ঢাকা , শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ফ্যামিলি কার্ডের তালিকা নিয়ে অসন্তোষ ডেপুটি স্পিকার প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় আটক শিবির কর্মী আ.লীগের মতো বিএনপির নেতাকর্মীরা মিডিয়া নিয়ন্ত্রণ করছে ভাগ্নিকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগে সৎ মামা আটক প্রবাসী স্বামীর হাত-পা কেটে নদীতে ফেলে মাংস আলাদা করে ফ্রিজে রাখে স্ত্রী! ট্রাম্পের সতর্কবার্তার পর নিজেকে ‘স্বাধীন’ রাষ্ট্র দাবি তাইওয়ানের ১০ বছর সাজাপ্রাপ্ত বেরোবির সাবেক উপাচার্য গ্রেফতার মেহেরপুরে অনলাইন জুয়ার বড় নেটওয়ার্কে অভিযান, রাফসান জনিসহ গ্রেপ্তার ৪ দিনের আলোতেই মেহেরপুরে ছাত্রলীগের পোস্টারিং, ভিডিও ছড়ালো ফেসবুকে জামায়াত নেতার বাড়ি থেকে ৯৯ বস্তা সরকারি চাল উদ্ধার

প্রবাসী স্বামীর হাত-পা কেটে নদীতে ফেলে মাংস আলাদা করে ফ্রিজে রাখে স্ত্রী!

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:১২:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
  • ৭ বার পড়া হয়েছে

 

প্রবাসী স্বামীর হাত-পা কেটে নদীতে ফেলে মাংস আলাদা করে ফ্রিজে রাখে স্ত্রী!

স্বামীকে হত্যার পর মরদেহ টুকরো টুকরো করে বিভিন্ন স্থানে লুকানোর মতো চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে স্ত্রীর বিরুদ্ধে। হাত ও পা কেটে ফেলে ছিলেন পদ্মা নদীতে। ঘটনাটি নিয়ে জেলাজুড়ে সৃষ্টি হয়েছে ব্যাপক চাঞ্চল্য। অভিযুক্ত স্ত্রীকে আটক করেছে পুলিশ। লোমহর্ষক ঘটনাটি ঘটেছে শরীয়তপুর সদর উপজেলার চন্দ্রপুর এলাকায়।

 

গত ১৩ মে গভীর রাতে নিজ বাসাতেই স্ত্রী আসমা বেগমের হাতে খুন হয়েছেন জিয়া সরদার নামে এক প্রবাসী। পুলিশের হাতে আটকের পর স্বামী হত্যার লোমহর্ষক ঘটনার স্বীকারোক্তি দিয়েছে আসমা বেগম নিজেই।

 

 

জানা যায়, ফেসবুকে পরিচয়ের পর গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ার আসাদ তালুকদারকে ছেড়ে শরীয়তপুরের মাহমুদপুর এলাকার প্রবাসী জিয়া সরদারকে বিয়ে করেন পিরোজপুরের নাজিরপুরের আসমা বেগম। বৃহস্পতিবার রাতে পারিবারিক বিষয় নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়ার একপর্যায়ে ঘরে থাকা লোহার রড দিয়ে স্বামীকে একাধিক আঘাত করেন আসমা। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যান জিয়া।

 

হত্যার পর ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে মরদেহ টুকরো টুকরো করা হয়। দুই হাত ও দুই পা বিচ্ছিন্ন করে পদ্মা নদীতে ফেলে দেন। আর শরীরের অন্য অংশ সদর উপজেলার আটং বৃক্ষতলা এলাকার একটি পুকুর পাড়ে রেখে আসেন। এতেই শেষ নয়। গতকাল শুক্রবার বিকেলে মরদেহের মাংস আলাদা করে বস্তায় ভরে ফ্রিজে লুকানোর চেষ্টাও করেন অভিযুক্ত আসমা বেগম।

 

পরে দুর্গন্ধ ও সন্দেহজনক আচরণ দেখে স্থানীয়রা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন দিলে ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ আসমাকে আটক করে। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে হত্যার কথা স্বীকার করেন তিনি। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মরদেহের বিভিন্ন অংশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় ক্ষোভ ও বিচার দাবি জানিয়েছেন নিহতের পরিবার ও স্থানীয়রা।

 

এমন নৃশংস হত্যাকাণ্ডের কথা নিজের মুখেই স্বীকার করেন অভিযুক্ত আসমা বেগম।

 

