ঢাকা , মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
চাঞ্চল্য ছড়াল মেয়র মামদানির বক্তব্য, ফাঁস করলেন ‘গোপন খবর’ ‘ব্রাজেন্টিনা’য় দেখা যাবে অন্য এক জামালকে পদ্মা রেলসেতুর পিলারের নিচ থেকে মাটি কেটে নেওয়া হয়েছে, বিষয়টা এ রকম না: সেতুমন্ত্রী পবিত্র ‘কালিমা’-কে সম্মান দেখিয়ে বিশ্বকাপে মাটিতে নামানো হয়নি সৌদির পতাকা ঢাকায় ট্রাকের ধাক্কায় প্রাণ গেল জুলাইযোদ্ধা জোবায়েরের বিশ্বকাপে আমরাই সবচেয়ে বেশি নির্যাতিত দল: ইরান কোচ ফুটবল বিশ্বকাপে কোন দলকে সমর্থন করেন প্রধানমন্ত্রী, জানালেন নিজেই টিকটক করায় স্ত্রীকে হত্যা, অভিযুক্ত স্বামী আটক ইরানের সঙ্গে চুক্তি নিয়ে ইসরাইলে ক্ষোভের বিস্ফোরণ, যুক্তরাষ্ট্রকে ‘বিশ্বাসঘাতক’ আখ্যা “দিল্লি থেকে ফেরা পরপরই প্রতিবাদ, কী বললেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা?”

ফুটবল বিশ্বকাপে কোন দলকে সমর্থন করেন প্রধানমন্ত্রী, জানালেন নিজেই

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৪:০১:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
  • ১০৯ বার পড়া হয়েছে

ফুটবল বিশ্বকাপে তিনি কোন দেশের সমর্থকএমন প্রশ্নের জবাবে সরাসরি দলের নাম মুখে না নিলেও পরোক্ষভাবে নির্বাসিত জীবনের উল্লেখ করে একটি দেশের প্রতি নিজের প্রচ্ছন্ন সমর্থনের কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ মঙ্গলবার রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময়কালে তিনি হাসিমুখে এমন ইঙ্গিত দেন।

বিএনপি বিটের সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপচারিতার একপর্যায়ে চলতি ফুটবল বিশ্বকাপের মৌসুম নিয়ে আলোচনা উঠলে প্রধানমন্ত্রীর কাছে জানতে চাওয়া হয়, তিনি আসলে কোন দলের সমর্থক। এর জবাবে মুখে মৃদু হাসি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘অনেক দিন একটা দেশে ছিলাম তো।তিনি সরাসরি ইংল্যান্ড বা যুক্তরাজ্যের নাম উচ্চারণ না করলেও তাঁর দীর্ঘ নির্বাসিত জীবনের প্রেক্ষাপটে সাংবাদিক ও উপস্থিত ব্যক্তিরা এটিকে ইংল্যান্ড ফুটবল দলের প্রতি তাঁর সমর্থন হিসেবেই ধরে নিয়েছেন।

রাজনৈতিক ও আইনি বাধ্যবাধকতার কারণে দীর্ঘ দেড় দশকেরও বেশি সময় ধরে যুক্তরাজ্যের লন্ডনে নির্বাসিত জীবন কাটিয়েছেন তারেক রহমান। ২০২৪ সালের জুলাইআগস্ট গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর তিনি দেশে ফিরে আসেন। গত ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জিতে এক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করেছে বিএনপি, সরকারের শীর্ষ দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন তারেক রহমান।

লন্ডনে দীর্ঘস্থায়ী বসবাসের কারণেই ফুটবলের এই বৈশ্বিক মহোৎসবে তিনি ইংলিশদের পক্ষেই নিজের অবস্থান স্পষ্ট করলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। আজকের এই মতবিনিময় সভায় প্রধানত দেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়। তবে অনুষ্ঠান শেষে অনানুষ্ঠানিক এই ক্রীড়াবিষয়ক প্রশ্নোত্তর পর্বটি উপস্থিত সাংবাদিকদের মধ্যে বেশ চাঞ্চল্য ও হাস্যরসের সৃষ্টি করে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

চাঞ্চল্য ছড়াল মেয়র মামদানির বক্তব্য, ফাঁস করলেন ‘গোপন খবর’

ফুটবল বিশ্বকাপে কোন দলকে সমর্থন করেন প্রধানমন্ত্রী, জানালেন নিজেই

আপডেট সময় ০৪:০১:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬

ফুটবল বিশ্বকাপে তিনি কোন দেশের সমর্থকএমন প্রশ্নের জবাবে সরাসরি দলের নাম মুখে না নিলেও পরোক্ষভাবে নির্বাসিত জীবনের উল্লেখ করে একটি দেশের প্রতি নিজের প্রচ্ছন্ন সমর্থনের কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ মঙ্গলবার রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময়কালে তিনি হাসিমুখে এমন ইঙ্গিত দেন।

বিএনপি বিটের সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপচারিতার একপর্যায়ে চলতি ফুটবল বিশ্বকাপের মৌসুম নিয়ে আলোচনা উঠলে প্রধানমন্ত্রীর কাছে জানতে চাওয়া হয়, তিনি আসলে কোন দলের সমর্থক। এর জবাবে মুখে মৃদু হাসি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘অনেক দিন একটা দেশে ছিলাম তো।তিনি সরাসরি ইংল্যান্ড বা যুক্তরাজ্যের নাম উচ্চারণ না করলেও তাঁর দীর্ঘ নির্বাসিত জীবনের প্রেক্ষাপটে সাংবাদিক ও উপস্থিত ব্যক্তিরা এটিকে ইংল্যান্ড ফুটবল দলের প্রতি তাঁর সমর্থন হিসেবেই ধরে নিয়েছেন।

রাজনৈতিক ও আইনি বাধ্যবাধকতার কারণে দীর্ঘ দেড় দশকেরও বেশি সময় ধরে যুক্তরাজ্যের লন্ডনে নির্বাসিত জীবন কাটিয়েছেন তারেক রহমান। ২০২৪ সালের জুলাইআগস্ট গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর তিনি দেশে ফিরে আসেন। গত ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জিতে এক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করেছে বিএনপি, সরকারের শীর্ষ দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন তারেক রহমান।

লন্ডনে দীর্ঘস্থায়ী বসবাসের কারণেই ফুটবলের এই বৈশ্বিক মহোৎসবে তিনি ইংলিশদের পক্ষেই নিজের অবস্থান স্পষ্ট করলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। আজকের এই মতবিনিময় সভায় প্রধানত দেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়। তবে অনুষ্ঠান শেষে অনানুষ্ঠানিক এই ক্রীড়াবিষয়ক প্রশ্নোত্তর পর্বটি উপস্থিত সাংবাদিকদের মধ্যে বেশ চাঞ্চল্য ও হাস্যরসের সৃষ্টি করে।