ঢাকা , শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ব্যারাক থেকে বেরিয়ে নিখোঁজ কলাবাগান থানার এসআই রাকিবুল সরকার-বিরোধী দলের যে কেউ ব্যর্থ হলে পুরো সংসদ ব্যর্থ হবে: প্রধানমন্ত্রী কুষ্টিয়া সীমান্তে বিজিবির সফল অভিযানে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মাদকদ্রব্য উদ্ধার এবার আগুনে পুড়লো টিসিবির পণ্য, খালি হাতে ফিরলো নিম্নআয়ের মানুষ নিজের প্রাক্তন কলেজের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা বিনিময় সাবেক প্রতিমন্ত্রী-এমপিসহ ৪০ জনের নামে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা ঝড়ে ভেঙে গেছে মসজিদের মূল অংশ, বারান্দায় নামাজ পড়ছেন মুসল্লিরা বিশ্ব গণমাধ্যম স্বাধীনতা সূচকে ৩ ধাপ পেছালো বাংলাদেশ কেরোসিন তেল কি অপবিত্র মে মাসে জ্বালানি তেলের দাম অপরিবর্তিত থাকবে

আমার স্ত্রীও ফ্যামিলি কার্ড পাবেন: মির্জা ফখরুল

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০২:২১:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬
  • ৮৩ বার পড়া হয়েছে

এবার স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী ধাপে ধাপে দেশের সব পরিবারই ফ্যামিলি কার্ড পাবে। এমনকি আমার স্ত্রীও এই কার্ড পাবেন। আজ মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে ঠাকুরগাঁওয়ের রহিমানপুর ইউনিয়নের ঈদগা মাদ্রাসা মাঠে পাইলট প্রকল্পের আওতায় ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রতিটি পরিবারের প্রধান নারী সদস্যের হাতে ফ্যামিলি কার্ড তুলে দেওয়া হবে। ধীরে ধীরে দেশের সব পরিবারই এই কর্মসূচির আওতায় আসবে। এজন্য সবাইকে কিছুটা ধৈর্য ধরতে হবে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উদ্যোগে চালু হওয়া এ কর্মসূচির মাধ্যমে সমাজের সব শ্রেণিপেশার মানুষকে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। জেলা প্রশাসকের পরিবার থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের পরিবারসবাই এই কার্ডের আওতায় আসবে। এমনকি আমার স্ত্রীও এই কার্ড পাবেন।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, জনগণের শক্তির চেয়ে বড় কোনো শক্তি নেই। গত ১৫ বছরে দেশে কার্যত আইনের শাসন ছিল না। টাকা ছাড়া কোনো কাজ হতো না। কিন্তু এবার ফ্যামিলি কার্ড পেতে কাউকে কোনো টাকা দিতে হয়নি।তিনি আরও বলেন, সরকার গঠনের মাত্র ২২ দিনের মধ্যেই নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি চালু করা হয়েছে। এই কার্ড নারীদের ক্ষমতায়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হবে। তাই কেউ হতাশ হবেন না।

 মির্জা ফখরুল বলেন, ইতোমধ্যে কৃষকদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত সুদসহ কৃষিঋণ মওকুফ করা হয়েছে। কৃষকদের সুবিধার জন্য খাল খনন কার্যক্রমও শুরু হয়েছে, যাতে তারা সহজে সেচ সুবিধা পান। তিনি আরও জানান, জেলার উন্নয়নের অংশ হিসেবে ঠাকুরগাঁওয়ে মেডিকেল কলেজ ও বিমানবন্দর নির্মাণের কাজ শিগগিরই শুরু হবে। পাশাপাশি বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানের জন্য উদ্যোগ নেওয়া হবে, যাতে তারা ঘরে বসেই বছরে দুই থেকে তিন লাখ টাকা আয় করতে পারে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

ব্যারাক থেকে বেরিয়ে নিখোঁজ কলাবাগান থানার এসআই রাকিবুল

আমার স্ত্রীও ফ্যামিলি কার্ড পাবেন: মির্জা ফখরুল

আপডেট সময় ০২:২১:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

এবার স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী ধাপে ধাপে দেশের সব পরিবারই ফ্যামিলি কার্ড পাবে। এমনকি আমার স্ত্রীও এই কার্ড পাবেন। আজ মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে ঠাকুরগাঁওয়ের রহিমানপুর ইউনিয়নের ঈদগা মাদ্রাসা মাঠে পাইলট প্রকল্পের আওতায় ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রতিটি পরিবারের প্রধান নারী সদস্যের হাতে ফ্যামিলি কার্ড তুলে দেওয়া হবে। ধীরে ধীরে দেশের সব পরিবারই এই কর্মসূচির আওতায় আসবে। এজন্য সবাইকে কিছুটা ধৈর্য ধরতে হবে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উদ্যোগে চালু হওয়া এ কর্মসূচির মাধ্যমে সমাজের সব শ্রেণিপেশার মানুষকে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। জেলা প্রশাসকের পরিবার থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের পরিবারসবাই এই কার্ডের আওতায় আসবে। এমনকি আমার স্ত্রীও এই কার্ড পাবেন।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, জনগণের শক্তির চেয়ে বড় কোনো শক্তি নেই। গত ১৫ বছরে দেশে কার্যত আইনের শাসন ছিল না। টাকা ছাড়া কোনো কাজ হতো না। কিন্তু এবার ফ্যামিলি কার্ড পেতে কাউকে কোনো টাকা দিতে হয়নি।তিনি আরও বলেন, সরকার গঠনের মাত্র ২২ দিনের মধ্যেই নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি চালু করা হয়েছে। এই কার্ড নারীদের ক্ষমতায়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হবে। তাই কেউ হতাশ হবেন না।

 মির্জা ফখরুল বলেন, ইতোমধ্যে কৃষকদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত সুদসহ কৃষিঋণ মওকুফ করা হয়েছে। কৃষকদের সুবিধার জন্য খাল খনন কার্যক্রমও শুরু হয়েছে, যাতে তারা সহজে সেচ সুবিধা পান। তিনি আরও জানান, জেলার উন্নয়নের অংশ হিসেবে ঠাকুরগাঁওয়ে মেডিকেল কলেজ ও বিমানবন্দর নির্মাণের কাজ শিগগিরই শুরু হবে। পাশাপাশি বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানের জন্য উদ্যোগ নেওয়া হবে, যাতে তারা ঘরে বসেই বছরে দুই থেকে তিন লাখ টাকা আয় করতে পারে।