ঢাকা , শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
গ্যাস দে, বিদ্যুৎ দে, নয়তো গদি ছেড়ে দে: কুমিল্লায় ডা. শফিকুর রহমান শিবিরকে ভালো বলেছি, তাই আমাকে ট্যাগ দিয়ে হ্যারাসমেন্ট করা হচ্ছে: ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি সংযোগ নেই-মিটারও নেই, আবেদন করায় বিদ্যুত বিল এল ৬৯২ টাকা! আমরা ১৮ কোটি মানুষের পক্ষে রাস্তায় নেমেছি: জামায়াত আমির ভারতের সঙ্গে হাজারও সমস্যা থাকলেও আলোচনার দরজা খোলা: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জনগণের অধিকার নিয়ে ছিনিমিনি খেললে ছাড় দেওয়া হবে না: জামায়াতে আমির সরকারকে টেনে নামাতে আমাদের হাত এক চুলও কাঁপবে না: মামুনুল হক সরকারকে টেনে নামাতে আমাদের হাত এক চুলও কাঁপবে না: মামুনুল হক মানুষ বলছে আর কখনো বিএনপিকে ভোট দেব না: অলি আহমদ জামায়াতের লংমার্চের কারণে জ্বালানি সংকট বাড়ছে: রাশেদ খাঁন

 যুদ্ধবিরতিতে ‘অবশ্যই’ লেবাননকে অন্তর্ভূক্ত করতে হবে: ঘালিবাফ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১২:৪৮:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
  • ১৪২ বার পড়া হয়েছে

এবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের ১৪ দিনের যুদ্ধবিরতিতে অবশ্যই ইরানকে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানিয়েছেন ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার এবং ক্ষমতাসীন ইসলামি প্রজাতন্ত্রী সরকারের অন্যতম মুখপাত্র মোহাম্মদ বাঘের ঘালিবাফ। যুক্তরাষ্ট্রকেইসরায়েল প্রথমনীতি ত্যাগ করারও আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। গতকাল বুধবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করা এক বার্তায় ঘালিবাফ বলেন, “(যুক্তরাষ্ট্রইরান) যুদ্ধবিরতিতে লেবাননের অন্তর্ভুক্তি অবশ্যই যুক্তরাষ্ট্রকে মেনে নিতে হবে। সেই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রেরইসরায়েল প্রথমপররাষ্ট্রনীতিও ত্যাগ করা উচিত ওয়াশিংটনের।

এক্সবার্তায় ঘালিবাফ বলেন, লেবাননে একটি পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধবিরতি নির্ভর করবে দেশটির সশস্ত্র ইসলামি গোষ্ঠী হিজবুল্লার অটল সংগ্রামের ওপর। উল্লেখ্য, হিজবুল্লা, হামাস, হুথি মিলিশিয়াসহ মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি সশস্ত্র গোষ্ঠীকে নিয়মিত অর্থ, অস্ত্র ও নির্দেশনা প্রদান করে ইরান। বুধবারের বিবৃতেতে এই গোষ্ঠীগুলোকেপ্রতিরোধী পক্ষউল্লেখ করে এক্সবার্তায় ঘালিবাফ বলেন, “যুদ্ধ হোক কিংবা যুদ্ধবিরতিহিজবুল্লা, হামাস, হুথি এবং ইরাকি মিলিশিয়ারা সবাই একআত্মা।

উল্লেখ্য, ইরানের পরমাণু প্রকল্প এবং ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে কয়েক বছর ধরে বিরোধ চলার পর গত ২৮ ফেব্রুয়ারি দেশটিতে যৌথ সামরিক অভিযান শুরু করে মার্কিন এবং ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী। ইরানে অভিযান শুরুর ২ দিন পর ২ মার্চ যুদ্ধবিরতি ভেঙে লেবাননে সামরিক অভিযান শুর করে ইসরায়েল।

লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুসারে ২ মার্চ থেকে শুরু হওয়া সেই অভিযানে এ পর্যন্ত লেবাননে নিহত হয়েছেন ২ হাজার ২৬৭ জন এবং আহত হয়েছেন ৬ হাজার ৫০০ জনেরও বেশি। এছাড়া কয়েক লাখ মানুষ বাড়িঘর ছেড়ে নিরাদ আশ্রয়ের উদ্দেশে ছুটতে বাধ্য হয়েছেন। টানা প্রায় ৪০ দিন যুদ্ধের পর গত ৮ এপ্রিল যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। তবে যুক্তরাষ্ট্রইরান যুদ্ধবিরতির মধ্যেও লেবাননে হামলা অব্যাহত রেখেছে ইসরায়েল। সূত্র : বিবিসি

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

গ্যাস দে, বিদ্যুৎ দে, নয়তো গদি ছেড়ে দে: কুমিল্লায় ডা. শফিকুর রহমান

 যুদ্ধবিরতিতে ‘অবশ্যই’ লেবাননকে অন্তর্ভূক্ত করতে হবে: ঘালিবাফ

আপডেট সময় ১২:৪৮:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

এবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের ১৪ দিনের যুদ্ধবিরতিতে অবশ্যই ইরানকে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানিয়েছেন ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার এবং ক্ষমতাসীন ইসলামি প্রজাতন্ত্রী সরকারের অন্যতম মুখপাত্র মোহাম্মদ বাঘের ঘালিবাফ। যুক্তরাষ্ট্রকেইসরায়েল প্রথমনীতি ত্যাগ করারও আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। গতকাল বুধবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করা এক বার্তায় ঘালিবাফ বলেন, “(যুক্তরাষ্ট্রইরান) যুদ্ধবিরতিতে লেবাননের অন্তর্ভুক্তি অবশ্যই যুক্তরাষ্ট্রকে মেনে নিতে হবে। সেই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রেরইসরায়েল প্রথমপররাষ্ট্রনীতিও ত্যাগ করা উচিত ওয়াশিংটনের।

এক্সবার্তায় ঘালিবাফ বলেন, লেবাননে একটি পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধবিরতি নির্ভর করবে দেশটির সশস্ত্র ইসলামি গোষ্ঠী হিজবুল্লার অটল সংগ্রামের ওপর। উল্লেখ্য, হিজবুল্লা, হামাস, হুথি মিলিশিয়াসহ মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি সশস্ত্র গোষ্ঠীকে নিয়মিত অর্থ, অস্ত্র ও নির্দেশনা প্রদান করে ইরান। বুধবারের বিবৃতেতে এই গোষ্ঠীগুলোকেপ্রতিরোধী পক্ষউল্লেখ করে এক্সবার্তায় ঘালিবাফ বলেন, “যুদ্ধ হোক কিংবা যুদ্ধবিরতিহিজবুল্লা, হামাস, হুথি এবং ইরাকি মিলিশিয়ারা সবাই একআত্মা।

উল্লেখ্য, ইরানের পরমাণু প্রকল্প এবং ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে কয়েক বছর ধরে বিরোধ চলার পর গত ২৮ ফেব্রুয়ারি দেশটিতে যৌথ সামরিক অভিযান শুরু করে মার্কিন এবং ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী। ইরানে অভিযান শুরুর ২ দিন পর ২ মার্চ যুদ্ধবিরতি ভেঙে লেবাননে সামরিক অভিযান শুর করে ইসরায়েল।

লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুসারে ২ মার্চ থেকে শুরু হওয়া সেই অভিযানে এ পর্যন্ত লেবাননে নিহত হয়েছেন ২ হাজার ২৬৭ জন এবং আহত হয়েছেন ৬ হাজার ৫০০ জনেরও বেশি। এছাড়া কয়েক লাখ মানুষ বাড়িঘর ছেড়ে নিরাদ আশ্রয়ের উদ্দেশে ছুটতে বাধ্য হয়েছেন। টানা প্রায় ৪০ দিন যুদ্ধের পর গত ৮ এপ্রিল যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। তবে যুক্তরাষ্ট্রইরান যুদ্ধবিরতির মধ্যেও লেবাননে হামলা অব্যাহত রেখেছে ইসরায়েল। সূত্র : বিবিসি