ঢাকা , মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬, ২৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
‘আমি ওসমানকে দেশের জন্য রেখেছিলাম’: মাসুমা হাদি মুক্তাগাছায় জাতীয় পার্টির ২ শতাধিক নেতার বিএনপিতে যোগদান ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিয়ে বাড়িতে যাওয়া নিয়ে সংঘর্ষ : সাবেক ইউপি সদস্য নিহত, আহত অন্তত ২০ তাহেরির স্ত্রীর কোনো স্বর্ণ নেই, নিজের আছে ৩১ ভরি ‘মুজিব কোট আয়রন করে তুলে রেখেছি, এবার ধানের শীষে ভোট দেবো’ বছরের শুরুতেই বড় ধাক্কা খেল ভারত খালেদা জিয়ার জন্য আয়োজিত দোয়া মাহফিলে হামলা করে খাবার লুট, আহত ২ মোস্তাফিজকে বাদ দিয়ে ভারতে খেলতে যাওয়ার সুপারিশ আইসিসির বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে ‘স্টারলিংক’ ইন্টারনেট অচল করে দিলো ইরান সরকারি ক্যাম্পেইনের ব্যানারে ‘ধানের শীষে ভোট দিন’ লেখা নিয়ে তোলপাড়

আ. লীগকে স্বাভাবিক ভাবে মরতে দিলে মানুষ ফিরেও তাকাতো না: রুমিন ফারহানা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৫:০৬:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ মে ২০২৫
  • ৯২৭ বার পড়া হয়েছে

সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশনের টকশোতে আওয়ামী লীগকে ঘিরে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-আন্তর্জাতিক সম্পাদক ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। তিনি বলেন, “আওয়ামী লীগকে যদি স্বাভাবিকভাবে মরতে দেওয়া হতো, তাহলে মানুষ ফিরেও তাকাতো না। কিন্তু দলটিকে কর্নার করার মাধ্যমে বরং তাকে আরও শক্তিশালী করা হয়েছে।”

রুমিন ফারহানার মতে, গত ১৫ বছরে আওয়ামী লীগ যেভাবে নির্বাচন ‘ম্যানুফ্যাকচার’ করে ক্ষমতায় থেকেছে, তাতে দলটি এখন তার ইতিহাসের সবচেয়ে শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে। তিনি বলেন, “পুলিশ, প্রশাসন, বিচার বিভাগ সবই তাদের নিয়ন্ত্রণে ছিল। আমি বরাবরই আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে জোরালোভাবে কথা বলেছি।”

তিনি আরও বলেন, “প্রতিপক্ষ যখন শক্তিশালী থাকে, তখনই তার বিরুদ্ধে লড়াইটা অর্থবহ হয়। আমি সেই ব্যক্তি নই যে, প্রতিপক্ষের হাত থেকে তলোয়ার পড়ে গেলে আঘাত করি। প্রতিপক্ষ আজ আর অস্ত্রহীন — এমন অবস্থায় আমি আঘাত করা কাপুরুষতা মনে করি।”

টকশোতে রুমিন ফারহানা দাবি করেন, আওয়ামী লীগ এখন জনগণের আস্থা হারিয়েছে। “আমি ২০২৪ সালের নির্বাচনের আগেই বলেছিলাম, আওয়ামী লীগের এমন পতন হবে যে, পরে কেউ তাদের পক্ষেও টকশোতে কথা বলতে রাজি হবে না। বাস্তবেও তাই দেখা যাচ্ছে,”

বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে রুমিন বলেন, “যখন কাউকে অত্যধিক দমন করা হয়, তখন মানুষের সহানুভূতি তাদের দিকেই ফিরে যায়। মানুষের মনোভাব অনেকটা ব্রিটিশ আবহাওয়ার মতো — কখন যে বদলে যায় বলা মুশকিল।”

