছিল। এই পরিস্থিতিতে ওয়াশিংটনের লক্ষ্য ছিল কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালু করা, যার মাধ্যমে বিশ্বের প্রায় একপঞ্চমাংশ তেল পরিবাহিত হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র মনে করেছিল মুসলিমপ্রধান ও তুলনামূলক নিরপেক্ষ অবস্থানে থাকা পাকিস্তান তেহরানকে যুদ্ধবিরতিতে রাজি করাতে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবে। এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল অসিম মুনির। তিনি ও তার দল ইরান এবং যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ কর্মকর্তাদের মধ্যে বার্তা আদানপ্রদান করেন। এই গোপন আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ট্রাম্প ছাড়াও ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ যুক্ত ছিলেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রকাশ্যে যুক্তরাষ্ট্র যে দাবি করেছে যে ইরান নাকি যুদ্ধবিরতির জন্য অনুরোধ করেছিল। এটি একটি পূর্ণ সামরিক বিজয়। তবে এর সঙ্গে পর্দার আড়ালের বাস্তবতার বড় ধরনের অমিল রয়েছে। বাস্তবে, তেলের দাম বৃদ্ধি ও ইরানের প্রতিরোধ ক্ষমতা নিয়ে উদ্বেগ থেকেই এই কূটনৈতিক তৎপরতা চালানো হয়েছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।