ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিষপান করতে হলো না বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমানের

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০২:০৫:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৮৪ বার পড়া হয়েছে

এবার নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ায় শেষ পর্যন্ত বিষের পেয়ালা স্পর্শ করতে হয়নি স্বাধীনতাবিরোধীদের বিরুদ্ধে উচ্চকণ্ঠ বীর মুক্তিযোদ্ধা কেন্দ্রীয় বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট মো. ফজলুর রহমানকে। বরং তিনি হাসলেন ভূমিধস বিজয়ের হাসি। কিশোরগঞ্জ (ইটনা, মিঠামইন ও অষ্টগ্রাম) আসন থেকে বিএনপির প্রার্থী হিসাবে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী অ্যাডভোকেট রোকন রেজার চেয়ে ৭৬ হাজার ৯০৭ ভোটের বিপুল ব্যবধানে বিজয়ী হলেন। তিনি ভোট পেয়েছেন ১ লাখ ৩২ হাজার ৫৫৩টি। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী রোকন পেয়েছেন ৫৫ হাজার ৬৪৬ ভোট।

২৪এর ছাত্রজনতার বৈষম্যবিরোধী জুলাই আন্দোলনের মুখে পতিত স্বৈরাচারী সরকারের পতনের পর যখন জামায়াতশিবির এমনকি আন্দোলনে অংশ নেওয়া বৈষম্যবিরোধী কতিপয় নেতা এ আন্দোলনকে দ্বিতীয় মুক্তিযুদ্ধের মর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত করার প্রয়াস চালান। আর এ আন্দোলনকে মহান মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে তুলনা করায় তীব্র প্রতিবাদে ফুঁসে উঠেন অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান।

তখন থেকেই স্বাধীনতাবিরোধী চক্রের বিরুদ্ধে তিনি আরও উচ্চকিত কণ্ঠ হন। তীব্র প্রতিবাদের ক্ষোভ ঝাড়তে গিয়ে তিনি জামায়াতশিবির চক্র এমনকি বৈষম্যবিরোধী কতিপয় ছাত্রনেতারও রোষানলে পড়েন। এমনকি দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার আগে থেকেই নিজ নির্বাচনি এলাকায় সভাসমাবেশ ও গণসংযোগ চালানোর সময়ও তিনি জামায়াতশিবির ও স্বাধীনতাবিরোধী চক্রের বিরুদ্ধে জ্বালাময়ী বক্তব্যে উচ্চকণ্ঠ ছিলেন। প্রকাশ্য জনসভায় ঘোষণা দিয়ে বলেন, ইটনা, মিঠামইন, অষ্টগ্রামে স্বাধীনতাবিরোধী জামায়াতশিবির চক্র পাশ করলে আমি বিষ খাবো। তার এমন বক্তব্য তখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছিলো।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বিষপান করতে হলো না বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমানের

আপডেট সময় ০২:০৫:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

এবার নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ায় শেষ পর্যন্ত বিষের পেয়ালা স্পর্শ করতে হয়নি স্বাধীনতাবিরোধীদের বিরুদ্ধে উচ্চকণ্ঠ বীর মুক্তিযোদ্ধা কেন্দ্রীয় বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট মো. ফজলুর রহমানকে। বরং তিনি হাসলেন ভূমিধস বিজয়ের হাসি। কিশোরগঞ্জ (ইটনা, মিঠামইন ও অষ্টগ্রাম) আসন থেকে বিএনপির প্রার্থী হিসাবে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী অ্যাডভোকেট রোকন রেজার চেয়ে ৭৬ হাজার ৯০৭ ভোটের বিপুল ব্যবধানে বিজয়ী হলেন। তিনি ভোট পেয়েছেন ১ লাখ ৩২ হাজার ৫৫৩টি। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী রোকন পেয়েছেন ৫৫ হাজার ৬৪৬ ভোট।

২৪এর ছাত্রজনতার বৈষম্যবিরোধী জুলাই আন্দোলনের মুখে পতিত স্বৈরাচারী সরকারের পতনের পর যখন জামায়াতশিবির এমনকি আন্দোলনে অংশ নেওয়া বৈষম্যবিরোধী কতিপয় নেতা এ আন্দোলনকে দ্বিতীয় মুক্তিযুদ্ধের মর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত করার প্রয়াস চালান। আর এ আন্দোলনকে মহান মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে তুলনা করায় তীব্র প্রতিবাদে ফুঁসে উঠেন অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান।

তখন থেকেই স্বাধীনতাবিরোধী চক্রের বিরুদ্ধে তিনি আরও উচ্চকিত কণ্ঠ হন। তীব্র প্রতিবাদের ক্ষোভ ঝাড়তে গিয়ে তিনি জামায়াতশিবির চক্র এমনকি বৈষম্যবিরোধী কতিপয় ছাত্রনেতারও রোষানলে পড়েন। এমনকি দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার আগে থেকেই নিজ নির্বাচনি এলাকায় সভাসমাবেশ ও গণসংযোগ চালানোর সময়ও তিনি জামায়াতশিবির ও স্বাধীনতাবিরোধী চক্রের বিরুদ্ধে জ্বালাময়ী বক্তব্যে উচ্চকণ্ঠ ছিলেন। প্রকাশ্য জনসভায় ঘোষণা দিয়ে বলেন, ইটনা, মিঠামইন, অষ্টগ্রামে স্বাধীনতাবিরোধী জামায়াতশিবির চক্র পাশ করলে আমি বিষ খাবো। তার এমন বক্তব্য তখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছিলো।