ঢাকা , মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
‘ব্রাজেন্টিনা’য় দেখা যাবে অন্য এক জামালকে পদ্মা রেলসেতুর পিলারের নিচ থেকে মাটি কেটে নেওয়া হয়েছে, বিষয়টা এ রকম না: সেতুমন্ত্রী পবিত্র ‘কালিমা’-কে সম্মান দেখিয়ে বিশ্বকাপে মাটিতে নামানো হয়নি সৌদির পতাকা ঢাকায় ট্রাকের ধাক্কায় প্রাণ গেল জুলাইযোদ্ধা জোবায়েরের বিশ্বকাপে আমরাই সবচেয়ে বেশি নির্যাতিত দল: ইরান কোচ ফুটবল বিশ্বকাপে কোন দলকে সমর্থন করেন প্রধানমন্ত্রী, জানালেন নিজেই টিকটক করায় স্ত্রীকে হত্যা, অভিযুক্ত স্বামী আটক ইরানের সঙ্গে চুক্তি নিয়ে ইসরাইলে ক্ষোভের বিস্ফোরণ, যুক্তরাষ্ট্রকে ‘বিশ্বাসঘাতক’ আখ্যা “দিল্লি থেকে ফেরা পরপরই প্রতিবাদ, কী বললেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা?” পদত্যাগ করে স্ত্রী জামালুন্নেসার ওপর দায়িত্ব দিলেন আদ-দ্বীনের শেখ মহিউদ্দিন

“দিল্লি থেকে ফেরা পরপরই প্রতিবাদ, কী বললেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা?”

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৩:১২:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
  • ২৪ বার পড়া হয়েছে

ভারতের দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দুই ঘণ্টা অপেক্ষার পর দেশে ফিরে আসার ঘটনাকে ‘তাৎক্ষণিক প্রতিবাদ’ হিসেবে অভিহিত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। তাঁর মতে, রাষ্ট্রীয় প্রতিনিধি হিসেবে এমন আচরণের জবাবে দ্রুত প্রতিক্রিয়া দেখানো প্রয়োজন ছিল।

আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে সরকারের নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দেন উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান।

তিনি জানান, পূর্বনির্ধারিত সফর অনুযায়ী দিল্লি যাওয়ার বিষয়টি দুই দিন আগেই ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে জানানো হয়েছিল। এরপরও রোববার ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাঁকে প্রায় আড়াই ঘণ্টা অপেক্ষায় রাখা হয় এবং শুরুতে প্রবেশের অনুমতিও দেওয়া হয়নি। পরে উচ্চপর্যায়ের নির্দেশে অনুমতি দেওয়া হলেও তিনি তা প্রত্যাখ্যান করে ঢাকায় ফিরে আসেন।

জাহেদ উর রহমান বলেন, তিনি ব্যক্তিগতভাবে নয়, বরং রাষ্ট্র ও সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে সেখানে গিয়েছিলেন। তাই ঘটনাটিকে তিনি অনাকাঙ্ক্ষিত ও হয়রানিমূলক হিসেবে দেখেছেন এবং এর প্রতিবাদস্বরূপ তাৎক্ষণিকভাবে ফেরার সিদ্ধান্ত নেন।

তিনি আরও বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে একটি স্পষ্ট বার্তা দেওয়ার প্রয়োজন ছিল, যাতে বোঝা যায় বর্তমান সরকার জনগণের ম্যান্ডেটপ্রাপ্ত এবং সমমর্যাদার ভিত্তিতেই আন্তর্জাতিক সম্পর্ক চায়।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, ঘটনার পর ঢাকায় ভারতের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনারকে তলব করে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে তীব্র অসন্তোষ জানানো হয়েছে।

এদিকে ভারতের বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, বিমানবন্দরের স্ক্রিনিং প্রক্রিয়ায় উপদেষ্টার নাম নজরদারি তালিকায় ওঠায় তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ ও অতিরিক্ত সময় অপেক্ষা করানো হয়।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

‘ব্রাজেন্টিনা’য় দেখা যাবে অন্য এক জামালকে

“দিল্লি থেকে ফেরা পরপরই প্রতিবাদ, কী বললেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা?”

আপডেট সময় ০৩:১২:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬

ভারতের দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দুই ঘণ্টা অপেক্ষার পর দেশে ফিরে আসার ঘটনাকে ‘তাৎক্ষণিক প্রতিবাদ’ হিসেবে অভিহিত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। তাঁর মতে, রাষ্ট্রীয় প্রতিনিধি হিসেবে এমন আচরণের জবাবে দ্রুত প্রতিক্রিয়া দেখানো প্রয়োজন ছিল।

আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে সরকারের নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দেন উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান।

তিনি জানান, পূর্বনির্ধারিত সফর অনুযায়ী দিল্লি যাওয়ার বিষয়টি দুই দিন আগেই ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে জানানো হয়েছিল। এরপরও রোববার ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাঁকে প্রায় আড়াই ঘণ্টা অপেক্ষায় রাখা হয় এবং শুরুতে প্রবেশের অনুমতিও দেওয়া হয়নি। পরে উচ্চপর্যায়ের নির্দেশে অনুমতি দেওয়া হলেও তিনি তা প্রত্যাখ্যান করে ঢাকায় ফিরে আসেন।

জাহেদ উর রহমান বলেন, তিনি ব্যক্তিগতভাবে নয়, বরং রাষ্ট্র ও সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে সেখানে গিয়েছিলেন। তাই ঘটনাটিকে তিনি অনাকাঙ্ক্ষিত ও হয়রানিমূলক হিসেবে দেখেছেন এবং এর প্রতিবাদস্বরূপ তাৎক্ষণিকভাবে ফেরার সিদ্ধান্ত নেন।

তিনি আরও বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে একটি স্পষ্ট বার্তা দেওয়ার প্রয়োজন ছিল, যাতে বোঝা যায় বর্তমান সরকার জনগণের ম্যান্ডেটপ্রাপ্ত এবং সমমর্যাদার ভিত্তিতেই আন্তর্জাতিক সম্পর্ক চায়।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, ঘটনার পর ঢাকায় ভারতের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনারকে তলব করে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে তীব্র অসন্তোষ জানানো হয়েছে।

এদিকে ভারতের বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, বিমানবন্দরের স্ক্রিনিং প্রক্রিয়ায় উপদেষ্টার নাম নজরদারি তালিকায় ওঠায় তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ ও অতিরিক্ত সময় অপেক্ষা করানো হয়।