ঢাকা , মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
দুই ঘণ্টা বসিয়ে রাখার প্রতিবাদ হিসেবে ভারতে প্রবেশ না করে দেশে ফিরেছি: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা “পদ্মা সেতুর পিলারের নিচে কারা কাটছে মাটি? উঠছে বড় প্রশ্ন” ৫৪ জেলার পানিতে বিপজ্জনক মাত্রায় আর্সেনিক-আয়রন, বাড়ছে ক্যানসারের আশঙ্কা পঞ্চম সন্তানের প্রত্যাশায় নেইমার, বাড়ছে বিশ্বকাপে না ফেরার আশঙ্কা আগামী তিন মাসের মধ্যে চীনে বিডার প্রথম বিদেশি অফিস খোলা হবে: আশিক চৌধুরী “ব্রাজিল শিবিরে বড় ধাক্কা, গ্রুপ পর্বেই নেই নেইমার” লন্ডনে এমপি হাসনাতের অনুষ্ঠানে ডিম নিক্ষেপ, আওয়ামী লীগ নেতাসহ আটক ৩ ২০০ ম্যাচের মহাকাব্যের দ্বারপ্রান্তে মেসি, গড়তে যাচ্ছেন নতুন ইতিহাস আমি জ্বালাময়ী কিছু সত্যি কথা বলব: অভিনেত্রী প্রভা নতুন গিলাফে সজ্জিত হলো পবিত্র কাবা শরিফ

ক্রীড়া কূটনীতিতে বাংলাদেশ-তুরস্ক ঐতিহাসিক চুক্তি, কী আছে এতে?

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৯:২৮:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬
  • ৫১ বার পড়া হয়েছে

 

আন্তর্জাতিক ক্রীড়া কূটনীতির ক্ষেত্রে এক অভূতপূর্ব পদক্ষেপ হিসেবে তুরস্ক প্রজাতন্ত্র এবং বাংলাদেশ সরকারের মধ্যে ক্রীড়া ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা জোরদার করার লক্ষ্যে একটি বিস্তৃত সমঝোতা স্মারক (এওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে।

 

এই ঐতিহাসিক চুক্তির মাধ্যমে দুই ভ্রাতৃপ্রতিম দেশের মধ্যে যুব উন্নয়ন, পেশাদার অ্যাথলেটদের অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং ক্রীড়া ব্যবস্থাপনার আধুনিকীকরণের এক নতুন যুগের সূচনা হলো।সরকারী সংবাদ

 

 

বাংলাদেশের পক্ষে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক এবং তুরস্কের পক্ষে দেশটির যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রী ওসমান আসকিন বাক এই ঐতিহাসিক সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন।

 

এই অংশীদারিত্বের ফলে দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

 

চুক্তি অনুযায়ী উভয় দেশ ক্রীড়া ক্ষেত্রে জ্ঞান ও দক্ষতা বিনিময়ের একটি বহুমুখী কাঠামো তৈরি করবে।

 

এর আওতায় প্রধান ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন ও অর্থায়নের পদ্ধতি নিয়ে অভিজ্ঞতা বিনিময়ের জন্য উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ও বিশেষজ্ঞরা পারস্পরিক সফর করবেন। একইসঙ্গে বিশ্বমানের ক্রীড়া অবকাঠামো ব্যবস্থাপনা এবং এর অর্থায়নের ক্ষেত্রে উভয় দেশ কারিগরি তথ্য ও শিক্ষা উপকরণ ভাগ করে নেবে।

সামাজিক অন্তর্ভুক্তির বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে এই সমঝোতা স্মারকে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য ক্রীড়া সুবিধা নিশ্চিতকরণ এবং বিশেষ সহায়তা কর্মসূচি নিয়ে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে উভয় দেশের ক্রীড়াঙ্গনে সততা ও নৈতিকতার সর্বোচ্চ মান বজায় রাখার বিষয়েও একমত হয়েছেন দুই মন্ত্রী।

 

এই যুগান্তকারী চুক্তির ফলে বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গনে বাংলাদেশ ও তুরস্কের অ্যাথলেটদের পারফরম্যান্সের মান উন্নত হওয়ার পাশাপাশি ক্রীড়ার মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে গভীর সাংস্কৃতিক মেলবন্ধন তৈরি হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

দুই ঘণ্টা বসিয়ে রাখার প্রতিবাদ হিসেবে ভারতে প্রবেশ না করে দেশে ফিরেছি: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

ক্রীড়া কূটনীতিতে বাংলাদেশ-তুরস্ক ঐতিহাসিক চুক্তি, কী আছে এতে?

আপডেট সময় ০৯:২৮:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

 

আন্তর্জাতিক ক্রীড়া কূটনীতির ক্ষেত্রে এক অভূতপূর্ব পদক্ষেপ হিসেবে তুরস্ক প্রজাতন্ত্র এবং বাংলাদেশ সরকারের মধ্যে ক্রীড়া ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা জোরদার করার লক্ষ্যে একটি বিস্তৃত সমঝোতা স্মারক (এওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে।

 

এই ঐতিহাসিক চুক্তির মাধ্যমে দুই ভ্রাতৃপ্রতিম দেশের মধ্যে যুব উন্নয়ন, পেশাদার অ্যাথলেটদের অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং ক্রীড়া ব্যবস্থাপনার আধুনিকীকরণের এক নতুন যুগের সূচনা হলো।সরকারী সংবাদ

 

 

বাংলাদেশের পক্ষে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক এবং তুরস্কের পক্ষে দেশটির যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রী ওসমান আসকিন বাক এই ঐতিহাসিক সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন।

 

এই অংশীদারিত্বের ফলে দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

 

চুক্তি অনুযায়ী উভয় দেশ ক্রীড়া ক্ষেত্রে জ্ঞান ও দক্ষতা বিনিময়ের একটি বহুমুখী কাঠামো তৈরি করবে।

 

এর আওতায় প্রধান ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন ও অর্থায়নের পদ্ধতি নিয়ে অভিজ্ঞতা বিনিময়ের জন্য উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ও বিশেষজ্ঞরা পারস্পরিক সফর করবেন। একইসঙ্গে বিশ্বমানের ক্রীড়া অবকাঠামো ব্যবস্থাপনা এবং এর অর্থায়নের ক্ষেত্রে উভয় দেশ কারিগরি তথ্য ও শিক্ষা উপকরণ ভাগ করে নেবে।

সামাজিক অন্তর্ভুক্তির বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে এই সমঝোতা স্মারকে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য ক্রীড়া সুবিধা নিশ্চিতকরণ এবং বিশেষ সহায়তা কর্মসূচি নিয়ে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে উভয় দেশের ক্রীড়াঙ্গনে সততা ও নৈতিকতার সর্বোচ্চ মান বজায় রাখার বিষয়েও একমত হয়েছেন দুই মন্ত্রী।

 

এই যুগান্তকারী চুক্তির ফলে বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গনে বাংলাদেশ ও তুরস্কের অ্যাথলেটদের পারফরম্যান্সের মান উন্নত হওয়ার পাশাপাশি ক্রীড়ার মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে গভীর সাংস্কৃতিক মেলবন্ধন তৈরি হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।