ঢাকা , রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬, ২৯ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
আমরা আবারও আন্দোলনের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি: নাহিদ ইসলাম নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে তেল আবিবের রাস্তায় নেমে এল হাজার হাজার মানুষ ২ মাসের মধ্যে তেল শোধন ক্ষমতা ৮০ শতাংশে ফেরাতে চায় ইরান জনগণের সঙ্গে ধোঁকাবাজির মাধ্যমে সংসদে যাত্রা শুরু করেছে বিএনপি: জামায়াতে আমির এসএসসি পরীক্ষার হল পরিদর্শনে এমপিরা যেতে পারবেন না: শিক্ষামন্ত্রী জুলাই যোদ্ধা ও শহীদ পরিবারকে কোনো দলের ব্যানারে দেখতে চাই না: সারজিস আলোচনা ব্যর্থ: পাকিস্তান ছাড়লো ইরানি প্রতিনিধিদল যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্বাসঘাতকতা ও বিদ্বেষের কথা আমরা ভুলব না: ইরান সরকারের সিদ্ধান্তেই ইন্টারনেট বন্ধ হয়: জয়-পলকের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিলেন আইএসপিএবি সভাপতি ইরানের সঙ্গে শান্তি আলোচনা যখন ব্যর্থ হচ্ছিল, ট্রাম্প তখন কুস্তি খেলা দেখছিলেন

ইরানে হামলা চালাতে মোতায়েন করা বিশাল মার্কিন রণতরিতে ৩০ ঘণ্টা জ্বললো আগুন

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১২:৩৯:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬
  • ৫৬ বার পড়া হয়েছে

এবার অপারেশন এপিক ফিউরি নাম দিয়ে ইরানে আকস্মিক হামলা চালিয়েছিলো যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল। এই হামলার পাল্টা জবাব দেওয়া শুরু করে ইরানও। এতে করে পুরোপুরি যুদ্ধ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। এই ইরান যুদ্ধে লোহিত সাগরে সর্বাধুনিক ও বিশালাকৃতির বিমানবাহী রণতরি ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড মোতায়েন করে যুক্তরাষ্ট্র। তবে সেটিতে প্রায় ৩০ ঘণ্টা ধরে আগুন জ্বলেছে।

জানা গেছে, জেরাল্ড আর ফোর্ড এ গত সপ্তাহে লাগা আগুন টানা ৩০ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে জ্বলেছে। এতে রণতরিটির বেশ কয়েকজন নৌসেনা ধোঁয়ার কারণে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে গতকাল সোমবার এ তথ্য জানানো হয়েছে। রণতরিটির কয়েকজন নাবিক ও সামরিক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যমটি জানায়, গত সপ্তাহে রণতরিটির লন্ড্রি (কাপড় ধোয়ার জায়গা) অংশে এ অগ্নিকাণ্ড ঘটে।

এর আগে মার্কিন নৌবাহিনী এক বিবৃতিতে জানিয়েছিল, আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে এবং এটি কোনো যুদ্ধকালীন হামলার ঘটনা নয়। ওই ঘটনায় দুই নাবিক সামান্য আহত হয়েছেন বলেও জানানো হয়েছিল। লোহিত সাগরে মোতায়েন করা ১ লাখ টন ওজনের রণতরি জেরাল্ড আর ফোর্ডএর সামরিক কার্যক্রম ব্যাহত হয়নি বলে নৌবাহিনী দাবি করেছে। তবে ১৩ বিলিয়ন (১ হাজার ৩০০ কোটি) ডলার মূল্যের এ রণতরিতে থাকা প্রায় ৪ হাজার ৫০০ ক্রু ও বিমান সেনার অবস্থা বর্তমানেচরম অস্বস্তিকর

নিউইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, অগ্নিকাণ্ডের ফলে অন্তত ৬০০ নাবিক তাদের থাকার জায়গা হারিয়েছেন। তারা এখন রণতরির টেবিল বা মেঝেতে ঘুমাচ্ছেন। এ ছাড়া লন্ড্রি পুড়ে যাওয়ায় অনেকেই কাপড় ধুতে পারছেন না। পারস্য উপসাগর ও লোহিত সাগরের দায়িত্বে থাকা মার্কিন পঞ্চম নৌবহরের কাছে এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে চেয়েছে সিএনএন।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

আমরা আবারও আন্দোলনের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি: নাহিদ ইসলাম

ইরানে হামলা চালাতে মোতায়েন করা বিশাল মার্কিন রণতরিতে ৩০ ঘণ্টা জ্বললো আগুন

আপডেট সময় ১২:৩৯:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬

এবার অপারেশন এপিক ফিউরি নাম দিয়ে ইরানে আকস্মিক হামলা চালিয়েছিলো যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল। এই হামলার পাল্টা জবাব দেওয়া শুরু করে ইরানও। এতে করে পুরোপুরি যুদ্ধ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। এই ইরান যুদ্ধে লোহিত সাগরে সর্বাধুনিক ও বিশালাকৃতির বিমানবাহী রণতরি ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড মোতায়েন করে যুক্তরাষ্ট্র। তবে সেটিতে প্রায় ৩০ ঘণ্টা ধরে আগুন জ্বলেছে।

জানা গেছে, জেরাল্ড আর ফোর্ড এ গত সপ্তাহে লাগা আগুন টানা ৩০ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে জ্বলেছে। এতে রণতরিটির বেশ কয়েকজন নৌসেনা ধোঁয়ার কারণে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে গতকাল সোমবার এ তথ্য জানানো হয়েছে। রণতরিটির কয়েকজন নাবিক ও সামরিক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যমটি জানায়, গত সপ্তাহে রণতরিটির লন্ড্রি (কাপড় ধোয়ার জায়গা) অংশে এ অগ্নিকাণ্ড ঘটে।

এর আগে মার্কিন নৌবাহিনী এক বিবৃতিতে জানিয়েছিল, আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে এবং এটি কোনো যুদ্ধকালীন হামলার ঘটনা নয়। ওই ঘটনায় দুই নাবিক সামান্য আহত হয়েছেন বলেও জানানো হয়েছিল। লোহিত সাগরে মোতায়েন করা ১ লাখ টন ওজনের রণতরি জেরাল্ড আর ফোর্ডএর সামরিক কার্যক্রম ব্যাহত হয়নি বলে নৌবাহিনী দাবি করেছে। তবে ১৩ বিলিয়ন (১ হাজার ৩০০ কোটি) ডলার মূল্যের এ রণতরিতে থাকা প্রায় ৪ হাজার ৫০০ ক্রু ও বিমান সেনার অবস্থা বর্তমানেচরম অস্বস্তিকর

নিউইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, অগ্নিকাণ্ডের ফলে অন্তত ৬০০ নাবিক তাদের থাকার জায়গা হারিয়েছেন। তারা এখন রণতরির টেবিল বা মেঝেতে ঘুমাচ্ছেন। এ ছাড়া লন্ড্রি পুড়ে যাওয়ায় অনেকেই কাপড় ধুতে পারছেন না। পারস্য উপসাগর ও লোহিত সাগরের দায়িত্বে থাকা মার্কিন পঞ্চম নৌবহরের কাছে এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে চেয়েছে সিএনএন।