ঢাকা , শনিবার, ০৯ মে ২০২৬, ২৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
গাজীপুরে ৫ জনকে গলা কেটে হত্যা: জানা গেছে খুনির পরিচয় ‘মাইলস্টোনের দগ্ধ শিশুদের চিকিৎসায় ডা. সামন্ত লালকে আসতে দেয়নি ইউনূস সরকার’ গাজীপুরে প্রবাসীর বাড়িতে ৫ খুনের ঘটনায় জানা যাচ্ছে চাঞ্চল্যকর তথ্য কলেজছাত্র ওয়াকিমুলের তৈরি স্মার্ট কারে চড়ে উৎসাহ দিলেন প্রধানমন্ত্রী আহত জুলাই যোদ্ধাদের দেখতে ব্যাংককের হাসপাতালে জামায়াত আমির সীমান্তে দুই বাংলাদেশি যুবককে গুলি করে মারল বিএসএফ মির্জা ফখরুল-তামিমসহ ১৫ জন পাচ্ছেন খালেদা জিয়া স্মৃতি স্বর্ণপদক তিন সন্তানকে বাঁচালেও আগুনে পুড়ে মারা গেছেন বাবা-মা ধর্ষণ মামলায় নির্দোষ: ক্ষতিপূরণ চাইলেন পরশুরামের সেই ইমাম চিকিৎসার জন্য যুক্তরাজ্য গেলেন রাষ্ট্রপতি

কোনো বাপের বেটার ক্ষমতা নেই এখানে কিছু করার: এসপি মাসুদ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:০১:৫১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬
  • ৫৪ বার পড়া হয়েছে

এবার চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার এক সময়ের আতঙ্কের জনপদ জঙ্গল সলিমপুর ও আলীনগর এলাকায় শান্তি বজায় রাখতে এবং সন্ত্রাসীদের দমন করতে কঠোর অবস্থান নিয়েছে জেলা পুলিশ। শুক্রবার (৮ মে) বিকেলে এলাকাটি পরিদর্শনকালে সদ্য যোগদান করা চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মাসুদ আলম স্থানীয়দের অভয় দিয়ে বলেছেন, সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ সবসময় পাশে থাকবে।

পরিদর্শনকালে স্থানীয়দের সঙ্গে আলাপকালে এসপি মাসুদ আলম সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কড়া হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। তিনি বলেন, “আপনারা সহযোগিতা করলে কোনো বাপের বেটার ক্ষমতা নেই এখানে কিছু করার।তিনি আরও স্পষ্ট করেন যে জঙ্গল সলিমপুরের মানুষ এখন থেকে কোনো ধরনের ভয়ভীতি ছাড়াই বসবাস এবং চলাফেরা করতে পারবেন। এলাকায় যারা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালানোর চেষ্টা করবে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা বাঅ্যাকশনঅব্যাহত থাকবে। সরকারি উন্নয়নমূলক প্রকল্প বাস্তবায়নে পুলিশ প্রয়োজনীয় সব ধরণের সহায়তা প্রদান করবে। পুলিশের লক্ষ্য হলো জঙ্গল সলিমপুরে এমন একটি পরিবেশ বজায় রাখা, যেখানে সবাই সবার মতো করে স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এক সময়ের অপরাধের স্বর্গরাজ্য হিসেবে পরিচিত জঙ্গল সলিমপুর এখন অনেকটাই শান্ত হয়ে উঠেছে। দীর্ঘ কয়েক বছরের ব্যর্থতার পর গত ৯ মার্চ ৩ হাজার ১৮৩ জন সদস্যের একটি বিশাল যৌথ অভিযানের মাধ্যমে পুরো এলাকাটি প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণে আসে। বর্তমানে এই জনপদকে আস্থার জায়গায় নিয়ে আসতে কাজ করছে প্রশাসন।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এলাকায় বর্তমানে দুটি অস্থায়ী ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে। এস এম পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় ক্যাম্প: এখানে প্রায় ১৩০ জন পুলিশ সদস্য সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করছেন। আলীনগর উচ্চ বিদ্যালয় ক্যাম্প: এখানে র‌্যাব, পুলিশ ও এপিবিএন মিলিয়ে প্রায় ২৩০ জন সদস্য অবস্থান করছেন।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

গাজীপুরে ৫ জনকে গলা কেটে হত্যা: জানা গেছে খুনির পরিচয়

কোনো বাপের বেটার ক্ষমতা নেই এখানে কিছু করার: এসপি মাসুদ

আপডেট সময় ১০:০১:৫১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬

এবার চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার এক সময়ের আতঙ্কের জনপদ জঙ্গল সলিমপুর ও আলীনগর এলাকায় শান্তি বজায় রাখতে এবং সন্ত্রাসীদের দমন করতে কঠোর অবস্থান নিয়েছে জেলা পুলিশ। শুক্রবার (৮ মে) বিকেলে এলাকাটি পরিদর্শনকালে সদ্য যোগদান করা চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মাসুদ আলম স্থানীয়দের অভয় দিয়ে বলেছেন, সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ সবসময় পাশে থাকবে।

পরিদর্শনকালে স্থানীয়দের সঙ্গে আলাপকালে এসপি মাসুদ আলম সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কড়া হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। তিনি বলেন, “আপনারা সহযোগিতা করলে কোনো বাপের বেটার ক্ষমতা নেই এখানে কিছু করার।তিনি আরও স্পষ্ট করেন যে জঙ্গল সলিমপুরের মানুষ এখন থেকে কোনো ধরনের ভয়ভীতি ছাড়াই বসবাস এবং চলাফেরা করতে পারবেন। এলাকায় যারা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালানোর চেষ্টা করবে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা বাঅ্যাকশনঅব্যাহত থাকবে। সরকারি উন্নয়নমূলক প্রকল্প বাস্তবায়নে পুলিশ প্রয়োজনীয় সব ধরণের সহায়তা প্রদান করবে। পুলিশের লক্ষ্য হলো জঙ্গল সলিমপুরে এমন একটি পরিবেশ বজায় রাখা, যেখানে সবাই সবার মতো করে স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এক সময়ের অপরাধের স্বর্গরাজ্য হিসেবে পরিচিত জঙ্গল সলিমপুর এখন অনেকটাই শান্ত হয়ে উঠেছে। দীর্ঘ কয়েক বছরের ব্যর্থতার পর গত ৯ মার্চ ৩ হাজার ১৮৩ জন সদস্যের একটি বিশাল যৌথ অভিযানের মাধ্যমে পুরো এলাকাটি প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণে আসে। বর্তমানে এই জনপদকে আস্থার জায়গায় নিয়ে আসতে কাজ করছে প্রশাসন।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এলাকায় বর্তমানে দুটি অস্থায়ী ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে। এস এম পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় ক্যাম্প: এখানে প্রায় ১৩০ জন পুলিশ সদস্য সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করছেন। আলীনগর উচ্চ বিদ্যালয় ক্যাম্প: এখানে র‌্যাব, পুলিশ ও এপিবিএন মিলিয়ে প্রায় ২৩০ জন সদস্য অবস্থান করছেন।