শরীয়তপুরের পালং মডেল থানার ওসি শাহ আলম বলেন, ঘটনার সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত আছে কিনা, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মরদেহের উদ্ধার হওয়া অংশগুলো ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।

 

স্বামীকে হত্যার পর মরদেহ খণ্ডিত করে বিভিন্ন স্থানে লুকানোর এই ভয়াবহ ঘটনায় এলাকা জুড়ে নেমে এসেছে চাঞ্চল্য ও আতঙ্ক। নৃশংস এই হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার দাবি করেছেন স্থানীয়রা।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যামিলি কার্ডের তালিকা নিয়ে অসন্তোষ ডেপুটি স্পিকার

প্রবাসী স্বামীর হাত-পা কেটে নদীতে ফেলে মাংস আলাদা করে ফ্রিজে রাখে স্ত্রী!

আপডেট সময় ১০:১২:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬

 

প্রবাসী স্বামীর হাত-পা কেটে নদীতে ফেলে মাংস আলাদা করে ফ্রিজে রাখে স্ত্রী!

স্বামীকে হত্যার পর মরদেহ টুকরো টুকরো করে বিভিন্ন স্থানে লুকানোর মতো চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে স্ত্রীর বিরুদ্ধে। হাত ও পা কেটে ফেলে ছিলেন পদ্মা নদীতে। ঘটনাটি নিয়ে জেলাজুড়ে সৃষ্টি হয়েছে ব্যাপক চাঞ্চল্য। অভিযুক্ত স্ত্রীকে আটক করেছে পুলিশ। লোমহর্ষক ঘটনাটি ঘটেছে শরীয়তপুর সদর উপজেলার চন্দ্রপুর এলাকায়।

 

গত ১৩ মে গভীর রাতে নিজ বাসাতেই স্ত্রী আসমা বেগমের হাতে খুন হয়েছেন জিয়া সরদার নামে এক প্রবাসী। পুলিশের হাতে আটকের পর স্বামী হত্যার লোমহর্ষক ঘটনার স্বীকারোক্তি দিয়েছে আসমা বেগম নিজেই।

 

 

জানা যায়, ফেসবুকে পরিচয়ের পর গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ার আসাদ তালুকদারকে ছেড়ে শরীয়তপুরের মাহমুদপুর এলাকার প্রবাসী জিয়া সরদারকে বিয়ে করেন পিরোজপুরের নাজিরপুরের আসমা বেগম। বৃহস্পতিবার রাতে পারিবারিক বিষয় নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়ার একপর্যায়ে ঘরে থাকা লোহার রড দিয়ে স্বামীকে একাধিক আঘাত করেন আসমা। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যান জিয়া।

 

হত্যার পর ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে মরদেহ টুকরো টুকরো করা হয়। দুই হাত ও দুই পা বিচ্ছিন্ন করে পদ্মা নদীতে ফেলে দেন। আর শরীরের অন্য অংশ সদর উপজেলার আটং বৃক্ষতলা এলাকার একটি পুকুর পাড়ে রেখে আসেন। এতেই শেষ নয়। গতকাল শুক্রবার বিকেলে মরদেহের মাংস আলাদা করে বস্তায় ভরে ফ্রিজে লুকানোর চেষ্টাও করেন অভিযুক্ত আসমা বেগম।

 

পরে দুর্গন্ধ ও সন্দেহজনক আচরণ দেখে স্থানীয়রা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন দিলে ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ আসমাকে আটক করে। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে হত্যার কথা স্বীকার করেন তিনি। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মরদেহের বিভিন্ন অংশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় ক্ষোভ ও বিচার দাবি জানিয়েছেন নিহতের পরিবার ও স্থানীয়রা।

 

এমন নৃশংস হত্যাকাণ্ডের কথা নিজের মুখেই স্বীকার করেন অভিযুক্ত আসমা বেগম।

 

শরীয়তপুরের পালং মডেল থানার ওসি শাহ আলম বলেন, ঘটনার সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত আছে কিনা, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মরদেহের উদ্ধার হওয়া অংশগুলো ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।

 

স্বামীকে হত্যার পর মরদেহ খণ্ডিত করে বিভিন্ন স্থানে লুকানোর এই ভয়াবহ ঘটনায় এলাকা জুড়ে নেমে এসেছে চাঞ্চল্য ও আতঙ্ক। নৃশংস এই হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার দাবি করেছেন স্থানীয়রা।