তিনি আরও বলেন, “এখন ফেসবুকে আওয়ামী লীগের পক্ষ নিয়ে কথা বললেও শাস্তির ভয় থাকে, ভিডিও পোস্ট করলেও ব্যবস্থা নেওয়া হয়। দুই দলের মধ্যে ৩৩-৩৩ ভাগ যদি সমর্থক থাকে, তাহলে মাঝের ৩৪ ভাগ হলো সুইং ভোট। তারা দল দেখে ভোট দেয় না, পরিস্থিতি দেখে ভোট দেয়। তারাই এখন পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে — আপনি কেমন আচরণ করছেন দলটির সঙ্গে।”

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

‘আমি ওসমানকে দেশের জন্য রেখেছিলাম’: মাসুমা হাদি

আ. লীগকে স্বাভাবিক ভাবে মরতে দিলে মানুষ ফিরেও তাকাতো না: রুমিন ফারহানা

আপডেট সময় ০৫:০৬:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ মে ২০২৫

সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশনের টকশোতে আওয়ামী লীগকে ঘিরে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-আন্তর্জাতিক সম্পাদক ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। তিনি বলেন, “আওয়ামী লীগকে যদি স্বাভাবিকভাবে মরতে দেওয়া হতো, তাহলে মানুষ ফিরেও তাকাতো না। কিন্তু দলটিকে কর্নার করার মাধ্যমে বরং তাকে আরও শক্তিশালী করা হয়েছে।”

রুমিন ফারহানার মতে, গত ১৫ বছরে আওয়ামী লীগ যেভাবে নির্বাচন ‘ম্যানুফ্যাকচার’ করে ক্ষমতায় থেকেছে, তাতে দলটি এখন তার ইতিহাসের সবচেয়ে শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে। তিনি বলেন, “পুলিশ, প্রশাসন, বিচার বিভাগ সবই তাদের নিয়ন্ত্রণে ছিল। আমি বরাবরই আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে জোরালোভাবে কথা বলেছি।”

তিনি আরও বলেন, “প্রতিপক্ষ যখন শক্তিশালী থাকে, তখনই তার বিরুদ্ধে লড়াইটা অর্থবহ হয়। আমি সেই ব্যক্তি নই যে, প্রতিপক্ষের হাত থেকে তলোয়ার পড়ে গেলে আঘাত করি। প্রতিপক্ষ আজ আর অস্ত্রহীন — এমন অবস্থায় আমি আঘাত করা কাপুরুষতা মনে করি।”

টকশোতে রুমিন ফারহানা দাবি করেন, আওয়ামী লীগ এখন জনগণের আস্থা হারিয়েছে। “আমি ২০২৪ সালের নির্বাচনের আগেই বলেছিলাম, আওয়ামী লীগের এমন পতন হবে যে, পরে কেউ তাদের পক্ষেও টকশোতে কথা বলতে রাজি হবে না। বাস্তবেও তাই দেখা যাচ্ছে,”

বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে রুমিন বলেন, “যখন কাউকে অত্যধিক দমন করা হয়, তখন মানুষের সহানুভূতি তাদের দিকেই ফিরে যায়। মানুষের মনোভাব অনেকটা ব্রিটিশ আবহাওয়ার মতো — কখন যে বদলে যায় বলা মুশকিল।”

তিনি আরও বলেন, “এখন ফেসবুকে আওয়ামী লীগের পক্ষ নিয়ে কথা বললেও শাস্তির ভয় থাকে, ভিডিও পোস্ট করলেও ব্যবস্থা নেওয়া হয়। দুই দলের মধ্যে ৩৩-৩৩ ভাগ যদি সমর্থক থাকে, তাহলে মাঝের ৩৪ ভাগ হলো সুইং ভোট। তারা দল দেখে ভোট দেয় না, পরিস্থিতি দেখে ভোট দেয়। তারাই এখন পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে — আপনি কেমন আচরণ করছেন দলটির সঙ্গে।”