ঢাকা , শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ১৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ইতালিতে ভাইয়ের হাতে ভাই খুন: নেপথ্যে যে কারণ ৭ দিনের সফরে জাপান যাচ্ছেন জামায়াত আমির ‘আহারে ব্রো লাইফটাই স্পয়েল হয়ে গেল’-আসিফ মাহমুদকে কটাক্ষ করে নীলার পোস্ট দুই দশকেও উপকূলীয় নারী শ্রমিকদের মজুরি বৈষম্য ঘোচেনি লুটেরাদের হাতে ব্যাংক ফিরিয়ে দিলে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন শ্রমিকরা সংসদে সুগার মিল নিয়ে আমির হামজার বক্তব্যের প্রতিবাদে মানববন্ধন একটি হয়েছে ১৫ বছরের দুর্নীতি আর ১৮ মাস ভুল নীতি: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী মেয়ের বিয়ের পাত্র নিয়ে পালালেন মা যুক্তরাষ্ট্রে নিহত বাংলাদেশি শিক্ষার্থী বৃষ্টির মরদেহ উদ্ধার টাকা ভাগাভাগি নিয়ে দ্বন্দ্ব, বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষে আহত ২০

গুমে জড়িত সেনা কর্মকর্তাদের সেনা আইনে বিচার দাবি এক্স-ফোর্সেস অ্যাসোসিয়েশনের

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৭:৩৯:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৫
  • ৩০৮ বার পড়া হয়েছে

 

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অভিযুক্ত সেনা কর্মকর্তাদের সেনা আইনে বিচারের দাবি জানিয়েছে এক্স-ফোর্সেস অ্যাসোসিয়েশন। প্রয়োজনে সেনা আইন সংশোধন করে গুমসহ মানবাধিকার লঙ্ঘনের মতো অপরাধে যুক্ত কর্মকর্তাদের বিচারের আওতায় আনার আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।

মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এক্স-ফোর্সেস অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট সাইফুল্লাহ খাঁন সাইফ এ দাবি জানান।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, “আমরা অপরাধীদের বিচারের পক্ষে, তবে সেই বিচার হতে হবে স্বচ্ছ, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের ভিত্তিতে এবং সংবিধান ও মানবাধিকারের মূলনীতির আলোকে—যেখানে কোনো ফুলস্টপ থাকবে না।”

তিনি আরও বলেন, “আর্জেন্টিনা, চিলি, মেক্সিকো ও তুরস্কে ডিক্টেটরদের বিচার সেনা আইন সংশোধনের মাধ্যমেই হয়েছে। আইসিটি আইনে বিচার হলে ভবিষ্যতে আসামিরা পার পেয়ে যেতে পারে।”

সাইফুল্লাহ খাঁন আরও বলেন, “কোনো নাগরিকের মৌলিক অধিকার হরণ করা সংবিধানবিরোধী। কোনো ব্যক্তি অপরাধী প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত তাকে অপরাধী বলা যাবে না। এমনকি প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী হলেও তার চাকরি আইনগতভাবে বহাল থাকবে।”

তিনি বলেন, “দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় নিয়োজিত সদস্যদের মনোবল ভেঙে দেওয়া বা বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের সম্মান ক্ষুণ্ণ করা কোনো দেশপ্রেমিকের কাজ নয়।”

সরকারের পক্ষ থেকে “আর কোনো সেনা সদস্যকে গ্রেপ্তারের পরিকল্পনা নেই” — এই বক্তব্যের সমালোচনা করে তিনি বলেন, “তদন্ত করতে গেলে আরও অপরাধীর নাম আসতে পারে। এখন ফুলস্টপ দিলে বিচারের স্বচ্ছতা নষ্ট হবে।”

সংবাদ সম্মেলনে অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল রোকন উদ্দিন বলেন, “পরবর্তী সরকার যদি এই আইন সংশোধন না করে, তাহলে অনেক আসামি পার পেয়ে যেতে পারে। তবে কোনো ব্যক্তিগত আক্রোশ বা তড়িঘড়ি করে বিচার করা হলে তা যেন পরবর্তীতে প্রশ্নবিদ্ধ না হয়।”

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ইতালিতে ভাইয়ের হাতে ভাই খুন: নেপথ্যে যে কারণ

গুমে জড়িত সেনা কর্মকর্তাদের সেনা আইনে বিচার দাবি এক্স-ফোর্সেস অ্যাসোসিয়েশনের

আপডেট সময় ০৭:৩৯:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৫

 

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অভিযুক্ত সেনা কর্মকর্তাদের সেনা আইনে বিচারের দাবি জানিয়েছে এক্স-ফোর্সেস অ্যাসোসিয়েশন। প্রয়োজনে সেনা আইন সংশোধন করে গুমসহ মানবাধিকার লঙ্ঘনের মতো অপরাধে যুক্ত কর্মকর্তাদের বিচারের আওতায় আনার আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।

মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এক্স-ফোর্সেস অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট সাইফুল্লাহ খাঁন সাইফ এ দাবি জানান।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, “আমরা অপরাধীদের বিচারের পক্ষে, তবে সেই বিচার হতে হবে স্বচ্ছ, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের ভিত্তিতে এবং সংবিধান ও মানবাধিকারের মূলনীতির আলোকে—যেখানে কোনো ফুলস্টপ থাকবে না।”

তিনি আরও বলেন, “আর্জেন্টিনা, চিলি, মেক্সিকো ও তুরস্কে ডিক্টেটরদের বিচার সেনা আইন সংশোধনের মাধ্যমেই হয়েছে। আইসিটি আইনে বিচার হলে ভবিষ্যতে আসামিরা পার পেয়ে যেতে পারে।”

সাইফুল্লাহ খাঁন আরও বলেন, “কোনো নাগরিকের মৌলিক অধিকার হরণ করা সংবিধানবিরোধী। কোনো ব্যক্তি অপরাধী প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত তাকে অপরাধী বলা যাবে না। এমনকি প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী হলেও তার চাকরি আইনগতভাবে বহাল থাকবে।”

তিনি বলেন, “দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় নিয়োজিত সদস্যদের মনোবল ভেঙে দেওয়া বা বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের সম্মান ক্ষুণ্ণ করা কোনো দেশপ্রেমিকের কাজ নয়।”

সরকারের পক্ষ থেকে “আর কোনো সেনা সদস্যকে গ্রেপ্তারের পরিকল্পনা নেই” — এই বক্তব্যের সমালোচনা করে তিনি বলেন, “তদন্ত করতে গেলে আরও অপরাধীর নাম আসতে পারে। এখন ফুলস্টপ দিলে বিচারের স্বচ্ছতা নষ্ট হবে।”

সংবাদ সম্মেলনে অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল রোকন উদ্দিন বলেন, “পরবর্তী সরকার যদি এই আইন সংশোধন না করে, তাহলে অনেক আসামি পার পেয়ে যেতে পারে। তবে কোনো ব্যক্তিগত আক্রোশ বা তড়িঘড়ি করে বিচার করা হলে তা যেন পরবর্তীতে প্রশ্নবিদ্ধ না হয়।”