সিলেটের কোম্পানীগঞ্জে সাদাপাথর লুটের মামলায় গ্রেপ্তার উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সাহাব উদ্দিনের মুক্তি দাবি করে বিবৃতি দেয়ার ঘটনায় উপজেলা বিএনপির শীর্ষ দুই নেতাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছে জেলা বিএনপি।
বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকালে জেলা বিএনপির সহদপ্তর সম্পাদক মাহবুব আলম স্বাক্ষরিত এ নোটিশ তাদের কাছে পাঠানো হয়।
নোটিশ পাওয়া দুই নেতা হলেন- কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আবদুল মন্নান ও সাধারণ সম্পাদক আলী আকবর। তারা গত সোমবার উপজেলা বিএনপির পক্ষ থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে কেন্দ্র থেকে পদ স্থগিত হওয়া সাহাব উদ্দিনের গ্রেপ্তারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে নিঃশর্ত মুক্তি চান। বিবৃতিতে তারা দাবি করেন, সাহাব উদ্দিনকে সাদাপাথর লুটের মামলায় মিথ্যা অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয় এবং মিথ্যা অভিযোগে তার পদ স্থগিত হয়েছে।
কারণ দর্শানোর নোটিশে উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে জেলা বিএনপির সভাপতি আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক এমরান আহমদ চৌধুরীর কাছে সশরীর উপস্থিত হয়ে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে। তাদের দায়িত্বহীনতা ও সংগঠনের স্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ডের কারণে কেন তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে না, মূলত এর লিখিত জবাব চাওয়া হয়।
নোটিশে বলা হয়েছে, সম্প্রতি কেন্দ্রীয় বিএনপির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি সাহাব উদ্দিনের সব দলীয় পদ স্থগিত করা হয়েছে। এ সিদ্ধান্ত বহাল থাকাবস্থায় তার পক্ষে আপনারা গণমাধ্যমে বিবৃতি প্রদান করেছেন, যা সরাসরি বিএনপির নীতি, আদর্শ ও কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের পরিপন্থী এবং দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের শামিল।
এ বিষয়ে জেলা বিএনপির সভাপতি আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, সাংগঠনিক পরিপন্থী কাজ করায় কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির দুই নেতাকে শোকজ করা হয়েছে। তাদের লিখিত জবাব পাওয়ার পরই এ বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।
এর আগে গত শনিবার রাতে সিলেট নগরের আম্বরখানা এলাকা থেকে সাহাব উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-৯)। তিনি কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি ছিলেন। গত ১১ আগস্ট কেন্দ্রীয় বিএনপি চাঁদাবাজি, দখলবাজিসহ দলীয় নীতি ও আদর্শবিরোধী কাজে জড়িত থাকার অভিযোগে সাহাব উদ্দিনের পদ স্থগিত করে।

ডেস্ক রিপোর্ট 
























