চট্টগ্রামের বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়ায় বাড়ছে দুর্গত মানুষের দুর্ভোগ। জেলার বিভিন্ন এলাকায় প্রায় দুই লাখ পরিবার এখনও পানিবন্দি। সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় অনেক প্রান্তিক অঞ্চলে সময়মতো পৌঁছাতে পারছে না ত্রাণ।

সবচেয়ে বেশি সংকটে রয়েছে বাঁশখালী, সাতকানিয়া ও চন্দনাইশের দুর্গম এলাকাগুলো। স্থানীয়দের অভিযোগ, মূল সড়কের আশপাশে ত্রাণ বিতরণ হলেও প্রত্যন্ত গ্রামগুলোতে এখনো পৌঁছায়নি প্রয়োজনীয় সহায়তা। টানা কয়েকদিন ধরে রান্না বন্ধ, তলিয়ে গেছে নলকূপ। ফলে সুপেয় পানি, শুকনো খাবার ও শিশুখাদ্যের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে।

স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদেরও অভিযোগ, ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের তুলনায় সরকারি ত্রাণের বরাদ্দ অপ্রতুল। তাদের দাবি, শুধু দক্ষিণ চট্টগ্রাম নয়, বোয়ালখালী, সীতাকুণ্ড, সন্দ্বীপ, ফটিকছড়ি ও হাটহাজারীর মতো ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর জন্যও আলাদা ত্রাণ বরাদ্দ প্রয়োজন।

তবে ত্রাণ ও দুর্যোগ প্রতিমন্ত্রী এম ইকবাল হোসেইন জানিয়েছেন, সড়ক যোগাযোগ ব্যাহত থাকায় কিছু এলাকায় ত্রাণ পৌঁছাতে দেরি হচ্ছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে বলেও জানান তিনি।