কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে ব্যতিক্রমী প্রচারণার কারণে আলোচনায় এসেছিলেন সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদপ্রার্থী আশিকুর রহমান।
চোখে সানগ্লাস, ঠোঁটে জ্বলন্ত সিগারেট ও হাতে লাইটার নিয়ে তৈরি পোস্টারে তিনি রাতারাতি ‘ভাইরাল আশিক’ হিসেবে পরিচিতি পান। প্রচারণায় কোনো লিফলেট বা পোস্টার ব্যবহার না করেও তিনি শিক্ষার্থীদের মধ্যে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন।
প্রচারণার সময় আশিকুর রহমান দাবি করেছিলেন, অন্তত মেঘমল্লার বসুকে হারাবেন। কিন্তু ঘোষিত ফলে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বীর তুলনায় অনেক কম ভোট পেয়েছেন।
বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) ঘোষিত ফলাফলে দেখা যায়, আশিকুর রহমান পেয়েছেন মাত্র ৫২৬ ভোট। একই পদে মেঘমল্লার বসু পেয়েছেন ৪ হাজার ৯৪৯ ভোট। আর জয়ী হয়েছেন ছাত্রশিবির সমর্থিত ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোটের প্রার্থী এস এম ফরহাদ, যিনি পেয়েছেন সর্বোচ্চ ১০ হাজার ৭৯৪ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রদল নেতা তানভীর বারী হামীম পেয়েছেন ৫ হাজার ২৮৩ ভোট।
ফলাফল প্রকাশের পর নিজের ফেসবুক পোস্টে আশিকুর রহমান প্রতিদ্বন্দ্বী মেঘমল্লার বসুর প্রতি সম্মান প্রকাশ করেন। তিনি লিখেছেন, ভেবেছিলেন মেঘমল্লারকে হারিয়ে অন্তত দ্বিতীয় সর্বনিম্ন ভোট পাওয়া প্রার্থী হবেন, কিন্তু বাস্তবে মেঘমল্লার ১৯ জনের মধ্যে তৃতীয় হয়েছেন আর তিনি ষষ্ঠ স্থানে। এতে প্রতিদ্বন্দ্বীর প্রতি তার সম্মান বেড়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
ফেসবুক পোস্টে আশিকুর রহমান আরও জানান, লিফলেট-পোস্টার ছাড়া, শূন্য বিনিয়োগে এবং এত হেভিওয়েট প্রার্থীর ভিড়ে দাঁড়িয়ে জিএস পদে ষষ্ঠ হওয়া তার কাছে গর্বের। অনেক প্যানেলের প্রার্থীর চেয়েও বেশি ভোট পেয়ে তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন ভোটারদের প্রতি। আশিকুর রহমান লেখেন, এটি তার ম্যান্ডেট এবং সুযোগ পেলে আগামী বছর তিনি আরও শক্তিশালী রূপে নির্বাচনে ফিরে আসবেন। আপাতত তিনি পড়াশোনায় মনোযোগ দেবেন বলে উল্লেখ করেন।

নিজস্ব প্রতিবেদক 
























