আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও একই দিনে গণভোটের ঘোষণা দেওয়ায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে ধন্যবাদ জানিয়েছে বিএনপি। বৃহস্পতিবার রাতে স্থায়ী কমিটির বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে এই প্রতিক্রিয়া জানান মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, ১৭ অক্টোবর স্বাক্ষরিত জুলাই জাতীয় সনদে জনগণের সম্মতি নিতে গণভোট আয়োজন এবং দ্রুত নির্বাচনের আহ্বান জানানো হয়েছিল। প্রধান উপদেষ্টা ঘোষণায় সেই প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নেওয়া হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। বৈঠকে ভার্চুয়ালি সভাপতিত্ব করেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
তবে এর আগে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ প্রধান উপদেষ্টার ভাষণকে ‘জুলাই সনদ লঙ্ঘন’ বলে কঠোর সমালোচনা করেন। গুলশানে নিজ বাসায় সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করেন, ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা সনদের বাইরে গিয়ে নতুন ধারণা চাপিয়ে দিয়েছেন, যা রাষ্ট্রে বিভাজন সৃষ্টি করতে পারে। সালাহউদ্দিন বলেন, সনদে উল্লিখিত নোট অব ডিসেন্টসহ সব বিষয় স্পষ্ট থাকলেও নতুন করে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন বা সংসদ সদস্যদের অতিরিক্ত শপথের প্রস্তাব সম্পূর্ণ নতুন এবং সাংবিধানিক কাঠামোর সঙ্গে সাংঘর্ষিক। ঐকমত্য কমিশনের ৯ মাসের আলোচনার বাইরে গিয়ে প্রধান উপদেষ্টা কেন এমন প্রস্তাব আনলেন—সেটি দলের কাছে প্রশ্নবিদ্ধ বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
অন্যদিকে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, লকডাউন কর্মসূচি দিয়ে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে বিচার বন্ধ করা যাবে না। নয়াপল্টনে একটি অনুষ্ঠানে তিনি অভিযোগ করেন, লকডাউনের নামে আওয়ামী লীগ নিজেই সহিংসতা ছড়াচ্ছে, আর জনগণ বহু আগেই দলটির বিরুদ্ধে ‘লকডাউন’ দিয়ে রেখেছে।

ডেস্ক রিপোর্ট 
























