ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬, ২৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
বিয়ের পিঁড়িতে বসছেন ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম, পাত্রী কে? ২ মিলিয়ন ডলারে টিকিট কিনলে নিজেই ‘হটডগ ও কোক’ পৌঁছে দেবেন ইনফান্তিনো দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে ব্যাখ্যা দিলেন রফিকুল ইসলাম মাদানী হাম ও উপসর্গে আরও ১২ মৃত্যু বাংলাদেশের নির্বাচনে ভারতের ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’ অভিযোগ নাকচ করলেন বিক্রম মিশ্রি জুসের মান নিয়ে কথা কাটাকাটি, জামায়াত নেতাকে কুপিয়ে হত্যা ১১ বছরের মাদরাসা ছাত্রীর অন্তঃসত্ত্বা ঘটনা ঘিরে উত্তেজনা, চিকিৎসককে হুমকি চৌদ্দগ্রাম উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার অফিসে শিশুদের উপস্থিতি নিয়ে আলোচনা বিয়ে করছেন ডাকসু ভিপি সাদেক কায়েম, পাত্রী কে? বিতর্কিত মন্তব্যের পর ক্ষমা চাইলেন বাউলশিল্পী হাসিনা সরকার

কুষ্টিয়া-২: বিএনপি প্রার্থীর আওয়ামী লীগ নেতার কবর জিয়ারতে রাজনৈতিক অঙ্গনে তোলপাড়

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৭:৩০:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ নভেম্বর ২০২৫
  • ২৫২ বার পড়া হয়েছে

 

কুষ্টিয়া-২ (ভেড়ামারা–মিরপুর) আসনের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ব্যারিস্টার রাগীব রউফ চৌধুরী প্রয়াত এক আওয়ামী লীগ নেতার কবর জিয়ারত করায় স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

জানা যায়, বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় বাহাদুরপুর ইউনিয়নের বিজেএম ডিগ্রি কলেজে শিক্ষার মান উন্নয়ন বিষয়ক এক সমাবেশে যোগ দেওয়ার আগে বিএনপি প্রার্থী রাগীব রউফ চৌধুরী উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আব্দুর রাজ্জাকের কবর জিয়ারত করেন। এ সময় উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব শাহজাহান আলীসহ দলের স্থানীয় নেতাকর্মীরা তার সঙ্গে ছিলেন।

ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর রাজনৈতিক অঙ্গনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। কেউ এটিকে ‘অশোভন’ বললেও কেউ বলছেন এটি নিছক একটি সামাজিক সৌজন্যতা।

প্রয়াত আওয়ামী লীগ নেতার ছেলে যুবলীগ নেতা সোহেল রানা পবন বলেন, “তিনি সত্যিই বাবার কবর জিয়ারত করেছেন। আমার দুই ভাই তার সঙ্গে কাজ করে, সম্ভবত সেই সূত্রেই যেতে পারেন। আমরা কেউই সেখানে উপস্থিত ছিলাম না।”

উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট তৌহিদুল ইসলাম বিষয়টিকে অনুচিত উল্লেখ করে বলেন, “একজন আওয়ামী লীগ নেতার কবর জিয়ারত করে বিএনপির প্রার্থী নির্বাচনী কর্মকাণ্ড চালাচ্ছেন—এটা শোভনীয় নয় এবং মানুষও বিষয়টি ভালোভাবে নেয়নি।”

অন্যদিকে ব্যারিস্টার রাগীব রউফ চৌধুরী বলেন, “তিনি আওয়ামী লীগ করতেন—এটা আমার জানা ছিল না। যতটা জানি, তিনি জাতীয় পার্টির রাজনীতি করতেন এবং উপজেলা চেয়ারম্যানসহ একাধিকবার ইউপি চেয়ারম্যান ছিলেন। কলেজের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে সামাজিক সৌজন্যবশতই তার কবর জিয়ারত করা হয়েছে।”

কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির সদস্যসচিব প্রকৌশলী জাকির হোসেন সরকার বিষয়টি নিয়ে আলোচনা অপ্রয়োজনীয় বলে মন্তব্য করেন। তার ভাষায়, “এটা কোনো ইস্যুই নয়। সাধারণ সামাজিক সৌজন্যতা।”

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বিয়ের পিঁড়িতে বসছেন ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম, পাত্রী কে?

কুষ্টিয়া-২: বিএনপি প্রার্থীর আওয়ামী লীগ নেতার কবর জিয়ারতে রাজনৈতিক অঙ্গনে তোলপাড়

আপডেট সময় ০৭:৩০:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ নভেম্বর ২০২৫

 

কুষ্টিয়া-২ (ভেড়ামারা–মিরপুর) আসনের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ব্যারিস্টার রাগীব রউফ চৌধুরী প্রয়াত এক আওয়ামী লীগ নেতার কবর জিয়ারত করায় স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

জানা যায়, বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় বাহাদুরপুর ইউনিয়নের বিজেএম ডিগ্রি কলেজে শিক্ষার মান উন্নয়ন বিষয়ক এক সমাবেশে যোগ দেওয়ার আগে বিএনপি প্রার্থী রাগীব রউফ চৌধুরী উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আব্দুর রাজ্জাকের কবর জিয়ারত করেন। এ সময় উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব শাহজাহান আলীসহ দলের স্থানীয় নেতাকর্মীরা তার সঙ্গে ছিলেন।

ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর রাজনৈতিক অঙ্গনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। কেউ এটিকে ‘অশোভন’ বললেও কেউ বলছেন এটি নিছক একটি সামাজিক সৌজন্যতা।

প্রয়াত আওয়ামী লীগ নেতার ছেলে যুবলীগ নেতা সোহেল রানা পবন বলেন, “তিনি সত্যিই বাবার কবর জিয়ারত করেছেন। আমার দুই ভাই তার সঙ্গে কাজ করে, সম্ভবত সেই সূত্রেই যেতে পারেন। আমরা কেউই সেখানে উপস্থিত ছিলাম না।”

উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট তৌহিদুল ইসলাম বিষয়টিকে অনুচিত উল্লেখ করে বলেন, “একজন আওয়ামী লীগ নেতার কবর জিয়ারত করে বিএনপির প্রার্থী নির্বাচনী কর্মকাণ্ড চালাচ্ছেন—এটা শোভনীয় নয় এবং মানুষও বিষয়টি ভালোভাবে নেয়নি।”

অন্যদিকে ব্যারিস্টার রাগীব রউফ চৌধুরী বলেন, “তিনি আওয়ামী লীগ করতেন—এটা আমার জানা ছিল না। যতটা জানি, তিনি জাতীয় পার্টির রাজনীতি করতেন এবং উপজেলা চেয়ারম্যানসহ একাধিকবার ইউপি চেয়ারম্যান ছিলেন। কলেজের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে সামাজিক সৌজন্যবশতই তার কবর জিয়ারত করা হয়েছে।”

কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির সদস্যসচিব প্রকৌশলী জাকির হোসেন সরকার বিষয়টি নিয়ে আলোচনা অপ্রয়োজনীয় বলে মন্তব্য করেন। তার ভাষায়, “এটা কোনো ইস্যুই নয়। সাধারণ সামাজিক সৌজন্যতা।”