ঢাকা , রবিবার, ১৭ মে ২০২৬, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সাতটি পাসপোর্টসহ সীমান্তে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাবেক ডিজি আটক পশ্চিমবঙ্গে যারা ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিচ্ছে তাদের ছাড়া হবে না: শুভেন্দু ‘গুপ্ত গুপ্ত’ স্লোগান ব্যঙ্গ করে প্রচারণায় শিবির, সেলফিতে মাতলেন নবীন শিক্ষার্থীরা আমরা শুধু আছি ভারতকে নিয়ে আর ভারত আছে আমাদের নিয়ে: ফজলুর রহমান ফ্যামিলি কার্ডের তালিকা নিয়ে অসন্তোষ ডেপুটি স্পিকার প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় আটক শিবির কর্মী আ.লীগের মতো বিএনপির নেতাকর্মীরা মিডিয়া নিয়ন্ত্রণ করছে ভাগ্নিকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগে সৎ মামা আটক প্রবাসী স্বামীর হাত-পা কেটে নদীতে ফেলে মাংস আলাদা করে ফ্রিজে রাখে স্ত্রী! ট্রাম্পের সতর্কবার্তার পর নিজেকে ‘স্বাধীন’ রাষ্ট্র দাবি তাইওয়ানের

ফ্যামিলি কার্ডের তালিকা নিয়ে অসন্তোষ ডেপুটি স্পিকার

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:০৪:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
  • ৫ বার পড়া হয়েছে

নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার লেংগুরা ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ৭৯৪টি পরিবারের মাঝে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হয়েছে।

 

শনিবার বিকেলে জেলা পরিষদ অডিটরিয়াম কাম মাল্টিপারপাস হলরুমে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ও নেত্রকোণা-১ (কলমাকান্দা-দুর্গাপুর) আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

 

অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে ডেপুটি স্পিকার বলেন, ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের তালিকা যথাযথভাবে প্রস্তুত হয়নি। প্রকৃত অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষ যাতে সরকারি সুবিধা পায়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের আরও দায়িত্বশীল হতে হবে। তিনি বলেন, তালিকা প্রণয়নে কোনো ধরনের অনিয়ম বা পক্ষপাতিত্ব গ্রহণযোগ্য নয়।

 

তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একটি মানবিক ও কল্যাণমুখী রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্যে কাজ করছেন। ফ্যামিলি কার্ড, হেলথ কার্ড, ফার্মার্স কার্ড ও ফোর্স কার্ডের মতো জনকল্যাণমূলক উদ্যোগের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।

 

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন নেত্রকোনা-২ আসনের সংসদ সদস্য ডা. মো. আনোয়ারুল হক, জেলা প্রশাসক খন্দকার মুশফিকুর রহমান, পুলিশ সুপার মো. তরিকুল ইসলাম, জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাডভোকেট মো. নুরুজ্জামান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম মিকাইল ইসলাম, জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক শাহ আলম এবং লেংগুরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান ভূঁইয়া।

 

উল্লেখ্য, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত এ কর্মসূচিতে লেংগুরা ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডে অনলাইনের মাধ্যমে মোট ১ হাজার ১০ জন আবেদন করেন। যাচাই-বাছাই শেষে ৭৯৪টি পরিবারকে সুবিধাভোগী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এছাড়া সরকারের অন্যান্য সুবিধার আওতায় থাকায় ১১০ জন আবেদনকারী তালিকাভুক্ত হতে পারেননি।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

সাতটি পাসপোর্টসহ সীমান্তে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাবেক ডিজি আটক

ফ্যামিলি কার্ডের তালিকা নিয়ে অসন্তোষ ডেপুটি স্পিকার

আপডেট সময় ১১:০৪:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬

নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার লেংগুরা ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ৭৯৪টি পরিবারের মাঝে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হয়েছে।

 

শনিবার বিকেলে জেলা পরিষদ অডিটরিয়াম কাম মাল্টিপারপাস হলরুমে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ও নেত্রকোণা-১ (কলমাকান্দা-দুর্গাপুর) আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

 

অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে ডেপুটি স্পিকার বলেন, ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের তালিকা যথাযথভাবে প্রস্তুত হয়নি। প্রকৃত অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষ যাতে সরকারি সুবিধা পায়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের আরও দায়িত্বশীল হতে হবে। তিনি বলেন, তালিকা প্রণয়নে কোনো ধরনের অনিয়ম বা পক্ষপাতিত্ব গ্রহণযোগ্য নয়।

 

তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একটি মানবিক ও কল্যাণমুখী রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্যে কাজ করছেন। ফ্যামিলি কার্ড, হেলথ কার্ড, ফার্মার্স কার্ড ও ফোর্স কার্ডের মতো জনকল্যাণমূলক উদ্যোগের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।

 

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন নেত্রকোনা-২ আসনের সংসদ সদস্য ডা. মো. আনোয়ারুল হক, জেলা প্রশাসক খন্দকার মুশফিকুর রহমান, পুলিশ সুপার মো. তরিকুল ইসলাম, জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাডভোকেট মো. নুরুজ্জামান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম মিকাইল ইসলাম, জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক শাহ আলম এবং লেংগুরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান ভূঁইয়া।

 

উল্লেখ্য, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত এ কর্মসূচিতে লেংগুরা ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডে অনলাইনের মাধ্যমে মোট ১ হাজার ১০ জন আবেদন করেন। যাচাই-বাছাই শেষে ৭৯৪টি পরিবারকে সুবিধাভোগী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এছাড়া সরকারের অন্যান্য সুবিধার আওতায় থাকায় ১১০ জন আবেদনকারী তালিকাভুক্ত হতে পারেননি।